page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করার সময় যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

আপনি অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করছেন মানে আপনি অসুস্থতা থেকে দ্রুত সেরে উঠতে চাইছেন। সুতরাং, এই সময়ে ভুল খাবার খেয়ে অসুস্থতা দীর্ঘ করার আর কোনো মানে নেই।

ওষুধের কার্যকারিতার ওপর খাবারের অনেক প্রভাব রয়েছে। আসলে, ভুল খাবারের কারণে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা ৩ ভাবে কমে যেতে পারে।

যথা, ভুল খাবারের কারণে শরীর ভালোভাবে ওষুধ শোষণ করতে পারে না, শরীরে ওষুধ  শোষিত হওয়ার হার কমিয়ে দেয় অথবা শরীর ভালোভাবে ওষুধ ভাঙতে পারে না।

আপনি যখন কোনো অসুস্থতার কারণে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করবেন তখন ওষুধের সম্পূর্ণ কার্যকারিতার জন্য নিচের খাবারগুলি এড়িয়ে চলবেন।

১. অ্যাসিডিক খাবার ও পানীয় বাদ দিন  
আপনি অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করার সময়ে এসিডিক ফল বা খাবার এড়িয়ে চলবেন। যেমন, সাইট্রাস জাতীয় ফল—অর্থাৎ কমলা, জাম্বুরা ইত্যাদি, চকলেট, কোমল পানীয়, টমাটো ও কেচাপ এগুলি খাবেন না। এই খাবারগুলি শরীরের ওষুধ শোষণ করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

২. দৈ ছাড়া যেকোনো দুগ্ধজাতীয় খাবার পরিহার করুন
দুগ্ধজাতীয় খাবারের ক্যালসিয়াম শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক শোষিত হওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। দুগ্ধজাতীয় খাবারের মধ্যে শুধু দৈ খেতে পারেন, কারণ দৈ-এ থাকা প্রোবায়োটিকসের কারণে আপনার পেটে উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। এর ফলে, অ্যান্টিবায়োটিক শরীরে যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে তা শরীর দ্রুত রিকভার করতে পারে। আর  অ্যান্টিবায়োটিকের খুব সাধারণ একটা সাইড এফেক্ট হল ডায়রিয়া, প্রোবায়োটিক ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে।

৩. বেশি ক্যালসিয়াম ও আয়রণ সমৃদ্ধ খাবার ও ট্যাবলেট পরিহার করার চেষ্টা করুন
ক্যালসিয়ামের মত আয়রনও ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে ফেলে। আপনি যদি অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করতে থাকেন, এবং আপনাকে যদি ক্যালসিয়াম বা আয়রণ ট্যাবলেট খেতেই হয় তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাওয়ার তিন ঘণ্টা আগে খান সেটা।

৪. বেশি আঁশ বা ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলুন
বেশি আঁশ জাতীয় খাবার অবশ্যই অনেক স্বাস্থ্যকর। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর থাকলে এগুলি বাদ দেওয়াটাই ভালো। আঁশ জাতীয় খাবার পাকস্থলী থেকে শরীরে খাদ্য শোষিত হওয়ার গতি কমিয়ে দেয়, এই কারণে ওজন কমানোর জন্য বেশি আঁশ জাতীয় খাবার খুবই কার্যকরী। তবে আপনার শরীরে ওষুধ শোষিত হওয়ার হারও কমিয়ে দেয় আঁশ জাতীয় খাবার। হোল গ্রেইনস, ডাল ও বিন হলো বেশি আঁশ জাতীয় খাবার।

৫. অ্যালকোহল
অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমানোর ক্ষেত্রে অ্যালকোহলের কোনো প্রভাব নেই। তবে, অ্যালকোহল পরিপাকতন্ত্র, হজম ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তৈরি করে এবং অবসাদ তৈরি করে।

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক
সাম্প্রতিক ডেস্ক