page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব
লাইফস্টাইল

পানির ট্যাপ ও শাওয়ারে লুকিয়ে থাকা জীবাণু থেকে সাবধান!—গোসল হয়ে উঠতে পারে ভয়ঙ্কর বিপজ্জনক।

এই শিরোনাম দেখে আপনি নিশ্চয়ই কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছেন। তবে এটা শুধু অস্বস্তির ব্যাপারই না। মারাত্মক উদ্বেগের ব্যাপারও।

কারণ আমাদের গোসলের জায়গায় লুকিয়ে থাকা কিছু জীবাণু থেকে খুবই ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে।

আমাদের কাছে গোসলের অর্থ হচ্ছে গোসলের পর আমরা ফ্রেশ অনুভব করব, সতেজ হব, পরিষ্কার হব।

আমাদের অনেকেই প্রতি সপ্তাহে সব মিলিয়ে অনেক ঘণ্টা গোসলের পিছনে ব্যয় করে। কেউ হয়ত খুব সকালেই গোসল সেরে ফেলে, আবার কারো অভ্যাস রাতে ঘুমানোর আগে গোসল করা।

নতুন একটি গবেষণায় দেখা গেছে শাওয়ার থেকে বা যে কোনো স্প্রে থেকে বের হয়ে আসা পানি কমোডের ভিতরের পানির থেকেও বেশি বিপদজনক হতে পারে।

শাওয়ারের ভিতরে যে আঠালো পদার্থ বা গাঁদ তৈরি হয় তা পরীক্ষা করে দেখেছেন ম্যানচেসটার ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, বাথরুমে তৈরি হওয়া এইসব ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক থেকে ত্বক, চুল, কান ও চোখের খুব সিরিয়াস ধরনের অসুখ হতে পারে।

এবং অনেক সময় এইসব সিরিয়াস অসুখ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে সাবেক এক ইন্সপেক্টর ড. পল ম্যাকডার্মট এই গবেষণাটি পর্যবেক্ষণ করছেন।

তিনি বলেছেন, শাওয়ার থেকে যে পানি বের হয়ে আসছে তা নোংরা জানার পর কেউ আর এটার নিচে দাঁড়াতে চাইবে না। কিন্তু অনেক সময় শাওয়ার থেকে বের হয়ে আসা পানি আপনার টয়লেটের চেয়েও নোংরা হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, শাওয়ারের নিচে দাঁড়ানো অবস্থায় এই পানি থেকে ব্যাকটেরিয়া আপনার ফুসফুসে ঢুকতে পারে, শরীরের ভিতরে যেতে পারে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে।

আপনার বাথরুমে লুকিয়ে থাকা জীবাণু কীভাবে আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে তাই এখানে থাকছে।

 

চোখ

শাওয়ারের নোংরা পানি চোখে ঢুকলে কেরাটিটিস নামে এক ধরনের ইনফেকশন হতে পারে অথবা চোখের কর্ণিয়ায় সমস্যা হতে পারে। ম্যালাসসেজিয়া নামে এক ধরনের ছত্রাক থেকে কর্ণিয়ার সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ক্লিনিক কমপেয়ারের চক্ষু বিশেষজ্ঞ আলেক্সান্ডার ইয়োনাইডস বলেছেন, কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীরা শাওয়ারের নিচে দাঁড়ালে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। কারণ তাদের কর্ণিয়াতে ছোটোখাটো স্ক্র্যাচ পড়তে পারে। পরে এটা থেকে সিরিয়াস ধরনের ইনফেকশন হতে পারে।

অ্যাকানথামোয়িবা নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া চোখে প্রবেশ করলে চোখে ভয়াবহ ধরনের ইনফেকশন হতে পারে, এমনকি এটা থেকে অন্ধত্বের আশঙ্কাও  আছে।

তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, পানির সকল উৎস যেমন, গোসলের পানি, শাওয়ারের পানি, বাথরুমের সিঙ্কের পানি, পুলের পানি, সমুদ্রের পানি সব পানিতেই জীবন্ত প্রোটোজোয়ান ব্যাকটেরিয়া অ্যাকানথোমোয়িবা থাকে।

এটা থেকে চোখে মারাত্মক ইনফেকশন হতে পারে এবং সেখান থেকে চোখ অন্ধও হয়ে যেতে পারে।

অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে এর চিকিৎসা সম্ভব তবে এই চিকিৎসায় অনেক সময় লাগে। অনেক মাস এমনকি অনেক বছরও লেগে যেতে পারে। তবে অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে গেলে কর্নিয়ার টিস্যুতে ইনফেকশন হয়।

তিনি আরো বলেন, কন্টাক্ট লেন্সের কারণে চোখের কর্নিয়াতে এমনিতেই ছোটোখাটো স্ক্র্যাচ তৈরি হয়, ব্যাকটেরিয়া এই স্ক্র্যাচকে মারাত্মক ইনফেকশনে পরিণত করতে পারে।

অ্যাকানথোমোবিয়া বিশেষ করে চোখের কন্টাক্ট লেন্সের প্রতি আকৃষ্ট হয়। যে কোনো কারণে পানির সংস্পর্শে যাওয়ার আগে চোখ থেকে কন্টাক্ট লেন্স খুলে নেওয়া সবচেয়ে উত্তম।

 

কান

বিজ্ঞানিরা স্যুডোমোনাস অ্যায়েরুগিনোসা নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াও শাওয়ারের পানিতে খুঁজে পেয়েছেন যেটা থেকে চোখ ও কানের ইনফেকশন হয়। এই ব্যাকটেরিয়া থেকে কানের ‘সুইমার’স ইয়ার’ নামক এক ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। এর উপসর্গগুলি হল কান ফুলে যায়, ব্যথা করে, চুলকায় এবং কানে শুনতে সমস্যা হয়।

এই ব্যাকটেরিয়া থেকে নিস্তার পাওয়া বেশ কঠিন। তবে সাধারণত সুস্থ ও রোগমুক্ত মানুষদের এই ব্যাকটেরিয়া এফেক্ট করে না। যখন কেউ অসুস্থ হয় বা স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যায় পড়ে তখন এই ব্যাকটেরিয়া সমস্যা তৈরি করে।

আর এই ব্যাকটেরিয়া যদি ফুসফুসের টিস্যুতে সংক্রমণ ঘটায় তাহলে সেখান থেকে নিউমোনিয়া হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর শরীরের কোনো কাটা জায়গায় বা পোড়া জায়গায় এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঘটালে সেই জায়গার টিস্যু মারামত্নকভাবে নষ্ট করে দেয়।

ড. ম্যাকডারমট বলেছেন, স্যুডোমোনাস অ্যায়েরুগিনোসা কান ও চোখের সমস্যা তৈরি করতে পারে। যারা সুস্থ তাদের জন্য হয়ত এই ব্যাকটেরিয়া সমস্যা তৈরি করতে পারে না, তবে যারা অসুস্থ বা কোনো চিকিৎসার অধীনে আছে তাদের জন্য মারাত্মক সমস্যা তৈরি করতে পারে এটা। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

 

ফুসফুস

ফুসফুসের এক ধরনের অসুখের নাম লেজিওনেয়ার’জ ডিজেজ। লেজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করলেই এই অসুখ হয়।

লেজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া ২০ থেকে ৪৫ সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে থাকে। ৩৫ থেকে-৩৭ সেলসিয়াস তাপমাত্রা এই ব্যাকটেরিয়ার জন্য খুবই উপযুক্ত। যারা গরম পানিতে গোসল করে তাদের এই ব্যাকটেরিয়াতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে বেশি।

এই ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসে প্রবেশ করলে সর্দি-জ্বর, অবসাদ, কাশি, মাথাব্যথা, শরীর উত্তপ্ত হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।

এই ব্যাকটেরিয়া সহজে শনাক্ত করা যায় না।

এই ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করলে বা শাওয়ারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। তা না হলে, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল অবস্থায় আছে, অথবা যারা অসুখ বা অপারেশন থেকে সেরে উঠছে বা যাদের শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা আছে তাদের সিরিয়াস সমস্যা হতে পারে।

ধূমপায়ীরা এই ব্যাকটেরিয়র কারণে অনেক বেশি ঝুঁকিতে থাকে।

ড. পল ম্যাকডারমট ব্যাখ্যা করেছেন, লেজিওনেয়ারজ ডিজেজের কারণে মৃত্যুহার ১২ শতাংশ, কিন্তু যাদের রোগ পরে ধরা পড়ে অর্থাৎ এই রোগের কারণে হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে হয় তাদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৩০ শতাংশ। কারণ অনেক রোগীর অবস্থাই আর নিরাময়যোগ্য থাকে না। যে কারো এই অসুখ হতে পারে।

যদি উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। খুব সাধারণ একটা টেস্টের মাধ্যমে এই রোগ শনাক্ত করা যায়, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই রোগ সন্দেহ করা হয় না, ফলে এই টেস্ট করা হয় না।

তিনি আরো বলেন, লেজিওনেয়ার’জ ডিজেজ খুব শীঘ্রই অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে নিরাময় করা যায়। কিন্তু চিকিৎসা ছাড়া এই রোগ মৃত্যু পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

২০১২ থেকে ২০১৪ সালে, ইংল্যান্ডের ওয়েলসে ৯২২ টি লেজিওনেয়ার’জ ডিজেজ কেসের মধ্যে ৮৯ টি খুবই মারাত্মক ছিল।

 

চুল

ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষণায় ম্যালাসসেজিয়া নামে আরেক ধরনের ছত্রাক শনাক্ত হয়েছে। ম্যালাসসেজিয়া রেস্ট্রিক্টা নামে এই ধরনের ছত্রাক শাওয়ারের মাথায় থাকে। এটার কারণে মাথার তালুতে ইনফেকশন ও খুশকি হয়।

এই গবেষণা দলের প্রধান প্রফেসর ম্যাট আপটন জানিয়েছেন শাওয়ারের মাথার এই ছত্রাক সমস্যাজনক।

তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে যা পেয়েছি, এই ছত্রাক হয়ত তার থেকেও বেশি বিপদজনক। এই ছত্রাক থেকে ত্বকের সমস্যা এবং খুশকি হয়।

এর আগের আরেকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল এই ম্যালাসসেজিয়া রেসট্রিকটা ছত্রাক মাথায় ঘন হয়ে গেলে মাথায় প্রচণ্ড খুশকি হয়।

মাথায় বিভিন্ন ধরনের ফুসকুড়ি, দাগ, চুলকানি ইত্যাদি অপরিষ্কার শাওয়ার বা ট্যাপের মাথার কারণেই হয়।

ইউরোপিয়ান ডার্মাটোলজি লন্ডনের মেডিকেল ডিরেক্টর ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. স্টেফানি উইলিয়ামস বলেছেন, গবেষণায় দেখা গেছে ট্যাপ বা শাওয়ারের মাথায় বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক থাকে। এগুলি ত্বকে সমস্যা তৈরি করে।

 

পাকস্থলী / হজমের সমস্যা  

ল্যানসেস্টার ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি দশটি শাওয়ারের একটির মাথায় মাইকোব্যাকটেরিয়াম অ্যাভিয়াম নামে এক ধরনের জীবাণু থাকে।

এই ব্যাকটেরিয়া খুব বিপদজনক। এটা ক্রহন’জ ডিজেজ নামে এক ধরনের অসুখ তৈরি করে। এই অসুখের কারণে রোগীকে দীর্ঘদিন ভূগতে হয়।

ক্রোহন’জ ডিজেজ হলে পরিপাকতন্ত্রে সমস্যা দেখা দেয়। হজমে সমস্যা হয়, ডায়রিয়া, ক্লান্তি, বমিভাব ইত্যাদি থাকে সবসময়। ওজন কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, শাওয়ারের নিচে দাঁড়ানোর আগে অল্প কিছু সময় শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে রাখলে এই জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

ল্যানসেস্টার ইউনিভার্সিটির হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন বিভাগের ফ্যাকাল্টি প্রফেসর রজার পিকআপ বলেন, আমরা এই প্রথম শাওয়ারে প্যারাটিউবারক্লোসিস উপগোত্রের জীবাণু মাইকোব্যাকটেরিয়াম অ্যাভিয়াম পেয়েছি।

এটি পানির মাধ্যমে বাহিত হয়ে অন্য ব্যাকটেরিয়াদের সাথে শাওয়ার টিউবে একটি বায়োফিল্ম তৈরি করে, সেখানে বেড়ে ওঠে এবং গোসলের সময় পানির সাথে সেখান থেকে আবার বের হয়ে আসে। আমরা পরামর্শ দেই, শাওয়ারের নিচা দাড়ানোর আগে কিছু সময় শাওয়ার ছেড়ে রাখতে। এতে লেজিওনেয়ার’জ ডিজেজও প্রতিরোধ করা যায়।

ক্রোহন’জ ডিজেজের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে খাদ্যে পরিবর্তন আনলে এই রোগের উপসর্গগুলি প্রশমিত হয়।

 

ত্বক
ইতালির নেপলসের স্যান্ট অ্যান্টনিও হাসপাতালের গবেষকরা দেখেছেন যে শাওয়ারের পানি দূষণের কারণে ত্বকে সমস্যা হয় এবং ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

যেসব নারীরা  সৌন্দর্য চর্চা হিসেবে পায়ে ওয়াক্স করেন, তাদেরকে শাওয়ারের পানির কারণে ইনফেকশনের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের ইনফেকশন হওয়ার চান্স বেশি থাকে।

গবেষকরা বলেছেন, আমাদের গবেষণার উপর ভিত্তি করে, আমরা বলব যে গোসলের পানির উৎসগুলিতে ত্বকে সমস্যা তৈরি করার মত জীবাণু থাকে।

ড. স্টেফানি উইলিয়ামস বলেছেন, আমি মনে করি না বেশি উদ্বেগের কারণ আছে। তবে যাদের কোনো অপারেশন হয়েছে বা যারা ত্বকের জন্য কোনো প্রসিডিউর করিয়েছেন, তারা সাধারণ শাওয়ারের পানি ব্যবহার করলে জীবাণু সহজে ত্বকে প্রবেশ করতে পারে। যেমন, মুখে লেজার ট্রিটমেন্টের পরে ট্যাপ অথবা শাওয়ারের পানি ব্যবহার করতে আমি নিষেধ করব। এর কয়েকদিন পর পর্যন্ত জীবাণু মুক্ত পানি ব্যবহার করা উচিৎ। তা না হলে, সেকেন্ডারি ইনফেকশন হওয়ার বেশি আশঙ্কা থাকে।

 

রক্ত
বাথরুমের ট্যাপ বা বিশেষ করে শাওয়ারের মাথায় স্যুডোমোনাস অ্যায়েরিজিনোসা নামের যে ব্যাকটেরিয়া থাকে, এবং এটা যদি রক্তে কোনো ইনফেকশন ঘটায় তাহলে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে।

ড. পল ম্যাকডারমট বলেছেন, যারা অসুস্থ আছেন, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল অবস্থায় আছে তাদের জন্য এই ব্যাকটেরিয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ তাদের শরীর এই ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করতে পারে না।

তিনি বলেন, স্যুডোনোমাস হল সুযোগসন্ধানী জীবাণু। যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে আছে তাদের ইনফেকশন ঘটাতে পারে এটা। এটি রক্তে প্রবেশ করলে রক্তদূষণ ঘটায়। এই ব্যাকটেরিয়া রক্তে প্রবেশ করলে অনেক অ্যান্টিবায়োটিকও কাজ করে না। ফলে এর চিকিৎসা খুব কঠিন হয়ে যায়।

হাসপাতালে থাকা অবস্থায় বা রোগাক্রান্ত থাকা অবস্থায় এই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

রক্তদূষণজনিত কারণে যাদের মৃত্যু হয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার কারণ স্যুডোনোমাস অ্যায়েরুজিনোসা নামের এই ব্যাকটেরিয়া।

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক
সাম্প্রতিক ডেস্ক