page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব
লাইফস্টাইল

মুম্বাইয়ের ‘স্মৃতি’ (১)

১.
অচিন বিভুঁইয়ে আমি ম্যাকডোনাল্ডে বসা। অদ্ভুত আঁধার অচেনা এক পৃথিবী। আশেপাশে নানা এলাকার কালারফুল মেয়েরা ম্যাকডোনাল্ডের বেঞ্চিতে বইসা থাকা হলুদ মামুর লগে নানা ভঙ্গিতে পোজ দিয়া ছবি তুলতাছে। আমি ম্যাকডোনাল্ডের দরজার দিকে তাকায়া অপেক্ষার ছবি তুলতাছি।

এবং এ সময় দূর্গা শ্রীমতি লেখার উদ্ভব।

দেখেই আমারে কইল, চ্যালো। প্রথম ফেস টু ফেস। নমস্তে করবো? হাই-হ্যালো হবে? না। প্রসাধনহীন, ঠোঁটের চামড়া ওঠা, চোখের নিচে কালি, ফতুয়া, কান্ধে ঝোলানো ব্যাগ, থ্রি কোয়ার্টার আর চপ্পল পইরা আইসা কয়, চ্যালো।—মানে চলো।

লেখার সাথে পরিচয় অনলাইনে ২০১১/১২ সালে। আমার শর্টফিল্ম ‘গড ভার্সেস গড’ দেবার জন্য অনলাইনে ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল সার্কিটগুলা চাইলা ফেলতেছি। যেখানে ফিল্ম সাবমিট করা যায়। তার মধ্যে ছোটখাট ফেস্টিভ্যাল সার্কিটের মধ্যে ইন্ডিয়ান অনেক ছিল। তো এর কোনো একটা সাইট বা পেজ ঘাটতেছিলাম। লেখাও হয়ত ঘুরতেছিল ফিল্মের প্রতি তার আগ্রহ থেইকাই। বা এগুলার সাথে বা সেই ইন্ডিয়ান সার্কিটের কোনো একটার লগে তার ইনভলবমেন্ট আছিল কোনো ভাবে বা এমনেই ঘাইটা দেখছিল। তো ‘যেখানে দেখো ছাই উড়াইয়া দেখো তাই’ টাইপ আমিও যেখানে চান্স পাই ঢুইকা সুযোগ থাকলে রেজিস্টার করি। রেজিস্টার করতে ফুল ইনফো দিতে হয়, আমিও দিয়া গেছি। সেখান থেকে লেখা আমার নাম্বার, ইমেইল বা ফেসবুক আইডি পেয়ে থাকবে। বা আমি লেখার ইমেইল, ফেসবুক আইডি পাইছিলাম—সেই সম্ভাবনাই জোরালো।

bhromon-logo

তো তারে তো নক দিলাম ফেসবুকে, সে রেসপন্সও করল। আমি তো ফেস্টিভ্যালের লোক পাইয়া উত্তেজনায় টগবগ। চ্যাট হইত, হইছিল। সে আমারে ফেস্টিভ্যালের দুইন্নার লিঙ্ক দিতে থাকল, কই কই সাবমিট করা যায়। তার দেয়া লিঙ্কে আমিও হানা দেই। ফেসবুকে তার তেমন কোনো ফ্রেন্ড নাই, একটিভিটিস নাই। আইডি একখান আছে ঠিকই কিন্তু অ্যাকটিভ না। তাই আমরা নাম্বারে এবং হোয়াটস অ্যাপে চইলা আসলাম।

পয়লা পয়লা সে ইংলিশ আর হিন্দিতে কইত, আমি কুলায়ে উঠত না পারলে বাংলায়। তার বাংলা হিন্দির চাইতে দুর্বোধ্য। মুম্বাইর বাসিন্দা। মুম্বাইয়ে তার সব, অরিজিন কলকাতা। ফিল্ম লইয়া সে এত জানে, ভাল্লাগছে। ফিল্ম লইয়া এবং আরো নানা কিছু লইয়া ধুমসে কিস্‌সা চলতো।

haji-ali-dargah-1

হাজী আলী দরগাহর তোরণ

এর মধ্যে সে জানলো আমি লিখি টিখি। সে ইংলিশ, বাংলা মিলায়া যেখানে যেখানে লেখা পাঠান যায় সেসব ম্যাগাজিন, পত্রিকার খোঁজ দিতে শুরু করল। তার মধ্যে বাইছা আমি কলকাতার একটা অনলাইন পোর্টালে জার্নাল দেই। সেটা ছাপাও হয়।

তখন আমি মোবাইলে নেটে, হোয়াটস অ্যাপে কমফোর্টেবল না। সেও ফেসবুকে অ্যাকটিভ না। সো আমি বিজি হয়া গেলে আলাপ চাপা পইড়া যাইত। সে কল দিত, আমি কল দিলে বাংলাদেশ থেকে মুম্বাই অনেক কাটে—সে মানা করতো।

আস্তে আস্তে ভুইলাই গেলাম।

২.
প্রায় দুই আড়াই তিন বছর পর সময়, কিছু টাকা হবার পর নানা ক্যাতা কইরা আমি ঠিক করলাম ইন্ডিয়া যামু। শুধু যাওয়ার লাইগা না একটা অ্যাডভেন্চার করুম। গোপন মিশন। কাউরে কিছু কই না, শুধু শুধু হাসাহাসি করব। জিগাইলে কই, বেড়াইতে যামু।

বেশ কিছুদিন কয়েকটা দেশ স্টাডি কইরা ইন্ডিয়াই উপযুক্ত দেখলাম। খবর লাগাইতে থাকলাম। কলকাতায় ভরপুর পরিচিত থাকে তাদের বাড়ি দিতে থাকলাম। যারে কয় আটঘাট, কোমর বাইন্দা, আদা জল সব এক লগে খাইয়া নামা। গুগল, ফেসবুক, মোবাইলের নাম্বার, হোয়াটস অ্যাপ ঘাইটা হঠাৎ দেখি লেখার নাম্বার। এতকিছু চেন্জ হইল এইটা যে আছে জানি না। তার কি মনে থাকব? বাড়ি দিমু একটা? নাহ, থাকলেও রেসপন্স করব না এতদিন পর।

আমি যে কাঁচামাল, না দেইখা বুঝন যায় না। এরে ওরে জিগাইয়া আশেপাশে চাইলা ফেলতেছি। কেউ কেউ কয়, কী হইছে ভাই, কী করতে যান?

আমি কই—ঘুরতে, ঘুরতে। তারাও অ্যাডভাইস করে। বাংলাদেশ টু ইন্ডিয়ান স্পেশালিস্টের মত বুঝায় কেমনে যাইতে হইব, কই যাইতে হইব, কী করতে হইব। এটা ওটা লইয়া সাবধান কইরা দেয়, আমি আরো সাবধান হই।

যেগুলা কয় “ভাই আপনি কোনো টেনশন কইরেন না, কলকাতা আমার নানার বাড়ি, আমার আপার শ্বশুরবাড়ি, আপনি খালি নামবেন আর আমার নাম কবেন, বাকি সব দায়িত্ব অদের”—ওরা আসল ভুয়া। সো ভরসা নাই। টেনশন বাইড়া যায়, কিন্তু ইন্ডিয়া তো আমি যামুই। ইন্ডিয়ায় থাকে যারা তাদের কাছ থেইকা ইনফো লইতে হইব ভাইবা আবার নেট, ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটস অ্যাপ ঘাটি।

লেখার সাথেই তো বেশি খাতির। তারে একটা নক দেই—আর ইয়্যু দেয়ার? আমি ইন্ডিয়া আসতেছি।

এতদিন নাম্বারটা আছে কিনা সন্দেহ। লেখা সাথে সাথে রিপ্লাই—“কবে? কখন? এসছো নাকি আইবা? কী কাজ? কীসে আসতাছো? টিকেট করছ? কোথাকার টিকেট করছো?”

বাপরে। আমি খালি কইলাম—এত কিছু জানি না, কিছুই ঠিক করি নাই, খালি জানি কলকাতা নামুম।

সে আবার, কলকাতা কবে নামবা? ফ্লাইটে নাকি বাই রোডে? কীসে টিকেট করছো?

কইলাম, টিকেট করি নাই। করব। বাই রোডে। আমি চাইছি দেখতে দেখতে জানতে জানতে যাব।

সে কয়, শোনো, কলকাতায় থাকার দরকার নাই, মুম্বাই চইলা আসো।

কইলাম, মুম্বাই তো এক্সপেন্সিভ।

৩.
এরপর শুরু হইল তার ‘মুম্বাই সাধারণ জ্ঞান’।—“মুম্বাই মোটেই এক্সপেন্সিভ না। এখানে যেমন দামি হোটেলে দামি খাবার খেয়ে দামি লাইফ লিড করে তেমনি গরীবও আছে। আমি দেখায়া দিব, রিজেনবল রেটে কই থাকবা, কী খাবা।”

কইলাম, তাই নাকি, এরপর সে বিশাল লিস্টি, বাজেট, রেটসহ দিতে থাকে।

আমি ভরসা পাইতে থাকি। আর কিছুক্ষণ পর পর—”টিকেট করছো?” “কনফার্ম না করলে পরে পাবা না, কোথাকার করছো?” “দাঁড়াও আমি অনলাইনে দেখতেছি।”

আমি চব্বিশ ঘণ্টা অনলাইন থাকলে সে একটু পর পর টেক্সট, কল করে।

“শোনো, হোটেল আগে থেকে বুক দিতে হবে। তুমি এসে নামবে সিএসটি স্টেশানে। স্টেশানের আশপাশে অনেক হোটেল, ডর্মি আছে।”

গ্লোবাল বিপাসানা প্যাগোডা

গ্লোবাল বিপাসানা প্যাগোডা

আমি কইতাম, তুমি এগুলা নিয়া টেনশন কইরো না, আমি পরে একটা ব্যবস্থা কইরা ফেলব।

সে কইতো, “না, পরে পাবা না। তুমি টিকেট কনফার্ম করছো? এই ট্রেন দেখো, এটা ভালো। আমি এখান থেকে অনলাইন করে ফেলব?”

তারে থামাই—খাড়াও, আমার এখানে কাজ-কাম গুছাই, যথেষ্ট টাকার এন্তেজাম করি। কনফার্ম কইরা তোমাকে জানাচ্ছি।

“কনফার্ম করে ফেলো। পরে পাবা না। করেই আমাকে জানাও। বেশি টাকা-পয়সা আনার দরকার নাই। ব্যাগও বেশি কইরো না। আর ব্যাগে তালা দেবে। ট্রেনের কোন সিট কাটতেছো? চেয়ার নাকি বার্থ? একটা শিকল নিবে, অবশ্যই ব্যাগ শিকল দিয়ে আটকে রাখবা। অনেক চোর, খতরনাক আছে কিন্তু।”

খাইছেরে! শিকল দিয়ে! কে নিব ব্যাগ? আমি পাত্তা না দিয়া হাসতাম। এরপর তার বিশাল বয়ান।

“আর শোনো, কলকাতা নাইমাই সিম নিয়াই আমাকে নাম্বার দিবা। ফুল রিচার্জ করাবা। কারণ কলকাতার সিমে মুম্বাইতে রিচার্জ করা যায় না। আর নেট ভরে নিবা।”

“নেট কেন?”

“লাগে লাগে। দরকার লাগবে।”

“গুগল ম্যাপ? না হারাই যাতে। হারাইলে হারাইলাম। আমি তো হারাইতেই চাই।”

“বাব্বাহ্‌। দার্শনিক কথা-বার্তা। বিদেশ বিভুঁইয়ে এসে হারানো ভালো নয়। আর আমার একটা দায়িত্ব আছে না।”

আমি কনফার্ম যে ডিরেক্ট মুম্বাই যাচ্ছি, মুম্বাই থাকতেছি। কলকাতা থাকার মায়েরে বাপ।

বাংলাদেশীদের কলকাতা-মলকাতা লইয়া বিশাল জ্ঞান, মুম্বাই কম জানে। আমি কলকাতা না থাইকা মুম্বাই থাকতেছি শুইনা সবার আগ্রহ, আফসোস, বিরক্তি বাইড়া যায়।

ইন্ডিয়া গেট

ইন্ডিয়া গেট

কিন্তু আমি তাদের লেখার কথা কই কেমনে। ‘দিল চাহতা হ্যায়’ যদি হয়া যায়। আঞ্জানা একজন, সব লয়া রাইখা দিল, তারপর আমি ল্যাংটা আইলাম দেশে। সবাই তখন পাইয়া বইব। এইটাও ভাবতাছিলাম। এইটা ভাইবা আমি কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলাম। কলকাতা থেইকা মুম্বাই ট্রেন কবে, কখন মুম্বাই নামতেছি এইটা কনফার্ম করলাম না।

সব শেষে টাকা ম্যানেজ কইরা ‘ঢাকা টু কলকাতা’ কনফার্ম করলাম।

এ দিকে সে বার বার টেক্সট—”কলকাতা এসে পড়ছো নাকি?” “কবে নামতেছো আগে থেকে জানাও।”

তার ছুটি নিতে হইব, এইটা ভাবি নাই। আমি কলকাতা টিকেটের কথা কইলাম। তার বিশাল লিস্ট। সেই পুরানো সতর্ক বাণী সুন্দর কইরা গুছায়া পয়েন্ট আকারে টেক্সট করলো।—

১. কলকাতা নাইমাই ফার্স্টে সিম নিয়াই আমারে নাম্বার দিবা।
২. ফুল রিচার্জ করবা।
৩. নেট রিচার্জ করবা।
৪. অবশ্যই রোমিং করাবা।

“কলকাতা-মুম্বাই ট্রেন টিকেট করছো? আমাকে ছবি তুলে পাঠাও। শিকল কিনে অবশ্যই ব্যাগ শিকল দিয়ে রাখবা। গাট্টি বেশি আনার দরকার নাই।”

তারে ছবি তুলে পাঠাইলাম। জানাইলাম, ব্যাগ একটাই—কান্ধের ব্যাগ, আর একটা ক্যামেরার ব্যাগ।

“মুম্বাই হোটেল বুক দিছো। পরে পাবা না। আমি একটা কথা বলে বুক দিয়া রাখতেছি।”

এর মধ্যে সে ঘাইটা কম দামে যেখানে ফরেনার থাকে এরম একটা হোটেল দেইখা আমারে অনলাইনে লিঙ্ক, পিকসহ দেখাইল। সব দেইখা অবাক হইলাম, মুম্বাইতে এমন হোটেল! ঘিঞ্জি একটা জায়গা, ভিতরে ফিটফাট।

কইলাম, আর ভালো নাই? সে ঘাইটা আরো কিছু বাইর করল, ফরেনার থাকে কিন্তু কম রেট আর রিভিউ ভাল এমন। কইল, স্টেশানের আশপাশে থাকো।

এর মধ্যে একটা হোটেল সে কথা কইয়া বুকিং দিয়া রাখল। বুকিং দেক, বুকিং তো ক্যান্সেল করন যায়।

এবার আমার রওনা দেবার পালা। এর মধ্যে টেক্সটিং, চ্যাট, কথায় মুম্বাইর ইতিহাস, দর্শনীয় জায়গা, কই বিফ পাওয়া যায়, মুম্বাই ক্লাব, মুম্বাইয়া মাইয়া, শিবসেনা, গুজরাটি ব্যবসায়ী, খাতারনাক বিহারি, মুম্বাই ট্রেন বাতচিত কন্টিনিউ। তারে নিয়া আমার যেমন ডাউট, আমার হাব-ভাবেও সে বুঝতাছে না, আমি কী চাইতেছি।

দেখি নাই তো কাউরে কেউ কোনো দিন। ছবিতে দেখছি। আমি কী কামে আইতেছি সে জানেও না। জানে শুধু আমরা কাজে কামে কলকাতা-মুম্বাই যাই এবং আমি মুম্বাই পয়লা যাইতেছি।

mumbai-a

“কিন্তু গোয়ালন্দের দিকে গিয়া ব্যাপক কুয়াশা দেখলাম। আর কেমন জানি একটা ঘোর কাজ করতেছিল।”

তাই আমি কইতাম, অ্যাডভেন্চারর বাইর হইছি, যত পারব দেখব, যত বিপদে পড়ব শিখব। ঠ্যাশ মাইরা কইতাম, আর আমার গাইড তো আছেই এনসাইক্লোপিডিয়া শ্রীমতি এসএলসি (তার নামের সংক্ষেপ)।

আমার ভাইগ্না কাম বন্ধু ব্যাপক বিদেশ ঘোরা মিনা-মিরাজ কইল, টাকা আর পাসপোর্ট সাবধান, যত সিকিউর্ড হোক। যে কোনো জায়গায় যে কোনো কিছু হইতে পারে। আর একবার হইলে ভীষণ বিপদ।

পাসপোর্ট আর টাকা লইলাম খুব সাবধানে। এইটা মাথায় রাখছি, যেটা যেদিকে যাবে যাক, এই দুইটা ঠিক থাকতে হইব। এইটাও মাথায় রাখছি, যদি বিপদ হয়, যদি পুলিশে ধরে, অরা তো খুব খাতারনাক, জেলে ভইরা দিব। দিলে দিব। কেউ জানব না, তখন লেখা কি আইব?

মুম্বাইয়ে রাম নামে এক স্মার্ট গাইডের কথা মনে পড়তেছে, সে তার ট্যুরিস্টরে হাতজোড় কইরা হিন্দিতে কইতেছিল, এখানে নানান জাতের নানান মনের মানুষ নানান ফাঁদ পাইতা আছে আশেপাশে। কেউ যদি কাউরে টাকা দেন আর সে যদি ফাঁট দেয় তাইলে আর আমার কাছে আইসা কইয়া কোনো লাভ নাই। আমি সিনেমার হিরো না, সালমান খান না যে, মারামারি কইরা টাকা উদ্ধার কইরা দিব। তার ভঙ্গি আর পার্সোনালিটি এমন যে, আমার কাছে হিরোই মনে হইছে।

লেখা কি আইব আমি বিপদে পড়লে? মুম্বাইতে একমাত্র সবেধন লেখারে অলরেডি আমার হিরো ভাবা শুরু ধরছি। আর কেউ তো জানে না আমি কই যাইতেছি, কই উঠতেছি। হিরোগিরির এখনো দেখছি কী! আমার কপালে যে কত কী লেখা আছিল—‘লেখা’র যে আরো হিরোগিরি বাকি আছিল কে জানতো!

কুরবানি ঈদে যখন গ্রীনলাইনে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাই তখন বাংলাদেশে শীত নাই। কিন্তু গোয়ালন্দের দিকে গিয়া ব্যাপক কুয়াশা দেখলাম। আর কেমন জানি একটা ঘোর কাজ করতেছিল। সব ব্ল্যাঙ্ক লাগতাছে। লাগতাছে কোথাও পাচার হইয়া যাচ্ছি।

(কিস্তি ২)

ভ্রমণ

About Author

হুমায়ূন সাধু
হুমায়ূন সাধু