page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব
লাইফস্টাইল

মায়ানমারে যাত্রা শুরু কেএফসির, বাইরে লম্বা লাইন

তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন মায়ানমারের ব্যবসায়ী কিয়াউ মো। তার খালা থাকেন সিঙ্গাপুরে। খালা কেএফসির ভক্ত। তিনি কেএফসি খেয়ে দেখতে বলেছেন।

পরিবারের ৮ সদস্যের জন্যে, বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া ভাগ্নে-ভাগ্নির জন্যে কেএফসি কিনেছেন ৫০ বছরের মো। মো-এর ধারণা কেএফসি যেহেতু আন্তর্জাতিক ভাবে নাম কামিয়েছে সুতরাং এর খাবার স্বাস্থ্যসম্মত না হয়ে যায় না।

kfc-4

ইয়াঙ্গুনে কেএফসি আউটলেট

মায়ানমারের রাজধানী ও বিজনেস সিটি ইয়াঙ্গুনে সিঙ্গাপুর বেজড ইয়োমা স্ট্রাটেজিকের মধ্যস্থতায় ৩০ জুন যাত্রা শুরু হল ফাস্টফুড ফ্রানচাইজি কেএফসির। আরম্ভের দিনে প্রচুর খাদ্যপ্রেমী ভিড় করেছেন রেস্টুরেন্টটিতে। ২৪০ আসনের এই রেস্টুরেন্টের বাইরেও লম্বা লাইন পড়েছে।

অন্য দেশের খাবার বিক্রিতে ইয়াঙ্গুনে কেএফসিই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বার্গার চেইন লটেরিয়া (Lotteria burger) এখানে ব্যবসা শুরু করে। লটেরিয়ার ৬টির বেশি শাখা এখন মায়ানমারে।

মায়ানমারে কয়েক বছর আগে যা চিন্তা করাও ছিল বিলাসিতা  তা এখন খুব স্বাভাবিক দৃশ্য। লোকজন এখন কেএফসির সামনে সেলফি তুলতে শুরু করেছে।

kfc-2

ইয়াঙ্গুনে কেএফসি থেকে বাইরের দৃশ্য।

১৮ বছরের তরুণী টেট জানিয়েছেন, তিনি যখন জানতে পারলেন কেএফসি এখানে দোকান খুলতে যাচ্ছে তারপর থেকে প্রতিদিনই দেখতে আসতেন কবে চালু হচ্ছে কেএফসি। তার কথায়, “পৃথিবীর আর সব জায়গার তরুণ-তরুণীরা যা খায় তা এখন এখানকার তরুণ-তরুণীরাও খেতে পারবে।” তিনি নিশ্চিত করলেন, কেএফসিতে তিনি নিয়মিতই আসবেন।

নানা দেশে পশ্চিমা ফাস্টফুড শপ ক্রেতাদের আস্থা পাচ্ছে খুব দ্রুত। দেশীয় ব্যবসাসফল রেস্টুরেন্টগুলি আন্তর্জাতিক ফাস্টফুডের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না।

kfc-3

প্রথম দিনে কেএফসি স্টাফ

বর্তমানে বিশ্বের ১২০টি দেশে কেএফসির ১৯৪০০টিরও বেশি শাখা। কেএফসির সিইও মুকতেশ মিকি প্যান্ট (জন্ম. নৈনিতাল, ইন্ডিয়া ১৯৫৪) জানিয়েছেন, বিশ্বের গ্রেট সিটিগুলির অন্যতম ইয়াঙ্গুনে শাখা চালুর ইচ্ছা ছিল তাদের অনেক দিনের।

উল্লেখ্য শেভ্রলে, ফোর্ড, কোকা-কোলা, পেপসি সহ অন্য আমেরিকান কোম্পানিগুলি তাদের ব্যবসা করে আসছে মায়ানমারে। ধারণা করা হচ্ছে ২০১৫ সালে মায়ানমারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৮.৩%।

About Author

নাদিয়া নাহরিন রহমান
নাদিয়া নাহরিন রহমান

শিক্ষার্থী: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়