page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব
লাইফস্টাইল

ব্লাড টেস্ট বলে দেবে আপনি আত্মহত্যার ঝুঁকিতে আছেন কিনা

এমনিতে মনে হতে পারে অনেকগুলি সূত্র থেকে বোঝা যেতে পারে কোন জিনিসটি একজনকে আত্মহত্যার দিকে নিয়ে যায়। কিন্তু কারো জীবন শেষ হওয়ার আগেই যদি কোনো কিছু থেকে আপনি বুঝে নিতে পারেন তাহলে?

সাম্প্রতিক একটি বিতর্কিত গবেষণায় জানা গেছে, একজন মানুষের আত্মহত্যা করার প্রবণতা শুধুমাত্র একটি ব্লাড টেস্ট ও কয়েকটি প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে ৯০% নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা যেতে পারে।

‘ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিন’-এর গবেষকেরা এক অতি আবিষ্কার করেছেন, এই পদ্ধতির সাহায্যে রোগীর রক্তে ১১টি বায়োমার্কার চিহ্নিত করা হয়। এই টেস্টের সাথে নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়, এই প্রশ্নোত্তর একটি অ্যাপের সাহায্যে করা হয়।

তারা দাবি করছেন যারা ইতোমধ্যেই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন এবং দুই বছর ধরে তাদের চিন্তায় আত্মহত্যার বিষয়টি এসেছে তাদের আত্মহত্যা প্রবণতা শনাক্ত করা যাবে।

suiside-5

যুক্তরাষ্ট্রে এই হার এখন সবচেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রতি ১২.৮ মিনিটে গড়ে একজন করে আত্মহত্যা করছে।

গবেষণাটির একজন সহ-লেখক ও সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড মেডিকেল নিউরো সায়েন্সের প্রফেসর অ্যালেক্সান্ডার বি. নিকুলেস্কু বলেন, আমরা বিশ্বাস করি এই টেস্টের মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে যা পাওয়া যাবে তা থেকে চিকিৎসকেরা রোগীর লাইফস্টাইলকে প্রভাবিত করে ও চিকিৎসা দিয়ে জীবন বাঁচাতে পারবেন। ‘মোলিকুলার সাইকিয়াট্রি’তে এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

কিন্তু সব বিজ্ঞানীই এমনটি মনে করেন না। এই গবেষণার পরিধি নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কারণ মাত্র ২০০ জন ব্যক্তির ওপর এই গবেষণা করা হয়েছে। গবেষণার পরিধি ছোট হওয়ায় খুব সহজেই একটা ফলাফল বলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, গতানুগতিক অবস্থার রোগীর বাইরে এই গবেষণা কতটা কাজ করবে তা এখানে নেই।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কয়েকটি দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। যুক্তরাজ্যে ৩৫ বছরের চেয়ে কম বয়সী পুরুষদের মৃত্যুর কারণগুলির মধ্যে আত্মহত্যার অবস্থান সবার আগে। যুক্তরাষ্ট্রে এই হার এখন সবচেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রতি ১২.৮ মিনিটে গড়ে একজন করে আত্মহত্যা করছে। এ কারণেই কেউ আত্মহত্যার ঝুঁকিতে রয়েছে কিনা তা শনাক্ত করার জন্য কার্যকরী একটি পদ্ধতির প্রয়োজন এখন খুব বেশি।

About Author

নাদিয়া নাহরিন রহমান
নাদিয়া নাহরিন রহমান

শিক্ষার্থী: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়