২০১১ সালের মারাত্মক সংঘর্ষের আগে চীনের এই উচ্চগতির ট্রেন সার্ভিসের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার (২১৭ মাইল)। কিন্তু তারপর গতি কমিয়ে ঘন্টায় ২৫০-৩০০ কিলোমিটারে নিয়ে আসা হয়।

তবে চীন বিশ্বের সকল ট্রেন সার্ভিসের মধ্যে নিজেদেরকে এগিয়ে রাখতে চায়। তাছাড়া ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ এর উদ্যোগে তাদের বুলেট ট্রেন বিক্রির কাজ শুরু করবে তারা। তাই আবার পৃথিবীর দ্রুততম ট্রেন সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে সেখানে।

‘ফুক্সিং’ (নবজীবন) নামের এই প্রকল্পের আওতায় সাত জোড়া বুলেট ট্রেন চালু করা হবে। আবারো এদের সর্বোচ্চ গতি হবে ৩৫০ কি.মি/ ঘণ্টা, যা কিনা বাড়িয়ে ৪০০ কি.মি/ঘণ্টা পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে। নতুন এক প্রকার মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে জরুরি প্রয়োজনে ট্রেনের গতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিয়ে আনা যাবে।

বেইজিং থেকে সাংহাইয়ের রুটে এই ট্রেন চালু হবে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে। যা কিনা ৮২০ মাইলের এই যাত্রাকে পুরা এক ঘণ্টা কমিয়ে মাত্র সাড়ে চার ঘণ্টায় নিয়ে আসবে। প্রতি বছর ৬০ কোটি মানুষ এই রুট ব্যবহার করে থাকেন। তাই এখান থেকে লাভ হবে প্রায় একশ’ কোটি ডলারের মত।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক তৈরিতে চীন এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩৬০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। ফলশ্রুতিতে তৈরি হয়েছে বিশ্বের সবচাইতে বড় রেল সিস্টেম।

সূত্র. ফরচুন, ২১.০৮.২০১৭

Recommended Posts

No comment yet, add your voice below!


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *