চলতি সিজনের গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতেই ইউরোপিয়ান টপ ফাইভ লিগের দলগুলি  মিলে প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরো ব্যয় করেছে।

প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। চলতি সিজনের স্কোয়াড সাজাতে তারা ব্যয় করেছে ১ বিলিয়নের বেশি ইউরো!

সুইজারল্যান্ডের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলা দলগুলির ব্যয় খতিয়ে দেখেছে। তাদের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে পেপ গার্দিওলার দল ম্যানচেস্টার সিটি। ‘ফুটবল অবজারভেটরি’ নামের এই প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুযায়ী প্লেয়ার কিনতে মোট ১.০১৪ বিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে ক্লাবটি।

এই তালিকার দুই নম্বরে আছে ফ্রেঞ্চ লিগের চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন। পিএসজি মোট ৯১৩ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করেছে প্লেয়ারদের পিছনে। ৯০২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে তৃতীয় অবস্থানে আছে স্প্যানিশ লিগের রিয়াল মাদ্রিদ।

প্রিমিয়ার লিগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয় করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মোট ৭৫১ মিলিয়ন খরচ করেছে তারা।

৬৩৯ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করে এর পরের অবস্থানে আছে লিভারপুল।

এই গবেষণা থেকে আরো কিছু চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি সিজনের গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতেই ইউরোপিয়ান টপ ফাইভ লিগের দলগুলি  মিলে প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরো ব্যয় করেছে। এক উইন্ডোতে এত বেশি ব্যয় এর আগে কখনো হয়নি।

রিপোর্টে দেখা গেছে, প্রিমিয়ার লিগের দলগুলি গড়ে ৩৪৫ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করেছে। লা-লিগা আর ইতালিয়ান সিরি এ লিগদুটির দলগুলি খরচ করেছে ১৬৭ মিলিয়ন করে। জার্মান বুন্দেসলিগায় গড়ে প্রতিটা দল খরচ করেছে প্রায় ১২৪ মিলিয়ন ইউরো। আর ফ্রেঞ্চ লিগের ক্লাবগুলি খেলোয়াড় কিনতে ব্যয় করেছে গড়ে ১১৮ মিলিয়ন।

অপরদিকে ইউরোপিয়ান ‘টপ ফাইভ’ লিগগুলির মধ্যে সবচেয়ে কম খরচকারী ক্লাব হিসেবে জার্মানির ক্লাব প্যাডারবর্নের নাম উঠে এসেছে। স্কোয়াড সাজাতে তারা খরচ করেছে ৪ মিলিয়ন ইউরো।

বর্তমানে স্কোয়াডের পিছনে সবচেয়ে বেশি খরচ করা ১০টি ক্লাবের তালিকা এই রকম:

১. ম্যানচেস্টার সিটি – ১.০১৪ বিলিয়ন
২. প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন – ৯১৩ মিলিয়ন
৩. রিয়াল মাদ্রিদ – ৯০২ মিলিয়ন
৪. ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড – ৭৫১ মিলিয়ন
৫. জুভেন্টাস – ৭১৯ মিলিয়ন
৬. বার্সেলোনা – ৬৯৭ মিলিয়ন
৭. লিভারপুল – ৬৩৯ মিলিয়ন
৮. চেলসি – ৫৬১ মিলিয়ন
৯. এটলেটিকো মাদ্রিদ – ৫৫০ মিলিয়ন
১০. আর্সেনাল – ৪৯৮ মিলিয়ন