page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
ব্লগ

একজন জন-বুদ্ধিজীবী যে কারণে জনমতে নিজেকে বিলায় না

আমরা প্লেটোর রিপাবলিকে বাস করছি না যে জনগণের কল্যাণকামী একজন দার্শনিক রাজার অভিভাবকত্বে জীবন কাটিয়ে দেব। আমার আছি আমাদের রাজত্বে, অর্থাৎ গণতান্ত্রিক জগতে। এখানে জনমত থেকে জন্ম নেয়া রাজা আমাদের দেখভাল করেন। অন্য কথায় শাসন করেন, আবার সেই রাজা তার শাসনকালে নিজে জনমতের শাসনে থাকেন।

এমন জগতে জনমত হারাইলে রাজা আর রাজা থাকেন না, অন্তত তাত্ত্বিকভাবে তা-ই, যদি এরিস্টটলের কথা গণ্য করি। তো বাস্তবেও সেই অবস্থা বিরাজ করছে এমনটা ধরে নিলে যে জিনিসটা দাঁড়ায় তা হেগেলীয় হয়, অর্থাৎ আমরা যেমন, আমাদের সরকারও তেমন। তাইলে একটা রাষ্ট্র যদি ফ্যাসিবাদী হয়, তো জনমতের ওপরেও সেই দায়ের ভাগ আলবাত আছে বলা যায়। সেই ক্ষেত্রে, ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে দিতে হলে বিদ্যমান জনমতের বাছবিচার করা ছাড়া, ‘নির্মম পর্যালোচনা’ করা ছাড়া গতি নাই।

হেগেলই সেই রাস্তা বাতান। তিনি বলেন, “যেকোনো মহৎ বা যৌক্তিক কিছু অর্জনের প্রথম ফর্মাল শর্ত হল জনমত থেকে স্বাধীন হওয়া।” তো মজার ব্যাপার হল, একজন জন-বুদ্ধিজীবীকেই জনমত থেকে আগে স্বাধীন হতে হয়। জনমতে যাবতীয় কিছু থাকে, সত্য থাকে মিথ্যা থাকে, নিপীড়নের বিষবৃক্ষের বীজও থাকে, সেই বৃক্ষ উৎপাটনের সামর্থ্যও থাকে। জনমত তাই যেমন প্রশংসারও দাবিদার, তেমনি নিন্দারও।

ahmed-shamim-logo

হেগেল তো এ ব্যাপারে বেশ চাঁছাছোলা। তিনি জনমত যেহেতু নানা মত পথ ঘুরে টুরে শেষে প্রকাশ হয় একটা কংক্রিট বা অবিভাজ্য বক্তব্য নিয়ে, একটা অবিভাজ্য চেতনা নিয়ে, তাই একে নিন্দা করতে পরমর্শ দিয়েছেন। তার কথা ধরে বুঝি, গসিপের ভেতরেও জনমত প্রকাশিত হয়, এবং তিনি এ পর্যন্ত বলেছেন যে, গসিপের ভেতরে প্রকাশিত সেই জনমতকে যে কঠোর ভাবে নিন্দা করবে না, তার দ্বারা মহৎ কিছু হবে না।

তো তার মহৎ হবার ফল তা কী? হেগেল বলেন, একজন মহৎ লোকেই পারে জনমতের মধ্যস্থিত সত্য বের করে আনতে।

তো পুরো বিষয়টার মধ্যে একটা প্যারাডক্স দেখতে পান অনেকে কিন্তু, আসলে তা নাই। আইনস্টাইনের কথা যদি যোগ করি তাইলে বিষয়টা পরিষ্কার হয়। ধরেন চেতনার যে স্তরে দাঁড়িয়ে জনগণ একটা সমস্যার জন্ম দিয়েছে, আপনি সেই চেতনায় নিজেরে বিলীন করে দিয়ে ওই সমস্যা সমাধানের পথে এক চুলও আগাতে পারবেন না। ভিন্ন একটা স্তর থেকে আপনাকে যোগ দিতে হতে হবে। সেই স্তর আপনি দেখবেন, জনমত গঠনের প্রক্রিয়ার মধ্যেই। যখন বিভিন্ন স্তরের জনমত নানা পথঘাট মাড়িয়ে আগাচ্ছিল, তখন একটার চেয়ে আরেকটা আধিপত্যশীল স্তর অন্য স্তরগুলিকে রিপ্রেস করছিল; আপনাকে সেই রিপ্রেসড স্তরগুলি থেকে সত্যকে রিটার্ন করাতে হবে।কাজটা বড় কঠিন। এর ইমিডিয়েট রিপারকাশন আছে; ইট পাটকেল খেতে হবে নগদে।

চমস্কির মতে, পুরাকালে নবীরা ইট পাটকেল খেতেন কারণ তারা পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল ছিলেন, তারা ডমিন্যান্ট জনমতকে চ্যালেন্জ করে সেই আপদ নিজের ঘাড়ে ডেকে আনতেন। তো তার মতে, পাবলিক ইন্টেলেকচুয়ালের কাজ হল অথরিটির মিথ্যাকে জনগণের সামনে তুলে ধরা; অরথরিটি যা কিছু গোপন করার মাধ্যমে তার আধিপত্য বজায় রাখে তা ফাঁস করে দেয়া; নিয়ত আলোচনায় রাখা।

তিনি আমাদের এ বিষয়েও সতর্ক করেন যে, আমরা সমাজে যে জনমত উৎপাদন করি, তা যে খুব অকৃত্রিম তা না কিন্তু। দেখা যায়, অথরিটি তার আধিপত্যের সপক্ষে সম্মতি আদায় করে নিতে জমমতের উৎপাদক প্রক্রিয়াকে মানিপুলেট করে। খোঁজ নিলে জানা যায়, জনমত বিষয়টাই গোড়া থেকেই এমন। লক যেমন বলেছিলেন, জনমত হল, ল অব অপিনিয়ন। এ ব্যাপারে তার খুব একটা ভরসা ছিল না।

পাঠক, ভুল বুঝবেন না; এ লেখায় জনমতের বিরুদ্ধে যাওয়ার উস্কানি আছে বৈকি, তবে তা কিন্তু জনস্বার্থেই। ধরেন, জনমত জনগণের মত, তো সে কোনো জনগণ, জনগণ কী করে কোনো বিষয়ে একমত হন? সেই একমত যা আবার জনগণের কাছে ফিরে আসে, সেই মতকে জনগণ নিজের মত বলে চিনতে পারে কিনা এই প্রশ্নগুলি কিন্তু থেকে যায়। কিন্তু সেই প্রশ্নগুলি হালে পানি পায় না; অধিপতি জনমত তখন ওই সব প্রশ্নগুলিকে চুপ করিয়ে দেয়, ধর্মের মত করে। এসব কারণেই হয়, সসিওলজিস্ট ফারদিনান্দ টনিস বলে থাকবেন, “সমাজে জনমতের সোশ্যাল ফাংশন আর কম্যুনিটিতে ধর্মের সোশ্যাল ফাংশন একই রকম।” আবার হেবারমাস কথা ধরে বলা যায়, পাশ্চাত্যের মতো, প্রাচ্যেও জনমত এলিটদের দ্বারা ম্যানিপুলেটেড হয়েই ‘আলো’র মুখ দেখে।

বলতে চাচ্ছি, ম্যাস মিডিয়ার এজেন্ডা সেটিং, ফ্রেইমিং ইত্যাদির কথা। চার্চিল তাই রাখঢাক না রেখেই বলেন, “পাবলিক অপিনিয়ন বলে কিছু নাই, যা আছে তা হল পাব্লিশড অপিনিওন।”

জনপরিসরে কোন আলোচনা কেন্দ্রীয় ‘আলো’ পাবে, কোনটা স্থায়ী হবে, কোনটা আলোচনায় আসবেই না—এসবে জনগণের প্রভাব কতটা তা খুবই সন্দেহের বিষয়। জনমত জরিপে জনমত কতটা উঠে আসে, আদৌ উঠে আসে কিনা তাও সন্দেহের বিষয়। একজন জন-বুদ্ধিজীবী সেই সন্দেহ থেকে তার সন্ধান শুরু করেন।

চেতন মন মাত্রই জানেন, জনগণের মত সচরাচর বর্ণনাত্মক, গোড়াতে অনেক বেশি ব্যক্তিক। কিন্তু যখনই রাজনৈতিক মোমেন্টাম পায়, তখন তা নৈর্বেক্তিক হতে শুরু করে। ব্যক্তির চেয়ে সেখানে দল বড় হয়ে যায়; দল তখন ব্যক্তির মত গিলে খায়। আবার পুরো দল সুদ্দো গিলে খায় কোনো এক একক ব্যক্তি বা একাট্টা ব্যক্তিবর্গ। সেই সব ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ পাবলিক পলিসি তৈরি করে। ফলে, পাবলিক অপিনিয়ন আর পাবলিক পলিসির গ্যাপ বর্গানুপাতিক হারে বাড়ে। তবে এমনটা ভাবা ঠিক হবে না যে ওই লোকগুলিই কেবল পাবলিক অপিনিয়নকে নিজেদের স্বার্থে শেইপ করে। পাবলিক অপনিয়ন জন্ম থেকেই শেইপড হতে থাকে বিভিন্ন পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয়, একাডেমিক, ব্যবসায়িক এবং রাজনৈতিক ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান দ্বারা।

এখন পরিবারের, সমাজের, ধর্মের, একাডেমির, ব্যবসার রাজনীতির সকল পরামর্শ কি আপনি পর্যালোচনা ছাড়া মেনে নেবেন? নেবেন না, একই নিয়ম ফলো করলে দেখবেন জনমতও আপনার পর্যালোচনা ছাড়া মেনে নেবার কারণ নাই। জনমতের উপর সম্মান রাখার কথাটা দেখবেন যারা বলছে তারা ঠিক জনগণ না। জনগণের স্বার্থ নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নাই। তারা অনুপস্থিত এবং বিমূর্ত এক জনগণের কথা বলে উপস্থিত ব্যক্তি বা জনগণ যারা তাদের স্বার্থকে চ্যালেন্জ করে সেই ব্যক্তি বা জনগণকে চুপ করিয়ে দেয়। এটা নিঃসন্দেহে ধোঁকা; জনগণের কথা বলে জনগণকেই বোকা বানানো। তাই হয়ত রাসেল শ্লেষ করে বলেছেন, “না খেয়ে থাকা আর জেলে যাওয়া এড়ানোর খাতিরে পাবলিক অপিনিয়নকে সম্মান জানানো যেতে পারে পারে, এর বাইরে ওতে সম্মান জানানো মানে আজাইরা টিরেনির কাছে স্বেচ্ছায় নিজেকে সাবমিট করা।” জন-বুদ্ধিজীবী কাজ না সেটা, না খেয়ে থাকা আর জেল জরিমানা তাই তার কপালে জুটে যায়।

পাঠক হয়ত এখন একটা কিন্তুতে ভুগছেন, ভাবছেন জনগণের এজেন্সিকে এখানে ডিস্কাউন্ট করছি। আদতে একদমই না; বরং উল্টা। ধরেন জনমত যখন গঠিত হয়, যে প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়, সেখানে একের পর এক জনের এজেন্সিকে ডিস্কাউন্ট করেই তা গঠিত হয়। পাওয়ার পিরামিডের নিচে থাকা জনগণের মত পিরামিডের শিখরে পৌঁছায় না। জনগণের এজেন্সির পক্ষে দাঁড়ানোর খাতিরেই পাবলিক অপিনিয়নকে তথা পাব্লিশড অপিনিয়নকে পর্যালোচনা করার প্রশ্ন আসছে। ধরুন রাষ্ট্রই যদি মেনে নিলেন তাহলে দেখবেন পাবলিক অপিনিয়ন দিয়ে তা পরিচালনা করতে পারবেন না; পাবলিক অপিনিয়নকে যদি যথার্থ সম্মান জানাতে হয়, তাহলে রাষ্ট্র ভেঙে দিতে হবে; আরও ছোট কোনো রাজনৈতিক ফরমেশন আপনাকে আমদানি করতে হবে, যেখানে এক পাবলিকের অপিনিয়ন আরেক পাবলিককে নিপীড়ন করার নিয়ামক হিসাবে কাজ করবে না।

আবার জনমত বলে যে পদটি আমরা প্রায়শই ব্যবহার করি, তার সঙ্গে আরেকটি বিষয় মিশে থাকে, সেটা হল জনপ্রিয় মত, এই দুইয়ের ভেদ প্রায়শই আমরা করি না। জনগণের মধ্য থেকে এই মত উঠে আসে বলে লিবেরালদের কাছে এটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু জনমতের মধ্যে জনপ্রিয় মত সবচেয়ে বেশি এবং কঠিন পর্যালোচনার দাবিদার। জনপ্রিয় মত খুব অগভীর এবং সাময়িক, এবং এর অভিঘাত ফেলার শক্তিও বেশি। এটা খুব দ্রুততার সাথে সমাজে অভিঘাত ফেলে থাকে। তাই সচেতন জন-বুদ্ধিজীবীদের দেখা যায় এর বাইরে দাঁড়াতে এবং জনপ্রিয় মতের অগ্রগমনকে ধীর করে দিতে। এই ধীর করে দেয়ার মধ্য দিয়ে আসলে তারা সময় বার করেন, একটি জনপ্রিয় মতকে যথাযথ পর্যালোচনা করার।

এই কাজে প্রায়শই দেখা যায় জন-বুদ্ধিজীবীগণ কমন সেন্সের বাইরে চলে যান। অন্তত উপর থেকে তা-ই মনে হয়। কিন্তু দেখেন, কমন সেন্সেরও দেশ কাল আছে; আজকে যা কমন সেন্স তা একসময় কমন ছিল না; আজ যা কমন সেন্স নয়, একসময় তা কমন হবে; সে জন্য কিছু লোক কাজ করে, জন-বুদ্ধিজীবীরা এদের অন্যতম।

চমস্কি প্রায়ই বলেন, যদি কোনো বিষয় সম্পর্কে যথাযথ ধারণা লাভ করতে হয় তাহলে প্রথমেই আপনাকে কমন সেন্সের বাইরে চলে যেতে হয়। যেতে আপনি বাধ্য। কমন সেন্স হচ্ছে সামান্য জ্ঞান, লালন সন্দেহ রাখেন, সামান্যে আসলে সত্যের দেখা পাওয়া যাবে কিনা। তবে লালনের আরেকটি শলা হল, সত্যকে সংক্ষেপে পাওয়া যায়। এর গুরু অর্থ হল, তত্ত্বের মাধ্যমে, তত্ত্ব মানে সার; আর সার সর্বদাই সংক্ষেপ। জন-বুদ্ধিজীবীরা তাই তত্ত্ব চর্চা করেন; সেই তত্ত্বের সাপেক্ষে তর্ক করেন। তর্কে জনমতকে কাঠগড়ায় হাজির করান, এবং জেরা করেন, চুলচেরা করেন, ততক্ষণ যতক্ষণ না জনমত নিজেকে জনস্বার্থের প্রতিকূল নয় বলে প্রমাণ করে। কাজটা জনগণের মধ্যে বিরক্তি উৎপাদন করে, কিন্তু জন-বুদ্ধিজীবী তার তোয়াক্কা করে বলে মনে হয় না; কারণ সে জানে জনমতের মধ্যে যে জন- আর জনস্বার্থের মধ্যে যে জন- তারা এক জন- নয়। জন-বুদ্ধজীবীগণ জনস্বার্থের কারবারি, ঢেউয়ে ঢেউয়ে আসা জনমতে তারা তত হেলাদুলা করেন না।

দেখবেন জন-বুদ্ধিজীবীরা খুব জনপ্রিয় হন না। এর একটা কারণ তারা জনগণকে চিন্তার মধ্যে ফেলে দেন; চ্যালেন্জ করেন; কমন সেন্স আর কম্ফর্ট জোন থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। অন্যদিকে দলীয় বুদ্ধিজীবীরা দেখবেন বেশ জনপ্রিয়। কেননা তারা জনমত তৈরি প্রক্রিয়া থেকেই জনগণকে তোয়াজ করেন, অধিপতি মতের পক্ষে জনগণকে পারসুয়েড করেন। জন-বুদ্ধি জীবী জনগণকে পারসুয়েড করতে যাবেন না, কেননা তিনি গান্ধীর সেই বাণী মানেন, “পারসুয়েশন ভায়োলেন্সেরই একটা ফর্ম।”

কিন্তু শেষে এসে পাঠক, প্রশ্ন করতে পারেন, দলীয় বুদ্ধিজীবী থেকে জন-বুদ্ধিজীবী কী করে আলাদা করা যাবে? এটা বেশ কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ; এর সহজ সরল উত্তর আমার জানা নাই। তবে নিজের জন্য আমি একটা পথ পেয়েছি; একটা সমাজে হয়ত জন-বুদ্ধিজীবীর দরকার হবে না; সেই সমাজ গঠনের পক্ষে যে বুদ্ধিজীবীরা কাজ করেন তারা আমার লিটমাস টেস্টে পাশ করা জন-বুদ্ধিজীবী। তারা জন আবেগের কাছে আবেদন জানান না; জন-বুদ্ধির সঙ্গে বাহাসে জড়ান, জনগণকে আরও আরও ভাবতে বাধ্য করান, জনগণের কমন সেন্সের আওতা বাড়ান। নিজেকে ভেউরা বাঙ্গাল থেকে সদা আলাদা রাখার সাধনা করেন, স্বরূপের সাধনা: “মন কি তুই ভেউড়া বাঙ্গাল, জ্ঞান ছাড়া। সদরের কাজ করছো সদায়,পাছ-বাড়িতে নাই বেড়া।। […], কোন কোণায় কি হচ্ছে ঘরে, একদিন তো দেখলি নারে, পৈতিক ধন নিলো চোরে, হলি রে তুই ফোকতারা।।”

তো, লালনের এই কথায় ভেউরা বাঙ্গালের দল লালনকে একচোট নিতেই পারেন, তাতে লালনের কী আসে যায়। কিচ্ছু না।

অস্টিন, টেক্সাস ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫

About Author

আহমেদ শামীম
আহমেদ শামীম

টেক্সাস ইউনিভার্সিটির (অস্টিন) এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগে বাংলা পড়াচ্ছেন। পাশাপাশি সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডির অংশ হিসেবে রাজশাহীর কডা ভাষার ব্যাকরণ বর্ণনার কাজ করছেন। তার আগে, ভাষাতত্ত্ব পড়িয়েছেন নিউইয়র্কের লাগুয়ারডিয়া কমিউনিটি কলেজে, ঢাকায় ব্র্যাক এবং ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভাষাবিদ্যায় আসার আগে তিনি ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে, এবং পড়িয়েছেন স্ট্যামফোর্ড, ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাংলা ভাষা ও ভাষাতত্ত্ব নিয়ে বেশ কিছু পত্র পত্রিকায় এবং জার্নালে তার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৩ সনে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন 'বাঙলা কথা' একমাত্র গ্রন্থ ।