নিজের মুখের নার্ভ ডিসঅর্ডার নিয়ে মিডিয়ায় এই প্রথম কথা বললেন সালমান খান। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের আগস্ট মাসে আমেরিকার লস অ্যান্জেলসের একটি হসপিটালের অপারেশন থিয়েটারে সালমান খানের এ অসুখের ৫ ঘণ্টাব্যাপী সার্জারি হয়। এতে তার মুখের সব বাধা দূর হয়। এই অপরেশন হার্ট অপারেশনের সঙ্গে তুলনীয়।

তিনি বলেছেন, ট্রাইজেমিনাল নিউরালজা (Trigeminal neuralgia) নামে স্নায়ুর সমস্যায় ভুগছিলাম আমি। আমি কথা বলতে পারতাম না। মুখে অনেক ব্যথা নিয়ে অনেক কষ্ট করে কথা বলতে হত।

দুবাইতে তার ছবি ‘টিউবলাইট’-এর গান প্রকাশ উপলক্ষে তিনি বলছিলেন, তার সেই ব্যথা কী ভয়ানক ছিল!

টিউবলাইট (২০১৭) ছবির পোস্টার

ট্রাইজেমিনাল নিউরালজা হলে আক্রান্ত ব্যক্তির মুখে প্রচণ্ড ব্যথা হয় এবং এই ব্যথা কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এত মারাত্মক যন্ত্রণা হয় যে প্রায়ই আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে প্রচুর ডিপ্রেশন তৈরি হয়। সালমান খান আরো বলেছেন, এই অসুখের কারণে হওয়া সুইসাইড রেট সবচেয়ে বেশি। মারাত্মক ব্যথা হয়… এবং আমি ভুগেছি সেটাতে।

তিনি বলেন, একটা সময় আমি উপলব্ধি করলাম আমার প্রচুর পরিশ্রম করা দরকার। আমি উপলব্ধি করলাম, আমি যত বেশি ব্যথার মধ্য দিয়েই যাই না কেন, আমার লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাক বা আমার জ্বর হোক বা আমার হাঁটুতে ব্যথা থাক—সে কারণে আমি কোনো দৃশ্যে সাবটাইটেল ব্যবহার করতে পারব না।

আপনার ভক্তেরা এসব কেয়ার করে না, তাই পর্দায় আপনাকে আপনার সবচেয়ে সেরাটা দিতে হবে। একবার প্রিন্ট হয়ে গেলে, এটা সারা জীবন থাকবে।


টিউবলাইট ছবির গান ‘রেডিও সং’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানের ভিডিও

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here