page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব
আন্তর্জাতিক

নূপুর এবং চেয়ারম্যানের বউ

গ্রাম পরিচয়ে একটা দারুণ ব্যাপার আছে। গ্রাম বইলা আমি ঠিক গ্রামরেই বুঝাইতেছি না মনে হয়। অনেকটা গ্রামীণের দিকে ইঙ্গিত করতেছি। গ্রামীণ এই গ্রামীন সেই—আছে না? গ্রামীণ এনভায়ারমেন্ট।
সেই এক গ্রাম। তথায় যে আমি গেছিলাম একটা শীতে। সেই কথা মনে উঠলেই আমার মধ্যে হু হু কইরা বাতাস বইতেছে। শহরের ক্ষেত্রে কি এমনটা ঘটে আমার? না মনে হয়। গ্রামের ব্যাপারটা আসলেই অজান্তে এমনটা হইতেছে—কেন?

ওই এক গ্রাম। অভাগিয়া। ওইখানে আমি গেছিলাম। ওইখানে আমি কিছুদিন, সকাল-সন্ধ্যা-রাইত। কুয়াশা, রইদ, আবার বিশাল ধানের জমিন। অথচ ধানের জমিনে কোনো ধান ছিলো না। কাঁটা কাঁটা বাইর হইছিল আর আমি ওইখান দিয়া হাঁটতে গিয়া হোঁচট খাইছিলাম—অনেকবার!

ছোটবেলা হইতে শহরেই রইছি বইলা কি এই আমার গ্রামের প্রতি টান? হইতে পারে। গ্রামের কথা ভাবলেই শুধু অভাগিয়া ভাসে চোখে। অভাগিয়া এক গ্রামের নাম। তথায় একটা শীতে আমি গেছিলাম। একলা।

saad rahman logo

তো, আমি যখন গিয়া পৌঁছলাম। আমার খালার বাড়ি। সন্ধ্যারও আরো কিছুটা আগে। ভাল্লাগতেছিল এই ভেবে, আহ কী অদ্ভুত এই সন্ধ্যার পরিবেশ। এনা নামক বাসটি হইতে আমি নেমে গেছিলাম ওই গ্রামের পথের শুরুতে।

জায়গাটার নাম শিকারিকান্দা কিনা? আমার মা এবং খালার ফোনালাপের জের ধইরা আমার জন্য অপেক্ষা করতেছিলেন খালুজান। খালুজান বড় রাস্তার কিনারে আইসা একটা চায়ের দোকানে বইসা ছিলেন। তার সঙ্গে ছোট ব্যাগ। গায়ে জাম্পার। পায়ে বন্ধ জুতা। ফিতাহীন। আর গলায় একটা করুণ মাফলার। বাস হইতে নামতেই তিনি আমার দিকে ছুটে আসলেন। খালুজানরে আমি আগেও দেখছি বারকয়েক। এইবার তার দিকে তাকাইতেই দেখি একজন সাদাসিধা মানুষ। আমার দিকে তাকায়া কি তিনি ক্ষাণিক দূরত্ব বজায় রাইখা হাসতেছেন? আমি হ্যান্ডশেক করার জন্য তার দিকে হাত বাড়ায় দিলাম।

খালুজানের লগে ওই গ্রামের পথ দিয়া ধীর লয়ে বাড়ি পর্যন্ত গেলাম। একটা রিকশা নিবার সিদ্ধান্ত ছিল তার, তবু সেইটা আর হইল না। আমি আর খালুজান বিভিন্ন আলাপনে চইলা গেলাম বাড়িতে।

বাড়িতে ঢুকবার আগেই ওই বাড়িটার আলাপ সাইরা নিই। কেননা গেলে গা তো তখন ভিন্ন আলাপই বেশি। জমবে না ওই বড়বাড়িটির কথা। বড়বাড়ি হইলো কেন এইটার নাম?

খালুজান কইলেন, তারা অনেকজন ভাইবোন। পিতা জমিদার ছিলেন। এমনে-এমনেই তিনি ইতিহাস আরো কিছু কইলেন। বিশেষ ইন্টারেস্টিং না। আমি ভাবতে লাগলাম, সকল গ্রামেরই কি একটা কোনো ইতিহাস রইছে? তেমন কইরা সকল জিনিসেরও। গ্রামের একটা অতীত ছিল। জমিদারি ছিল। আরো কত সব কাণ্ড ঘইটা গেছে গ্রামে।

এইসব আমি ভাবতে থাকলাম। আর হাঁটতে থাকলাম। গ্রাম ব্যাপারটা এমনেই তো মনোরম। আবার এইখানে যদি অতীত থাকে। সেই অতীতে কত মৃত্যু! যেমন খালুজানের বাপের মৃত্যু আছে এই গ্রামে। আমি খালুজানরে জিগাইলাম—”আচ্ছা, এই গ্রামের গোরস্থানটা কই?”

হঠাৎই হঠাৎ তিনি প্রশ্নের চোখে প্রশ্ন তুইলা আমার দিকে দৃষ্টি ফিরাইলেন।

saad-dec1

খালুজানের সেই দৃষ্টির সামনে খেয়াল করলাম আমি একলা। এইখানে আমার আশেপাশে আর কেউ নাই। সব দিক থিকা কেবল সন্ধ্যা নামতেছে।

বাড়িতে ঢুকবার লগে লগেই ওমা—যেন হুল্লোড় লাইগা গেল। আমি যে আসলাম, এই নিয়াই তাদের যত গুঞ্জরণ। তারা সকলেই অত্যধিক আগ্রহ নিয়া উঁকিঝুঁকি-উঁকিঝুঁকি মারতে লাগছে। আমি উঠানটাতে গিয়া দাঁড়াইছি। তার একপাশে কিছু বড়-ছোট গরু নিত্যাকারে শুয়ে-বসে আছে। কিনারে তাদের গোয়ালঘর। আর কোথাও হইতে এত ভিড়ের ভিতরেও নিরবে ধোঁয়া আসতেছে। ধোঁয়ার গন্ধও আমি ধরতে পারতেছি নাকে। বাড়ির সর্বাপেক্ষা বয়স্ক মহিলাটি খালুজানের আম্মা— বৃদ্ধা আমার নিকটে আইসা দাঁড়াইলেন। আর মাথায় হাত বুলাইতে লাগলেন। উনার পরনে খয়ারি একটা শাড়ি। অতীব শুকনা একজন মানুষ। আমার মুখের দিকে তাকায়া অনেকটা আশীর্বাদের মতই কথা পাড়তে লাগলেন। মনে হইব যেন এই আমার বিদায় নেওনের টাইম। তিনি আমারে দোয়া কইরা দিতেছেন।

আমি কিছুটা লজ্জায় আর কিছুটা ভালোবাসায় মিটমিটি হাসি ওষ্ঠে বজায় রাখলাম। দেখা হইল খালার লগে। খালার ছেলের লগে। আমি এখানে আর বিশেষ কাউরেই চিনি না। একজন আইসা বললেন, তিনি ঢাকায় আমগোর বাসায় গেছেন। এবং সেইখানে কিনা আমার মায়ের সে কী আদরযত্ন! তিনি দুষ্টামির হাসি দিয়া কইলেন—এবার তারাও বুঝাইবেন আদরযত্ন মোটে কী, কী রকম। হা হা!

আদরযত্নের ব্যাপারে এই কটু দুষ্টামিটা ভালোই। শহরে কি আমরা কি এই টাইপের দুষ্টামি কইরা থাকি? মোদ্দায় বললে শহরের দুষ্টামি আর গ্রামের দুষ্টামি—তফাৎ আছে খুব। আমি মাগরেব নামার টাইমে ঘরে ঢুকলাম। খালার লগেই। এইখানে সব ঘর মাটির ঘর না। আবার সব ঘর পাকা করা ঘর না। আমার জায়গা হইল পাকা ঘরে। তবে ঘটনা হইলো এই মুহূর্তে এইখানে কারেন্ট নাই। এমনে কারেন্ট আছে। আমি ঘরে ঢুকলাম খালার হাতের কুপির আলোতে। ভেতরে অন্য কুপি। ভেতরের অন্য কুপি হাতে আবার অন্যজন। তবে ওই মেয়ে, সে কে? কুপি হাতে যে দাঁড়ায় আছে। আবার আলনারই সামনে। চুপি চুপি যেন তার মনোভাব।

মেয়েটা চঞ্চলতাপূর্বক বাগড়ম্বর দেখাইয়া কিছু আগায় দিতে আইল না। লুঙ্গি ও অন্যান্য কাপড় বিছানার কিনারেই রাখা আছে। খালা বইলা দিলেন, ওইখানে বাথরুম আর এইখানে আমার কাপড়। আমি কইলাম—”লুঙ্গি আমার ব্যাগেই আছে।”

আমি নিজের লুঙ্গিটি নিজে বাইর করলাম। পরক্ষণেই খালা বাইর হইতে নিলেন। আর ডাইকা নিলেন মেয়েটিরেও। আলনার ধারের মেয়েটি। আমি দেখলাম, ওই মেয়েটা এতক্ষণে এইটুকুও নড়ে নাই। গ্রামীণের মতো সুন্দর তার অবয়ব। সেও বাইর হইতে লাগল খালার কথায়। আর বাইর হওয়ার টাইমে একটা পলক দিয়া গেল আমার চোখে। আচ্ছা, তার চোখে কি ভয়? অথবা মনের গহীনে, অজান্তে। কিম্বা যদি হয়, আমাদের হইবে প্রেম। আমি আসছি প্রেমের গ্রামে। হা হা! ‘বাকিটা ব্যক্তিগত’ নামের ভারতীয় বাংলা ছবিটা আমি তখনও দেখি নাই।

অভাগিয়া গ্রামে আমার একটাই তো ভ্রমণ। আমি ওইখানে গেছিলাম একটা কোনো শীতে। তবু এই শীত ও গ্রামের খবরগুলা কইতে আমার মনে চাইতেছে না। এই যে গ্রামের মেয়েরা—যেহেতু তাগোর কথা আমি বইলা উঠি নাই। গ্রামীণ মেয়ের আলাপ, আর কেডা করবে শুনি?

২.
তার পরদিন ভোরেই আমি বাইর হইলাম গায়ে। এইখানে সকালেই কিছুটা চঞ্চলতা আরম্ভ হইছে। দেখি নিয়মিত হালে গরুগুলা দূরের বন্ধের দিকে চলে যাইতেছে। আর পুকুরে কি কেউ বাসন-কোসন ধুইতেছে? কুয়াশার ফলে আমার চোখে পুকুরের ওইপার অস্পষ্ট ঠেকল। আমি বাড়িটি পার হইয়া আরো কিছুটা দূর অগ্রসর হইয়া একটা লম্বা টেবিলের উপরে বসলাম। আর আমার লগে আমার খালোত ভাইটি। তখনই ওইখান দিয়া যিনি হাঁইটা গেলেন, আর আমার দিকে না তাকাইয়া তিনি হাছানরেই হঠাৎ চিমটি কাইটা গেলেন। তিনিও তো বেশি বয়স্ক না।

অল্প বয়সী নারীই কি এই গ্রামে বেশি? হাছানরে তিনি একটু দূরে গিয়া ‘ছ্যাড়া’ বইলা ডাকলেন। অথচ মায়াভরা তার কণ্ঠ। তিনি কইলেন, তাগোর বাড়িতে কেন হাছান যায় না। মহিলা একটু দূরাফি হইলো। আমি হাছানরে জিগাইলাম—”তুমি কেন তার বাড়িতে যাও না?”

হাছান হাসল। আর জানাইল, এককালে সে ম্যালা যাইত।

তো এখন কেন যায় না?

হাছান চুপে চুপে কইল, লোকে খারাপ কয়।

“তা কেন?”

কেননা, ইনি মাগি গোছের এক মহিলা। হাছান হাইসা উঠল।

আমি জিগাইলাম—”তার স্বামী কি বিদেশে?”

হাছান হাসতে থাকল।

তো, হাছানরে আমি পরক্ষণেই জিজ্ঞাস করলাম—”‘বলো তো, কালকের ওই মেয়েটা কে?”

প্রশ্নিত হইল হাছান, খানিক। আমি বললাম—”ওই যে কুপি হাতে। নীরবে ভিতরের ঘরে দাঁড়ায় ছিল।”

হাছান অল্প হাসি দিয়া বোঝাইল যে, সে চিনছে। আর মিটি মিটি চোখে সে আমার চরিত্রটিও মনে হয় বুইঝা নিল। আচ্ছা, হাছান কি বুঝল তবে? আমার কিছু কাছের বন্ধু আমারে মাগিবাজ বইলা ক্ষেপাইতে চায়। আমি তো ক্ষেপি না তবু, এইটা একটা ব্যাপার। তারা আমারে মাগিবাজ কয়। হাছান কি এমনটাই বুঝল? সে আমারে কইল—”এতই যখন ছেইড়্যাইনের শখ, বিকালে চেয়ারম্যানের বাড়িতে যামু নে।” আমি পুকুরের ওইপারে উৎসুক দৃষ্টিতে কিছু একটা খুঁজতে খুঁজতে ওরে কইলাম—”ওকে।”

চেয়ারম্যান বাড়িতে গিয়াই যেহেতু আমাদের গল্প শেষ হয়ে যাইতে পারে। সুতরাং তার আগে আরেকটি গল্প আমি শোনাইতে পারি। এই গল্পে সেই কুপি হাতের নারী। যার বয়স হইব পনেরোর মতই। বা সতের। দ্বিতীয়বার তারে দেখলাম আমি দুপুরের দিকে।

উঠানের এক কোণে বইসা সকলের সাথেই কিছু একটা বাছতেছে। পিড়িতে বইসা আছে সে। আর হাঁটুতে ঠেকাই দিয়া নিজের থুঁতনি, সে বাছতেই আছে। আমি গভীরভাবে তার দিকে তাকাইতেই সেও আমার দিকে তাকাইল। এই কি তবে হয়ে গেল আমাদের পরস্পরের চোখের লেনাদেনা? আমি ভিতরের ঘরে চলে আইলাম।

পৃথিবীর সকল গ্রামেই বোধহয় এইরকম। দুপুরের খাবারের পরে যেন অদ্ভুত এক প্রেম নাইমা আসে ভবে। আমি ধানের ক্ষেতগুলার অদিকের জানালটি উজার কইরা দিয়া শুয়ে রইলাম। আমার মনটাতেও যেন কতটা দুঃখ জমাট বাইঁধা রইল। আমি তাকাইলাম ঈষৎ দরোজার দিকে, সেইখানে হঠাৎ ওই কুপিঅলা নারী। অনেক কাল পরে এখন যার কথা আমি বলতেছি। সে আইসা দাঁড়াইল। আমি যত সম্ভব ইজিভাবে তারে ভেতরে আমন্ত্রণ করলাম। তো, তার নামটাও শুনলাম। আমি কইলাম, “আচ্ছা নূপুর! আপনে কি ওইখানে দূরে ইটের ভাটাটা দেখতেছেন? ওই যে ধোঁয়া বেরোইতেছে।”

নূপুরের লগে আরো কথা হইল। এবং সবিশেষ পরিণামও হইল ওইসব কথার। কেউ কি দেইখা ফেলল আমাদেরকে এই দুপুর টাইমে? একলা ঘরে। না। তবু নূপুর যেন একটা স্মৃতি হইয়া গেল আমার গ্রামের। অভাগিয়ার। আর আমি লাইফে আরেকবারও অভাগিয়া যাইতে পারলাম না। নূপুর একটা সময় কাছে আসতে আসতে কীভাবে যে এত কাছে চলে আসল! আমার মনটা বলে, আমার শহরের ভূষণ যত প্রেম ডাইকা আনছিল অর মনে। ওই পুনরায় সেই রাতে আমার ঘরে চইলা আসছিল।

যাক গে। চেয়ারম্যান বাড়ির আলাপ দিয়া শহরে ফিরা যাই। হাছানের লগে যখন আমি ঢুকলাম চেয়ারম্যানের বাসায়। ইচ্ছা ছিল যে, আশেপাশে ঘুইরা দুই একটা মেয়ে দেইখা ফিরে যাইব গা। কিন্তু সেটা আর হইল কই? চেয়ারম্যান সাব আমাদের দেইখা ফেললেন। তারপরে তার বাড়ির ড্রয়িংরুমে নিয়া আমাদেরকে অনেক আপ্যায়ণ করতে লাগলেন। আমিও বোধহয় আলাপেই মজা পাইলাম। বিভিন্ন আলাপ—রাজনীতি, জ্যাম, মডেলিং, সাংবাদিকতা, এবং সবিশেষ আলাপে তার বউ জমায়েত হইলে পরে প্রেমের ব্যাপারেও আমরা অনেক আড্ডা কপচাইলাম। বলতে কী, এমন খোলামন লোক কম থাকে। চেয়ারম্যানের কথা আমি বলতেছি। তিনি—কিছুক্ষণ পরেই একটা ফোন করতঃ বের হইয়া গেলেন। আবার দেখা হবে তার সঙ্গে কালকে। এই কথায়। হাছান হয়ত বুঝতেছিল না। তার কি বের হয়ে যাওয়া উচিত কিনা। সে ঠাঁয় বসে রইল। আমিও চাইতছিলাম না, হাছান চলে যাক। তবু চেয়ারম্যানের বউ কি চাইতেছিলেন?

চেয়ারম্যানের বউয়ের নাম্বারটা তো আমার ফোনে ছিল অনেককাল। আমরা তার পরের দিন আবার চেয়ারম্যানরে বাড়িতে আড্ডা দিলাম। একদা হাছান বাইরে গেল। আর চেয়ারম্যান চইলা গেলেন অন্য কোথাও। খোলামন তার। আমি তার বউরে জিগাইলাম—”আপনের বয়স কি পঁয়ত্রিশ হইছে?”

চেয়ারম্যানের বউ হাসতে লাগলেন। সাথে আমিও হাসতে লাগলাম। আমি কইলাম—”চলেন ইটের ভাটার দিকে যাই। ব্যাপারটা আমি দেখবো।”

তিনি মনে হয় অবাক হইছেন। “ইটের ভাটা?” বইলা ভ্রু কুঁচকাইলেন।

আমি সুন্দর হাসি দিয়া কইলাম—”চলেন।” আর তিনিও চললেন।

অভাগিয়ার কথা আমার মনে পড়ে। আবার মনে পড়ে চেয়ারম্যানের বউয়ের লগে হাসতে হাসতে আমি ইটের ভাটার দিকে যাইতেছি—আর ওইখানে কোত্থিকা যেন চইলা আসছে নূপুর। নূপুর কি তাতে কষ্ট পাইছে? যেহেতু সে চেয়ারম্যানের বউয়ের লগে আমারে দেইখা ফেলছে। গত বিকালের পরে। গত রাইতের পরে।

নূপুরের দুইটা চোখেরে আমি মাঝে-মধ্যেই দেখতে পাই। যেমন—এখন পাইছি।

About Author

সাদ রহমান
সাদ রহমান

জন্ম. ঢাকা, ১৯৯৬। কবিতার বই: 'কাক তুমি কৃষ্ণ গো' (২০১৬)।