এবার ফিফা মেন’স বেস্ট প্লেয়ার পুরস্কার জিতেছেন ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদ্রিচ। রোনালদো’র অবস্থান দ্বিতীয়। আর মেসি সেরা তিনের মধ্যে এবার থাকতে পারেন নি, তিন নম্বর অবস্থানে আছেন মিশরের মোহাম্মদ সালাহ।

২৪ সেপ্টেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে রোনালদো ও মেসি দুজনের কেউই উপস্থিত ছিলেন না। অথচ ফিফার সেরা বিশ্ব একাদশে দুজনই রয়েছেন।

আর দুজনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইংল্যান্ড দলের সাবেক ম্যানেজার ফ্যাবিও চাপেলো।

চাপেলো বলেছেন, এটার মানে হচ্ছে অন্যান্য খেলোয়াড়, ফিফা ও বিশ্ব ফুটবলের প্রতি তাদের সম্মানের অভাব। এটা হয়ত এ কারণে যে তারা খুব বেশিবার জিতেছে এবং এখন আর হারতে ভাল লাগে না তাদের। বাস্তব জীবনে আপনি জিতলে আপনাকে ভাল হতে হবে এবং হারলেও ভাল হতে হবে।

২৯ পার্সেন্ট ভোট পাওয়ায় এবার মদ্রিচ সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন। রোনালদো পেয়েছেন ১৯ পার্সেন্ট ভোট। লিভারপুলের সালাহ পেয়েছেন ১১ পার্সেন্ট আর চতুর্থ অবস্থানে থাকা ফ্রান্স ও পিএসজির কিলিয়ান এমবাপ্পেও পেয়েছেন ১১ পার্সেন্ট।

মেসি আছেন পঞ্চম অবস্থানে। যথাক্রমে বাকি স্থানগুলি দখল করেছেন, আতোয়ান গ্রিজম্যান, এডেন হ্যাজার্ড, কেভিন ডি ব্রুয়নে, রাফায়েল ভ্যারেন ও হ্যারি কেন।

রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাবকে টানা তৃতীয়বারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জেতানো ও ক্রোয়েশিয়া জাতীয় দলকে বিশ্বকাপের ফাইনালে নিয়ে যাওয়ার জন্য মদ্রিচ সেরা খেলোয়াড়ের এই অ্যাওয়ার্ড জিতলেন।

ট্রফি নেওয়ার পরের বক্তব্যে প্রতিযোগিতায় থাকা অন্যান্য খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেছেন মদ্রিচ।

মদ্রিচ বলেছেন, এখানে এই ট্রফি নিয়ে দাঁড়ানোটা অনেক সম্মানের ও সুন্দর একটা অনুভূতি। প্রথমে আমি মোহাম্মদ সালাহ ও ক্রিশ্চিয়ানোকে অভিনন্দন জানাই। আমি নিশ্চিত আপনারা ভবিষ্যতে এই ট্রফির জন্য প্রতিযোগিতা করার আরো সুযোগ পাবেন। এই অ্যাওয়ার্ড শুধু আমার না। এটা আমার রিয়াল মাদ্রিদ ও ক্রোয়েশিয়া দলের সহ-খেলোয়াড়দের। আমার কোচদের ছাড়া আমি এটা জিততে পারতাম না। আমার পরিবারের সাহায্য ছাড়া আমি আজকের এই খেলোয়াড় হতে পারতাম না।  আমার ভক্তদেরকে ধন্যবাদ তারা যে সমর্থন ও ভালবাসা আমাকে দেখিয়েছেন তার জন্য। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ। আমি আমার ফুটবলের আইডল ও ১৯৯৮ এর ক্রোয়েশিয়া দলের ক্যাপ্টেনের নাম উল্লেখ করতে চাই। তিনি আমার অনেক বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন এবং ১৯৯৮ এর সেই দল আমাদের বিশ্বাস যুগিয়েছিল যে আমরা রাশিয়াতে কিছু করতে পারব।

Recommended Posts

No comment yet, add your voice below!


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *