page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

“গল্প বলেই আমরা এ পৃথিবীটাকে বাঁচিয়ে রাখবো।”—আনিসুল হক

সাদ রহমান: আপনার এই বইমেলায় যে বইগুলা আসছে, ওই বইগুলার নাম একটু জানতে চাই।

আনিসুল হক: আমার বই, উপন্যাস দুটো। একটার নাম, `লিফটে আটকে পড়া যুবক-যুবতীরা’। এটা সময় প্রকাশনীর বই। আরেকটা, ‘জেনারেল ও নারীরা’। এটা প্রথমার বই। এর বাইরেও প্রচুর বই আছে, যেমন গল্পের বই, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে রূপবতী নারী, আপনার জন্যে’, এটা পার্ল প্রকাশন, আমি যে গদ্য কার্টুন লেখি, এবং অরণ্যে রোদন লিখি—কলাম, সেগুলো দিয়ে দুটো বই হয়েছে, ‘কৌ্তুক টৌতুক’, আর ‘জয়ের পথে জয়ের রথে বাংলাদেশ’। পার্ল থেকে এবং অনুপম থেকে বেরিয়েছে। এর্ বাইরে প্রচুর শিশুদের বই আছে। সংকলন আছে। ফলে বইয়ের সংখ্যা বেশ বেশি। কিন্তু নতুন বই যদি বলেন একদমই, তাহলে দুটো উপন্যাস।

boimela-logo-2016

সাদ: লিফটে আটকে পড়া যুবক-যুবতী, এটা মনে হচ্ছে যে লিফটে চলে আসা সময়ের প্লট।

আনিসুল: হ্যাঁ, লিফটে আটকে পড়া যুবক যুবতীরা নামটা শুনলে খুবই উস্কানিমূলক বলে মনে হয়। এবার তো উস্কানিমূলক বই বের করা নিষেধ। কিন্তু বইটা আসলে খুবই ভাবনার, এটা উত্তেজনার বই নয়। আমি দেখিয়েছি যে আমরা একটা সময়ের ফাঁদের মধ্যে আটকা পড়েছি। আমার গল্পটা হচ্ছে যে একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আটটা ছেলেমেয়ে, লিফটে করে নামছিল, এই সময় তাদের লিফটটা বন্ধ হয়ে যায়, পরের দিন ছুটি ছিল, ফলে তারা বেশ কিছুদিন লিফটে আটকে থাকে। এবং তখন তারা নিজেদের গল্পগুলো করে। এরমধ্যে কেউ সরকার সমর্থক, কেউ সরকার বিরোধী। কেউ একটু ধার্মিক। কেউ একটু প্রগতিশীল, সংস্কৃতিমনা। কেউ হিন্দু, কেউ মুসলমান, কেউ বৌদ্ধ। কিন্তু প্রত্যেকেরই দেখা যায় যে একটা অসহায়ত্বের বোধ, প্রত্যেকের মধ্যেই একটা নিরাপত্তাহীনতা। তো দেখা যায় এমনকি সরকারি দল যিনি করেন, তারও মনে হয় যে সময়টা খুব খারাপ। এটা হচ্ছে গল্পের বিষয়।

সাদ: উপন্যাসের যে একটা প্লট, এই প্লটের সাথে তো স্বাভাবিকভাবেই সমাজের একটা রিলেশন আছে। তো এটা কি প্রভাব পড়বে সাহিত্যিকভাবে, বা প্লট এটা হওয়ার কারণে?

আনিসুল: আমাদের কাজ হচ্ছে সমাজবাস্তবতাকে তুলে ধরা। সেটা তো নানানভাবে করা যায়। যেমন আমরা ইচ্ছা করলে নাটক লিখতে পারব, ইচ্ছা করলে প্রবন্ধ লেখতে পারব। কলাম লেখতে পারব। কিন্তু আপনে যখন উপন্যাস লেখেন, তখন সেটাকে শিল্পীত করতে হয়। এবং উপন্যাস তো একটা, উপন্যাস বলতে একটা নির্দিষ্ট ফর্মকে বোঝায়, তাই না? সেই শর্তগুলো পূরণ হলো কি হলো না, এটা মূল কথা।

Untitled-1

সাদ: তো এই প্রসঙ্গে আপনার যে গদ্য, সেটা দেখা যাচ্ছে ক্যাজুয়াল, আবার অনেকটা মেকআপ করা। এটাও কি মানে, যে উপন্যাসই, কিন্তু শেষপর্যন্ত এটা একটা সমাজের দর্পণ হওয়ার কারণে বিশেষভাবে আসল একটা ফর্ম হয়ে, ব্যাপারটা এমন?

আনিসুল: আমি তো মানুষ হিসেবে খুবই সরল। আমি মনে করি যে আমার প্রধান অস্ত্র, আমি যদি এটাকে গুণ নাও বলি, সেটা হচ্ছে, সারল্য। আমি খুব সহজ করে লিখি। এখন উপন্যাসের বিষয় নিজে জটিল হতে পারে। আমি কিন্তু একটু অস্তিত্ববাদী ঘরানার—আমার ভিতরে কাজ করে। যেমন আপনি দেখবেন যে আমার গল্পের মধ্যে প্রায়ই ফাঁদে পড়ে। এই ফাঁদ থেকে মানুষের তো আসলে উদ্ধার নাই। যেটা মিলন কুন্ডেরা তার বইয়ে বলেছেন, অনেক অস্তিত্ববাদী দার্শনিকরা বলেছেন, যে জীবনটা কী? জীবনটা আসলে একটা ফাঁদ। আমরা একদিন জানি যে, আমরা একটা জীবন লাভ করেছি, আমরা চলছি, এবং আমরা জানি যে, মৃত্যু আসন্ন, মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। আমরা কেউ মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে পারবো না। তাহলে মাঝখানে যে এই সময়টা, সেটা তো আসলে একটা ফাঁদ। তো সেটা কিন্তু ঘুরে ফিরে আমার গল্পের মধ্যে আসে। তো আমি বলি যে, আমার ভাষাটা সহজ। দেখবার চোখটাও সোজা, কিন্তু আমি যা দেখি তা তো সরল নয়। এই বাংলাদেশে এখন কে নিজে নিজেকে নিরাপদ ভাবে? আমি এখন সেই নিরাপত্তাহীনতার উপরে আমার সারল্যের আলো ফেলছি। আলো সরল হতে পারে, কিন্তু বস্তু নিজে, অবজেক্ট নিজে যদি জটিল হয়, সরল আলোতেও কিন্তু জটিলতাই ফুটে উঠবে।

সাদ: দ্বিতীয় যে উপন্যাসটা এবার বেরিয়েছে…।

আনিসুল: ‘জেনারেল ও নারীরা’।

সাদ: এই উপন্যাসটার প্লট কী? কী ধরনের? বা গল্পটা কী ধরনের?

আনিসুল: এইটা ইয়াহিয়া খান, ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ছিলেন। তিনি সত্তুরে নির্বাচন দিয়েছিলেন। এটাতে আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এমনকি দুই পাকিস্তান মিলেও হিউজ হিউজ মেজরিটি হয়ে যায় আওয়ামী লীগ, শেখ মুজিব, বঙ্গবন্ধু।

কিন্তু লোকটা ব্যক্তিগত জীবনে খুবই খুবই, কী বলবো, প্রেমিক মানুষ ছিলেন। বা যদি সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলি তাহলে লম্পট মানুষ ছিলেন। হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট, যেটা উনিশশো একাত্তরের পরে পাকিস্তান সরকার করেছিল, সেই রিপোর্টে যারা তার জবানবন্দি নিয়েছেন, তারা বলছেন যে, পাঁচশো নারী প্রেসিডেন্ট হাউজে সকাল বিকাল রাত ঘোরাফেরা করত। তারা মদ খেত। তারা ধুমপান করত। তারা হইহুল্লা করত। এইখানে এইসবই হত আর কি। তো সেসবের দলিল, স্মৃতিকথা, যেগুলি পাওয়া যায় সেগুলি অবলম্বনে আমি দেখাচ্ছি যে, একদিকে বাংলাদেশ স্বাধীন হচ্ছে, একদিকে মানুষ রক্ত দিচ্ছে, ত্রিশ লক্ষ লোক শহীদ হচ্ছে, কিন্তু যিনি এই অন্যায় যুদ্ধটা চাপিয়ে দিলেন, তিনি বাঁশি বাজাচ্ছেন নিরোর মতো।

সাদ: এই যে একটা প্লট, এইটা তো একধরনের একটু বেদনাবহ। আবার গত কিছুদিন আগেও রানা প্লাজা নিয়ে আপনার আরেকটা বই বের হইছে, শেলাই, দেখা যাচ্ছে আপনি সবকিছুর পরও এই যে একটা সামাজিক অবক্ষয় বা একটা কিছু, এটার ভিতর দিয়ে যাচ্ছেন। তো লেখকজীবনের বাইরে আপনার স্বাভাবিক জীবনে এইটা কি আপনার জন্য পেইন হয়?

আনিসুল: আমি না, এটা জীবনানন্দ দাশ বহু আগে বলে গেছেন, আমি কবি, কারণ আমি ঝরা পালকের যে বেদনাটা, সেটার দ্বারাও ব্যথিত হই। বা বুদ্ধদেব বসু শার্ল বোদলেয়ারের ভূমিকায় বলেছেন, যে কবি তিনি, যিনি সমস্ত পৃথিবীর হয়ে দুঃখ পান। আমি কিন্তু আসলে, এটা নিজের সম্পর্কে বলা উচিত হবে না, তবু বলি, আমি মানুষটা খুব নরম। আমি কিন্তু খুব সামান্যে বেদনা পাই। বড় বেদনা হলে তো বেদনা না পেয়ে উপায় নেই, যেমন রানা প্লাজা। কিন্তু এমনও গেছে, একদিন আমি রাস্তা দিয়ে হাঁটছি না গাড়িতে অথবা রিকশায় যাচ্ছি, দেখি, একটা ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে, দাঁড়িয়ে আছে না, ট্রাকটা চলছে। সে ট্রাকে রিলিফ, রিলিফেরও না, কম মূল্যে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। তার পেছনে বিশ-ত্রিশটা লোক, ট্রাকটাও চলছে, ওরা ওই পাত্র নিয়ে চলছে। আমি এই দৃশ্য দেখে, আমার বুক খা খা করে উঠলো যে, পাঁচ টাকা করে হয়তো কম দাম, এই দামের জন্যে লোকগুলি চাল কিনছে, কিন্তু একটা মানবিক মর্যাদা পাচ্ছে না, যে ট্রাকটা দাঁড়িয়ে থাকুক। ট্রাকটা কিন্তু চলছে। তো আমি এতটুকুনেই বেদনা পাই। কাজেই আমার লেখার ভিতরে বেদনা থাকে। এটা সত্য।

সাদ: এই যে একটা বেদনা, এটা কি বিশেষভাবে সাহিত্যিকদের ধারণ করা দরকার, মনে করেন? মানে যারা উপন্যাসিক।

genarel-nariraআনিসুল: না না, সাহিত্যিকদের জন্য আমি কোনো কিছুকে প্রেসক্রাইব করব না। আমি কোনো কিছুকেই বলবো না—ব্যবস্থপত্র দেব না যে তুমি এটা করো, ওটা করো না। একটা টিপস আমি দিতে পারি—সেটা হচ্ছে, সাহিত্যিকের কাজ হচ্ছে আনপ্রেডিক্টেবল হওয়া। সে এমন কিছু লেখবে যেটা কেউ কল্পনা করতে পারবে না। পরের প্যারায় কী হবে সেটাও যেন কেউ কল্পনা করতে না পারে। আর আমাদের কাজ হচ্ছে সমাজের নতুন ব্যাখ্যা দাঁড় করানো। নতুন ভাষার কাঠামো দাঁড় করানো। নতুন স্বপ্ন দাঁড় করানো।

আমি খুবই ছোট লেখক যেহেতু, সেহেতু আমি—এটা বড় লেখকরা করেন না, ছোট লেখকরা করেন—সেটা হচ্ছে, আমি মনে করি, বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষ, এত কষ্ট করে আমরা স্বাধীন হয়েছি, এই দেশটা আমরা বৃথা যেতে দিতে পারি না। কাজেই আমাকে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হবে। তা আমি যতই বেদনার কথা বলি না কেন, আমি শেষ পর্যন্ত স্বপ্নের কথা বলি, আশার কথা বলি।

সাদ: আচ্ছা শেষ প্রশ্ন, আপনার—ইদানিং লেখা উপন্যাস, অন্যরা লেখে—এগুলি কি পড়া হয়, সাধারণত?

আনিসুল: খুব কম। বাংলাদেশে যারা লেখেন, তাদের লেখা কমই পড়া হয়। যদিও, ধরা যাক শহীদুল জহির কী লেখেন, বা সিনিয়ারদের মধ্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কী লেখেন—উনি তো আর লিখবেন না—হাসান আজিজুল হক কী লিখেছেন, এটা নিজের প্রয়োজনে পড়তে হয়। জুনিয়রদের মধ্যেও যারা, হঠাৎ করে যদি শুনে যে উনি ভালো লিখছেন, তখন সেটা সংগ্রহ করেই পড়ি।

সাদ: সেক্ষেত্রে, মানে এই যে একটু আগে বললেন, নতুন ভাবে, আনপ্রেডিক্টেবল হওয়া, নতুন ভাষার কাঠামো বা নতুন যেটা ভাবনা করা হয় নাই, ওইভাবে ভাবা, নতুন যারা লিখছে, সেটা কি পারছে, বা সেদিকে যাচ্ছে?

আনিসুল: আমার একটা অনুযোগ আছে। অভিযোগ তো করা যায় না। এবং কাউকে বলা যায় না, আপনি এভাবে লেখেন। আমার ধারণা যে, আমরা যারা এখানে বাংলাদেশে লিখি, তারা সবাই খুব এক্সপেরিমেন্টাল হতে চাই। আমাদের লক্ষ্য থাকে যে আমরা জেমস জয়েসের ইউলিসিস লিখবো, অথবা আমরা কমলকুমার মজুমদারের হয়ত সবচাইতে কঠিন উপন্যাসটা লেখবো। কিন্তু আমাদের না প্রচুর গল্পকথক দরকার, স্টোরি টেলার।

আমি এ বিষয়ে একটা প্রবন্ধ লিখবো ভাবছি। আমেরিকায় আমি গিয়েছিলাম সাহিত্যের কোর্স করতে। তিন মাস ছিলাম। পরে এক মাস ছিলাম। ওরা মনে করে যে, লেখায়, উপন্যাসে, কথাসাহিত্যে, গল্প বলতে হয় না। ছবি আঁকতে হয়। আমি মনে করি, পূর্বে, বাংলাদেশে, সাউথ এশিয়ায়, এমনকি মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের ঐতিহ্য হচ্ছে বলা, আমরা গল্প বলবো। কারণ আমাদের এখানে ছাপাখানা এসছে পরে, আমরা মনসামঙ্গল পর্যন্ত, গল্প বলেছি, গেয়েছি, না? ধরেন যে, আরব্য উপন্যাসও তো বলা। বলাটাই আমাদের ট্র্যাডিশন। কাজেই আমাদের উচিত হবে না পশ্চিমের এই তথ্য গ্রহণ করা যে আমরা ছবি আঁকবো। আমরা বলবো। ফলে আমাদের এখানে পশ্চিমের ওই কঠিন ছবি আঁকার দরকার নাই। যে, পাতার পর পাতা একটা ঘরের মধ্যে কী কী ফার্নিচার আছে, কোন কোম্পানির ফার্নিচার আছে…।

আপনি ধরেন, আমাদের বন্ধু, বন্ধু বলছি, তাকে চিনি না, আমাদের লেখক, জিয়া হায়দার রহমান আছে না? ‘ইন দ্য লাইট অব হোয়াট উই নো’। এই উপন্যাসটা তো সারা পৃথিবীতে স্বীকৃত। ওইটার মধ্যে বিশ বছর আগের কাহিনী একজন মনে করছেন, তিনি বর্ণনা করছেন যে, একটা লোক তার দরোজায় এসছে। সেই ছেলেটার পরনে কী কোম্পানির প্যান্ট আছে, এমনকি কী কোম্পানির বেল্ট আছে, সেইটার বর্ণনা সে করছে—এটা অসম্ভব। বিশ বছর আগে একটা লোক আমার দরোজায় নক করছে, আমি তাকে প্রথম দেখে এসে চা খাওয়ালাম, সে কোন কোম্পানির বেল্ট পরে এসছে, এটা বিশ বছর পরে আমরা বলতে পারি না। এটা বলতে পারার কথা না। কিন্তু ওরা যেহেতু ওই ট্র্যাডিশনটা, ওই রীতিটা অনুসরণ করে যে ছবি আঁকতে হবে, ওরা ওটার পুরোটার বর্ণনা দেয়। তো আমরা বাংলাদেশে, বাংলা, আমাদের এলাকায়, আমার মনে হয় যে কথক দরকার। গল্প বলবে। যে গল্প আমাদের হুমায়ূন স্যার বলেছেন। গল্প বলেই আমরা এ পৃথিবীটাকে বাঁচিয়ে রাখবো।

বাংলা একাডেমি বইমেলা, ২৭/২/২০১৬

ইউটিউব ভিডিও

About Author

সাদ রহমান
সাদ রহমান

জন্ম. ঢাকা, ১৯৯৬। কবিতার বই: 'কাক তুমি কৃষ্ণ গো' (২০১৬)।

Comments

  1. শামসুদ্দোহা সেলিম। says:

    আমরা যে বাংলায় লিখছি, এই ভাষা আমাদের নিজেদের ভাষা, তাহলে ভাল ও শুদ্ধ লিখতে ক্ষতি কি? একটু খেয়াল আর ভাষার প্রতি যত্নশীল হলেই যথেষ্ট। নিজের সব কিছুতে যত্নশীল হই তো ভাষা জ্ঞানে নয় কেন!!
    যেমন, ’আটকায়া থাকে’ না লিখলেও হতো; কিছু মনে করবেন না। আটকে থাকে লিখে দেখুন, অনেক ভাল লাগছে – রণক ইকরামের লেখা থেকে