page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

উত্তর কোলকাতা, ক্লান্ত দুপুর, একজোড়া চোখ, ইত্যাদি

আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি, সঠিক মনে নেই, দাদুর বইয়ের আলমারি ঘেঁটে পেয়েছিলাম পুর্ণেন্দু পত্রীর লেখা পুরোনো কলকাতার কথাচিত্র। এর আগে পর্যন্ত আমার কাছে কোলকাতা বা ক্যালকাটার পরিচয় ছিলো এই যে দাদু ওখানে হাইকোর্ট বলে একটা জায়গার উকিল, কলেজ স্ট্রিট বলে একটা জায়গা আছে যেখান থেকে দাদু আমার জন্য ভালো ভালো বই কিনে আনে।

সকাল

সকাল

সত্যজিৎ রায়, লীলা মজুমদার, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ওখানে থাকেন। রবীন্দ্রনাথের বাড়ি ওখানে। রজনী সেন রোডে থাকে ফেলুদা, যাকে চিঠি লিখলে উত্তর দেয় আর তেওয়ারির মিষ্টির দোকানে ভয়ানক ভালো খাস্তা কচুরি আর মিষ্টি পাওয়া যায়, সাথে স্পেশাল চাটনি।

শেষোক্ত ব্যাপারটা এখনো মুখে লেগে আছে, দাদুর কোর্ট ফেরত প্রায়ই জুটে যেত কিনা। আমার জন্ম কোলকাতায় হয় নি, যদিও বার্থ সার্টিফিকেটে লেখা আছে ভবানীপুর, কিন্তু হয়েছে কোলকাতা থেকে ঘণ্টা তিনেক দূরে এক বন্দর শহরে, হলদিয়া। তারপর সেইখানে বছর কয় কাটিয়ে চলে আসা কোলকাতার কোলের কাছে হুগলী জেলার ছোট্ট মফঃস্বল কোন্নগরে।

কোলকাতা চিরকাল বুড়ি ছুঁয়েই গেছে আমাকে, তাই আমারও তেমন টান তৈরি হয় নি তখনো।

sreya-thakur-logo

পুরোনো কোলকাতার কথাচিত্রের হাত ধরে আমার কোলকাতা ক্যোয়ারি শুরু। পুর্ণেন্দু পত্রীর গভীর লেখার রসগ্রহণ করার মত পরিণত মনস্ক না হলেও আবছা একটা বোধ তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে দুর্দমনীয় ভাবে মিশেছিল আমার কল্পনা। পুতুলদের রূপকথার মত কোলকাতা একটা মায়ানগরী হয়ে ওঠে তাই। পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল ইংরেজি পড়ার ফাঁকে দাদুর কোল ঘেঁষে বসে কোলকাতার গল্প শোনা, আর বাড়িতে আনন্দবাজার পত্রিকা আসার সঙ্গে সঙ্গে পাট ভেঙে গোগ্রাসে গিলে নেওয়ার প্রয়াস।

সে বুঝি বা না বুঝি, বুঝতামই না আসলে, কিন্তু গিলতাম। অর্ধেক বোঝা আর না বোঝার সঙ্গে কল্পনা মিশিয়ে নিজের মত করে একটা খবর বানিয়ে নিতাম। চেয়েছিলাম আমার ‘কোলকাতা’ তেমনটাই হোক যেমনটা আমি চাই। আর শুরু হয় ওয়ান্ডার লাস্ট। কবে কোলকাতা যাব!

মফঃস্বলের মধ্যবিত্ত সংসার, লোক্যাল গণ্ডির মধ্যেই সব পাওয়া হয়ে যায়, কোলকাতা খুব একটা দরকার ছাড়া যাওয়া হত না। যেদিন যাওয়া হত সেদিন হাওড়া স্টেশান থেকে বড়বাজার আর কলেজ স্ট্রিট পর্যন্ত আমার চোখের বিরাম ছিল না। হ্যাঁ, তখন এইটুকুই ছিল আমার সেই তথাকথিত কোলকাতার পরিসর। এত মানুষ, এত গাড়ি, এত আওয়াজ। দোকান বাজার সুন্দর সেজে থাকা অন্যরকম দেখতে মানুষ, আলোর মালা, ট্রাফিক পুলিশ, বিবিধ স্বাদের খাবার। অবচেতন মন কোথাও বুঝতে শুরু করেছিল কোলকাতার কাছে আমার ছোট্ট কোন্নগর আসলেই কতটা বিবর্ণ। ভাগ হয়ে গেছিল মনটা, একদিকে কোলকাতার আকর্ষণ আরেকদিকে কোন্নগরের জন্য মায়া এই দুই নিয়ে সেই ক্লাস ফাইভের মেয়েটা বড় হতে শুরু করে, মায়া কাটিয়ে পা বাড়িয়ে দেয় আকর্ষণের দিকে।

sreya-1b

শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে নেতাজী মূর্তি।

ক্লাস টুয়েল্ভ পর্যন্ত আমার ঘর থেকে একা কোথাও যাওয়ার জো ছিল না, সবজায়গায় দাদু নয় মা, কেউ সঙ্গে থাকত। এমনকি মাসে একবার করে কলেজ স্ট্রিট যাওয়ার সময়ও দাদুর হাত ধরে যেতাম। তবে এই বেলা আমার কোনো আপত্তি থাকত না, কারণ পকেট কেটে ভালো বই পাওয়া যাবে যে! তা পাওয়া যেতও, শরদিন্দু, সত্যজিৎ, সুনীল, সমরেশ, বঙ্কিম, শরৎচন্দ্র, তারাশঙ্কর যেমন বাংলায়, ইংলিশে এনিড ব্লাইটন, আরথার কোন্যান ডয়েল, এডগার অ্যালান পো, অগাথা ক্রিস্টি, রোয়াল্ড ডাল, রাস্কিন বন্ড—উফ, এই লিস্ট আসলেই শেষ হবে না। আর শেষ না হলে লেখাটা ক্রমশ কোলকাতা ছেড়ে কী কী বই পড়েছি আর পড়ি নি সেই দিকে বাঁক নেবে।

কোলকাতার প্রতি আকর্ষণের আরেকটা কারণ এটাও, কোই আমাদের ছোট্ট বইঘরে তো এত বই রাখে না, অর্ডার দিতে হয়, তারপর বাব্লু কাকু এনে দেয় দুই কি তিনদিন পর। কিন্তু এখানে এ যে কী অফুরন্ত বইয়ের মেলা, যেটা চাও, যা চাও, পাবে, তক্ষুনি। “নেই” শব্দটা যেন এই শহর জানে না। আমার আগেই অনেক লেখক বলে গেছেন, কোলকাতায় নাকি বাঘের দুধও মেলে!

দিন যায়, বড় হই, প্রসারিত মন মফঃস্বলে টেকে না, আকর্ষণের অভিমুখে যেতে চায়। এক্সপ্লোর করতে চায় প্রিয় শহর, কিন্তু একা। একা না হলে যে নিষেধ প্রতিমুহূর্তে, হারিয়ে যাবি, কিডন্যাপ হয়ে যাবি, ট্যাক্সিওয়ালারা ভালো নয়, কোন রাস্তায় যেতে কোন রাস্তায় যাবি। দাঁতে দাঁত চেপে অপেক্ষা, কবে ইশকুল শেষ হবে, কবে কলেজ লাইফের শুরু।

হলো, হ্যাঁ কলেজ লাইফ হলো শুরু। প্রেসিডেন্সি কলেজ, খোদ কলেজ স্ট্রিটের বুকে। আর শুরু হলো আমার এক্সপ্লোরেশান! কোলকাতা শহর, মানুষ, কালচার, সোসাইটি, খাবার, বই, সিনেমা, নাটক… ঠিক কতটা মিল আমার কল্পনা আর আদত শহরটার?

ঠিক কতটা সত্যি লিখেছেন পুর্ণেন্দু পত্রী তার বইতে?

সত্যি খুঁজতে এক একটা দিন ক্লাস বাঙ্ক মেরে পৌঁছে যাই উত্তর কোলকাতার অলিগলিতে। অন্য কোলকাতার পরিচয় তখনো পাই নি, টলমল করে হাঁটছি যে!

The long narrow ramblings completely bewitch me….
The silently chaotic past casts the spell…

sreya-1c

মিনার্ভা থিয়েটার

অতীত থমকে আছে; দেওয়ালে জমে আছে পলেস্তারার মত; অথবা জানলার শার্শিতে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছে।

এক পা দু পা এগিয়ে যাওয়া আসলে অতীত পর্যটন, সমস্ত জায়গার বর্তমান মলাট এক ঝটকায় খুলে ফেললে এখনো খড়খড়ির ফাঁকে টেক্কা প্যাটার্নের নাকছাবি ঝকঝক করে ওঠে; কিংবা বারান্দা থেকে ঘরে যাওয়ার সময় আঁচলের চাবিতে মৃদু শব্দ হয়।

টাইম ওয়ার্প ঘটে যাওয়া দুপুরগুলোয় এই অতীত পর্যটনের নেশা পেয়ে বসে আমায়; আর অবচেতনে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে যাই উত্তর কলকাতায়, যেখানে সময় সেপিয়া কালারে থমকে থাকে।

দু হাত বাড়িয়ে নিজের মধ্যে টেনে নেয় আমায় একটা বাড়ির দেওয়াল, আধখোলা ঝুরঝুরে জানলা, পুরোনো কড়িকাঠে পায়রার ডানার ঝটপটানি অথবা বারান্দা থেকে ঝুঁকে থাকা ঘোলাটে চশমার বয়স্ক মুখ।

এবাড়ি থেকে ওবাড়ির উঁকি মারা দূরত্ব, ঘরের মধ্যে থেকে ভেসে আসা রেডিওর গান, সদ্য ফোটা ভাতের গন্ধ, তেলে ফোড়নের ঝাঁঝে মাখামাখি অতীতঘেঁষা মধ্যবিত্ত সরু গলিগুলো ভীষণ নিস্তেজ করে দেয়; মুনলাইট সোনাটার রিনরিনে স্থবিরতা ছড়িয়ে যায় কোষে কোষে।

অনেক আক্ষেপ, আনন্দ, অভিমান, অভিসার, সঙ্কল্প, বিদ্রোহের সাক্ষী উত্তর কলকাতা, এলোমেলো আঁকাবাঁকা গলিগুলো প্রশ্বাসে দীর্ঘশ্বাসে সম্পৃক্ত। কান পাতলে এখনো অজস্র অনিমেষের সতর্ক পদক্ষেপ শোনা যায়, অথবা ভয়ার্ত শ্বাস প্রশ্বাস, অথবা… গুলির আওয়াজ আর অস্ফূট আর্তনাদ।

“কাচের কবিতা নিয়ে একটানা বৃষ্টিতে হাঁটছিলাম
আর কবে যে পড়ে গেছি আমি প্রাচীন ভাস্করের অন্তর গর্তে!”

পায়ের দুপাশ দিয়ে সূক্ষ্ম আকর্ষণের চোরাস্রোত ফাঁস বোনে, পা দেওয়া মাত্র যা তলিয়ে নিয়ে যায় অনুভূতির গভীরে, নতুন করে হয় আত্ম আবিষ্কার… Rediscovery….

উত্তর কলকাতার অলিগলি ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে গ্যাস লাইট। তার তলা দিয়ে হয়ত সওয়ারী বয়ে ক্লান্ত কোনো হাতে টানা রিকশাওয়ালা ঘাম মুছতে মুছতে এগিয়ে যাচ্ছে।

“হাওয়া দেওয়ার আগে সমস্ত দৃশ্যগুলোকে তুলে রাখতে হবে…”

মেহগিনি রঙের সন্ধ্যায় হলুদ গ্যাস লাইটের তলায় দাঁড়িয়ে নিজের সঙ্গে নিজের করা প্রতিজ্ঞা। গলিগুলো তখন কি অপার্থিব অন্ধকারকে লুকিয়ে রেখেছে আলোর চাদরের নিচে। নিঝুম আভায় এক এক টুকরো ছবি ক্যালাইডোস্কোপের মত ভেসে উঠছে, জোনাকির আলোর বিন্দু নিয়ে তাদের সহজ ঘোরাফেরা।

সন্ধ্যা নেমে আসে, নির্জন গলিতে অদ্ভুত ভাবে একা একাই জ্বলে ওঠে গ্যাস লাইট।

sreya-1d

উত্তর কোলকাতা

অদূরে হাতে টানা রিকশার ঠুন ঠুন, আরো দূরে বড় রাস্তার বাসের হর্ন, জমজমাট হল্লা, ব্যস্ত শহর। আর সঙ্গোপন নিভৃত গলির গ্যাস লাইটের তলায় জল ভরা চোখে আলাদা হয়ে যাওয়া, দুজনের দুদিকের রাস্তা থেকে শুধু একবার পিছন ফিরে দেখা।

উত্তর কলকাতার এমন অনেক ম্যাজিক আছে, ঠিক যেন একটা ফোর্থ ডাইমেনশনের খেলা। এই দেখা যায় একরকম আবার একটু উল্টেপাল্টে নিলেই আরেকরকম; এই আরেক রকমটাই রহস্যময়। রহস্যময়তা তার শিরায়, মজ্জায়, ধমনিতে, গলিতে, রোয়াকে, জানলার তাকে রাখা ছোট্ট সতেজ গাছে আর টুংটাং উইন্ড চাইমে। এক মুহূর্তও লাগে না হারিয়ে যেতে, আর হারিয়ে গেলে ফিরে আসার কোনও প্রশ্নই নেই।

সেপিয়া রঙের দুপুরগুলোতে বারবার তাই আমি ফিরে আসি এই রহস্যময়ের কাছে। আমি অনুভব করি এক অদম্য সময়হীনতায় থমকে গিয়েছি, কিন্তু তাতে কোনো যন্ত্রণা নেই, শুধু আন্তরিক আত্মসমর্পণ।

আজ আধুনিক সময় অনেকটাই দাঁত বসিয়েছে উত্তর কলকাতার চালচিত্রে।

ঝাঁ চকচকে নিয়ন আলোর দোকান থেকে আরম্ভ করে পুরনো বাড়িতে আধুনিক জানলার কাচ, এখানে সেখানে বেরিয়ে থাকে এয়ার কন্ডিশনের বাক্স; আমার মত কিছু খুচরো অকেজো মানুষ তবু এখনো কান পাতলে জেরেমির বেহালার সুরে শুনতে পায়:

“তবু মন বলে চলে যাবে না ফুরিয়ে কোনোদিন পুরনো কলকাতা
অলি গলি তুমি কান পেতে দেখো শুনতে পাবে জেরেমির বেহালা।“

নস্টালজিয়া, কোলকাতা আমায় প্রথম নিজের পেঁটরা থেকে যা উপহার দেয় তা আসলেই অতীত বিলাস। আর সেই উপহারের প্রভাবে উত্তর কোলকাতার এসেন্স হয়ে ওঠে এক প্রবল পুরুষের মত, যাকে নিয়ে কল্পনা করা যায়, ভেবে আর লিখে কাটিয়ে দেওয়া যায় পাতার পর পাতা। তবু একটা স্বচ্ছ কাচের মত পার্থক্য থেকে যায়।

প্রথম মোহর ধাক্কা কেটে যাওয়ার পর আরো বেশ কয়েকবার গেছি উত্তর কোলকাতায়, এবার ফ্যান্টাসির ঠুলি না পরে। আর আবিষ্কার করেছি উত্তর কোলকাতার মানুষগুলো বেশ আন্তরিক, দুপুর রোদ্দুরে ঘুরে কোনো বাড়ির রোয়াকে বসে পড়লে ভিতর থেকে জানলা খুলে প্রশ্ন এসেছে, আমার তেষ্টার জল লাগবে কিনা। অচেনা একদল মানুষের আড্ডা দাঁড়িয়ে শুনলে সাদরে তারা ডেকে নিয়েছে আড্ডার মধ্যে, চার টাকার ভাঁড়ের চাতে উত্তাল হয়েছে ক্রিকেট থেকে মোহনবাগান, জ্যোতি থেকে মমতা। আর প্রায় প্রতি বাড়ি থেকেই বিকেলের মুখে ভেসে আসা রেওয়াজের শব্দ, প্রত্যেকেই তো উঠতি সংগীত শিল্পী। একা একা ঘুরে বেড়ানোর সময় কখনোই মনে হয়নি অচেনা বিদেশ বিভূঁই, বরং বড় বেশি করে মনে হয়েছে এইত্তো আমারই শহর, আমারই পাড়া, আমারই চেনা মানুষ সব।

উত্তর কোলকাতার আরেকটা স্পেশাল জিনিষ কী? না বাগবাজারের রসগোল্লা, সেন মহাশয়ের মিহিদানা, গঙ্গার ঘাট, ভাঙ্গের সরবত, মিনার্ভা থিয়েটার বাদই দিলাম এখন, এগুলো নিয়ে পরে লিখবো।

gali-cricket

উত্তর কোলকাতায় গলি ক্রিকেট চলছে।

আমার মন কেড়ে নিয়েছিলো একদম প্রথমে যে স্পেশাল জিনিস সেটা হলো গলি ক্রিকেট, অসম্ভব টানটান উত্তেজনা পুর্ণ ম্যাচ। কোথায় লাগে ইন্ডিয়া পাকিস্তান। এর নিয়ম যে আসল ক্রিকেটের থেকেও শক্ত! নন্দা মাসিদের বাড়ির জানলায় না পাঠালে ছয় হবে না। ছাদের ওপর উঠে গেলে আউট! ইঁটের উইকেটে ব্যাট ঠেকে গেলে আউট। যার ব্যাট সে দু’ওভার বেশি খেলবে। এরকম আরো সব। মাথায় যেকোনো মুহূর্তে বল লেগে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়েও দেখতে কিন্তু ভালোই লাগে, আঠার মত আটকে থাকা যায়।

এটা আসলেই প্রোলগ ছিলো, আমার পাঁচ বছরের কোলকাতা জীবনের। এরকম আরো টুকরো টুকরো রেশমি সুতো জুড়ে নিলে তবেই সম্পূর্ণ হবে কাহিনী @ কোলকাতা। শুধু জুড়ে নেব, এই অপেক্ষায় রয়েছি।

About Author

শ্রেয়া ঠাকুর
শ্রেয়া ঠাকুর

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোলে মাস্টার্স করার পর বর্তমানে ডেভেলপমেন্টাল স্টাডিজে মাস্টার্সের জন্য এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থী। বাড়ি কোলকাতা থেকে কিছু কিলোমিটার দূরে, হুগলীতে। লেখালিখি একটা নেশার মত, বই পড়াও। এই দুটো ছাড়া আমার এক্সিস্টেন্স নেই। মূলত কবিতা এবং মুক্ত গদ্য লিখতে পছন্দ করি, এবং অনুবাদ করতে। অ্যাম্বিভার্ট হলেও ট্রাভেলিং এবং সোশ্যাল ওয়ার্ক ব্যতীত কোনো এক্সট্রোভার্ট চরিত্র নেই। ফোটোগ্রাফির ইকুইভোকাল শখ আছে।ওভার থিঙ্কার এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডিক্ট। :)