page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব
আন্তর্জাতিক

রজার ইবার্ট: লেখক, ক্রিটিক, লেজেন্ড

১৯৯৮ সাল। টরোন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ক্রিস্টোফার নোলানের প্রথম ছবি ফলোয়িং এর প্রদর্শনী চলছে। নোলান ও তার কয়েকজন বন্ধু থিয়েটারের সামনে আগ্রহভরে দাঁড়ানো। ‪কে কে তাদের মুভিটা দেখতে আসছেন তা খুব মনোযোগে খেয়াল করছিলেন তারা।

হুঁট করে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক পুরুষ ছবির প্রদর্শনীতে ঢুকে পড়লেন। তাকে ঢুকতে দেখেই নোলান আর বন্ধুদের মাঝে একরকম চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে গেল। সবাই খুশির দমকে একজন আরেকজনকে হাই-ফাইভ বিনিময় করলেন। কিন্তু ছবি শুরু না হতেই বের হয়ে আসলেন সেই ভদ্রলোক। নোলানের কাছে এসে বললেন, “দুঃখিত, ভুল করে তোমাদের প্রিমিয়ারে চলে এসেছি। আমার অন্য এক থিয়েটারে যাবার কথা।”

ভুল প্রিমিয়ারে আসা সেই লোকের নাম রজার ইবার্ট।

চোয়াল সরিয়ে ফেলার পর 'এস্কয়ার ম্যাগাজিন' এর প্রচ্ছদে রজার ইবার্ট।

চোয়াল সরিয়ে ফেলার পর ‘এস্কয়ার ম্যাগাজিন’ এর প্রচ্ছদে রজার ইবার্ট।

নোলানের এক সাক্ষাৎকার থেকে জানতে পারলাম, এই ঘটনাটি তার কাছে নাকি অত্যন্ত ‘হৃদয়-বিদারক’ ঠেকেছিল। তার ভাষায় ইবার্ট একজন ‘তারকা’; বারাক ওবামার মতে “এমন এক ব্যক্তি যার অনুপস্থিতিতে চলচ্চিত্র আর আগের মত থাকবে না” এবং আইএমডিবি’র কথায় “পৃথিবীর সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র সমালোচক।”

পরিচালক মার্টিন স্করসেজি তো তার ভূমিকাকে আরো গভীর ভাবে দেখেন—”আমার ছবিগুলি নিয়ে তার মন্তব্য পড়ে আমি এটুকু বুঝেছি যে, তিনি আমাকে ও আমার সিনেমাকে হয়তো আমার চাইতেও ভালো বুঝতে পারেন।”

shadhin-ahmed-logo

আমার কাছে রজার ইবার্ট সবার আগে এবং সবার পরে একজন অসামান্য লেখক। তিনি ব্লগ, রিভিউ কিংবা সাক্ষাৎকার—‪যাই লিখুন না কেন, তার সব লেখার গভীরেই আকর্ষক হিসেবে থাকে তার লেখনিশক্তি।

২.
ইলেক্ট্রিশিয়ান বাবা ও লাইব্রেরিয়ান মা এর ঘরে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে ১৯৪২ সালের ১৮ জুন জন্মগ্রহণ করেন রজার জোসেফ ইবার্ট। স্কুলে থাকতেই একটি স্থানীয় পত্রিকার হয়ে ১৫ বছর বয়স থেকে খেলাধুলা সম্পর্কিত প্রতিবেদন লেখা শুরু করেন। ১৯৬৬ সালে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পান। কিন্তু পেট চালানোর জন্য ছোটখাটো একটা চাকরির প্রয়োজন ছিল। সেই খোঁজেই সাংবাদিক হিসেবে ঢুকে পড়েন শিকাগো সান-টাইমস পত্রিকায়।

এক বছর পর সেই পত্রিকার নিয়মিত চলচ্চিত্র সমালোচক চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়ায় ভাগ্যের জোরে সেই পদটি পেয়ে যান ইবার্ট। ব্যস, ভাগ্যের সাহায্য নিয়ে রজারের জীবনে ‘৬৭ সালে যে অধ্যায়ের শুরু হয়েছিল, তা এসে শেষ হয় ৪৬ বছর পর কেবল মৃত্যুর হাতে।

জিন সিস্কেলের সঙ্গে, টিভি শো 'অ্যাট দ্যা মুভিজ' এর প্রচারণায়।

জিন সিস্কেলের সঙ্গে, টিভি শো ‘অ্যাট দ্যা মুভিজ’ এর প্রচারণায়।

মাঝখানের সময়টায় পেয়েছেন খ্যাতি, সম্মান, ভালোবাসা এবং অবশ্যই কিছু নিন্দা। এক পর্যায়ে আরেক প্রখ্যাত সমালোচক ‘জিন সিস্কেল’ কে সাথে নিয়ে শুরু করেন ‘অ্যাট দ্যা মুভিজ’ নামে টেলিভিশন শো, যেখানে তারা দু’জনে মিলে বিভিন্ন চলচ্চিত্রের সমালোচনা করতেন। এই টিভি শো’তেই তারা প্রথমবারের মত ব্যবহার করেন তাদের বিখ্যাত উক্তি ‘Two Thumbs Up’। কোনো ছবিকে যদি তারা দু’জনই পছন্দ করতেন অর্থাৎ ‘পজিটিভ রিভিউ’ দিতেন, তাহলে সেই ছবি তাদের কাছ থেকে ‘টু থাম্বস আপ’ পেত।

এই টিভি শো হলিউডে চলচ্চিত্র সমালোচনার ধারণায় মোড় আনে। দুই জন বয়স্ক লোক একটা ছবির ভালো-মন্দ নিয়ে নিজেদের মাঝে কথা কাটাকাটি করে যাচ্ছেন—এ রকম কিছু দর্শকদের কাছে উপভোগ্য আর একই সাথে চলচ্চিত্র নিয়ে ভাবার সুযোগ করে দিতে পারে—তেমনটা এর আগে অনুমানের সুযোগ হয় নি। ১৯৯৯ সালে সিস্কেল সাহেব মারা যাবার পর সান-টাইমস পত্রিকার তরুণ সম্পাদক ‘রিচার্ড রোপার’কে নিয়ে ইবার্ট সেই শো চালিয়ে যান।

হলিউড ওয়াক অফ ফেম-এ নিজের স্টার পাওয়ার দিন রজার ইবার্ট, সাথে সহকর্মী রিচার্ড রোপার।

হলিউড ওয়াক অফ ফেম-এ নিজের স্টার পাওয়ার দিন রজার ইবার্ট, সাথে সহকর্মী রিচার্ড রোপার।

ফেদেরিকো ফেলিনির মাস্টারপিস ‘লা দোলচে ভিতা (১৯৬০)’র রিভিউ লেখার মাধ্যমে ১৯৬১ সালে সমালোচনা শুরু করেন ইবার্ট। তিনি সাধারণত কোনো ছবিকে ‘৪ স্টার’ এর মধ্যে রেট করতেন। এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো লাগা ছবিকে তিনি দিতেন ৪/৪ এবং সবচাইতে কম রেটিং ছিল ০/৪ । যেসব ছবি নান্দনিকতার সূত্রে তার কাছে লাগত একেবারেই নিম্ন পর্যায়ের, সেগুলি সাধারণত ০/৪ পেত। তবে রজার ইবার্ট ছিলেন রেটিং প্রথার ঘোর নিন্দুক। তার মতে চলচ্চিত্রকে একটি সংখ্যা কখনওই পূর্ণাঙ্গভাবে বিশ্লেষ করতে পারে না। রিভিউ না পড়ে কেবল রেটিং দেখলে একটি ছবির প্রতি অবিচার করা হয়। পেশাগত আপোসে তিনি রেট করতেন তাই কেবল বাধ্য হয়ে।

৩.

মার্টিন স্করসেজির সঙ্গে।

মার্টিন স্করসেজির সঙ্গে।

১৯৭৫ সালে চলচ্চিত্র সমালোচকদের মাঝে প্রথমবারের মত পুলিৎজার প্রাইজ দেওয়া হয় রজার ইবার্টকে। ২৮ বছর পর্যন্তও এই জয়ে তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। তিনিই একমাত্র ফিল্ম ক্রিটিক যার ‘হলিউড ওয়াক অফ ফেম’-এ নিজস্ব স্টার আছে। পরিচালক মার্টিন স্করসেজি ছিলেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও তার চলচ্চিত্র জ্ঞানের একজন অনুরাগী। স্করসেজি সাহেব ইবার্ট এর টেলিভিশন শো-তেও একবার অতিথি হয়ে এসে তাদের প্রিয় ছবিগুলি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন।

কিছু ছবি সম্বন্ধে নেতিবাচক মন্তব্য পাবার পরেও অভিনেতা ও নির্মাতারা তার চলচ্চিত্র-ধারণাকে খাটো করে দেখার সুযোগ পান নি। ব্যতিক্রমও আছে। যেমন স্বাস্থ্য স্থূল হওয়ায় একবার এক পরিচালক ‘ভিনসেন্ট গালো’র সাথে বাগবিতণ্ডার পর ইবার্ট সাহেব ষাট বছর বয়সে এসে ওজন কমিয়ে ফেলেন। আর পরিচালক ‘মাইকেল বে’র সাথে তার বিরোধের ঘটনা তো রীতিমত জনপ্রিয়। ইবার্ট জনপ্রিয় ছিলেন তার আবিষ্কৃত কিছু শব্দের খেলার জন্যেও। যেমন ‘ফ্রাইডে দ্যা থার্টিন্থ’ এর মত স্ল্যাশার ছবিগুলিকে তিনি বলতেন ‘Dead Teenager Movies’, কারণ এ ধরনের প্রায় সব ছবিতেই টিন-এজাররা কোনো আততায়ীর হাতে এক এক করে নিহত হয় এবং সবশেষে একজন বেঁচে থাকে—‪যাকে নিয়ে শুরু হয় সিক্যুয়েল। আবার ‘স্পিড (১৯৯৪)’ এর মত টান টান উত্তেজনাকর ছবিগুলির নাম দিয়েছিলেন ‘Bruised Forearm Movies’, এরকম ছবি দেখতে গিয়ে আপনার পাশে বসে থাকা প্রেমিকা উত্তেজনার তোপে এত জোরে আপনার হাত চেপে ধরে থাকেন যে বিবর্ণ দাগ পড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক।

অনেকে চলচ্চিত্রে তার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। অভিযোগ—তার রিভিউগুলি অনেকটাই আবেগপ্রসূত। সে জন্য তাদের মাঝে অনেক সময় সেই সব রিভিউর ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠত। ইবার্ট কখনও এমন কিছু ছবিকে ইতিবাচক রিভিউ দিয়ে গেছেন, যেগুলি অন্যান্য সমালোচকদের কাছে নিন্দিত। এর কারণ হলো সিনেমার প্রতি তার ‘Generic Approach’ । তিনি বিশেষ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ছবিকে জঁনরার হিসেবে রেটিং দিয়ে থাকতেন।

—”কেউ যদি আমার কাছে জানতে চায়, হেলবয় ভালো ছবি কিনা, তাহলে কি আমি হেলবয়কে মিস্টিক রিভার এর সাথে তুলনা করব? মোটেও না। হেলবয়ের সাথে সুপারম্যান কিংবা দ্যা পানিশার এর তুলনা করা যায়। যদি সুপারম্যান ৪/৪ পায়, তাহলে হেলবয় পাবে ৩/৪ এবং পানিশার হবে ২/৪। সেইদিক থেকে অ্যামেরিকান বিউটি ৪/৪ পেলে ইউনাইটেড স্টেটস অফ লিল্যান্ড পাবে ২।”

—”চলচ্চিত্র নিজেই একটি আবেগজাত শিল্পমাধ্যম, মস্তিষ্কজাত নয়। কাজেই আমি এর বিচারে যুক্তির চেয়ে আবেগকেই এগিয়ে রাখি। আপনার কাছে একটি ছবি ভালো লেগেছে বলেই কি ছবিটি “ভালো”? না। আমার নিজের কাছেও অনেক “খারাপ” ছবি ভালো লেগেছে, কিন্তু আমি সেগুলি নিয়ে বড়াই করি না!”

৪.
সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মা বেঁচে থাকতে বিয়ে আর করবেন না। হয়েছেও তাই। অর্ধশত বছর বয়সে এসে বিয়ে করেন কৃষ্ণাঙ্গ এক আইনজীবীকে। এর আগে ‘অপরাহ উইনফ্রে’র সাথে খাতির ছিল, যুবক বয়সে কিছুদিন প্রেমও করেছিলেন।

স্ত্রী চ্যাজ ইবার্টের সাথে বিয়ের দিন রজার ইবার্ট।

স্ত্রী চ্যাজ ইবার্টের সাথে বিয়ের দিন রজার ইবার্ট।

২০০২ সালে এসে রজার জানতে পারেন তার থাইরয়েড গ্রন্থিতে ক্যানসার হয়েছে। সেইবার সফল অস্ত্রোপচার হলেও ২০০৬ সালের মাঝামাঝিতে আবার ক্যান্সার ধরা পড়ে। ফলে বেশ কয়েকমাস তিনি চলচ্চিত্রমহল থেকে দূরে থাকেন। অস্ত্রোপচারের সময় একটি দুর্ঘটনার ফলে তার নিচের চোয়াল সরিয়ে ফেলা হয়। ফলে তার কথা বলা থেমে যায় সব সময়ের জন্য। কিন্তু এক বছর যেতে না যেতেই আবার রিভিউ লেখা শুরু করলেন তিনি। কথা না বলতে পারা তার কাছে কখনওই বিশাল বাঁধা বলে মনে হয় নি। তার হাতে তার ল্যাপটপ ছিল, যেখানে তিনি টাইপ করতেন এবং ভয়েস সিন্থেসাইজারের সাহায্যে শব্দগুলি স্পীকার দিয়ে কণ্ঠ হয়ে বের হতো। এরকম শারীরিক অবস্থা নিয়েও তিনি বছরে প্রায় তিনশ’ মুভির রিভিউ লিখে গেছেন। এছাড়া তার ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল “ইবার্টফেস্ট” এর তদারকি, সাক্ষাৎকার নেয়া, ব্লগ লেখা—‪এসবও থেমে থাকে নি।

৫.
ইবার্ট এর লেখা বই নিয়ে ২০১৪ সালে বের হয় ডকুমেন্টারি লাইফ ইটসেলফ। ইবার্টের বইটি ঠিক কোনো গোছানো আত্মজীবনী ছিল না, বরং বিভিন্ন জীবনমুখী ব্লগ ও প্রবন্ধের সংকলন বলা যায়। ইবার্ট বেঁচে থাকতেই সেই ডকুমেন্টারির কাজ শুরু হয়। ছবিটির নির্বাহী প্রযোজক ছিলেন মার্টিন স্করসেজি।

roger-ebert-1928

‘লাইফ ইটসেলফ’ সিনেমার পোস্টার।

‘লাইফ ইটসেলফ’ গতানুগতিক আত্মজীবনীমূলক ডকুমেন্টারি না। এখানে রজারের ভাবনাগুলি পরিষ্কারভাবে প্রকাশের জন্য সচেতন একটি ছন্নছাড়া ভাবের সৃষ্টি করা হয়েছে। এর সম্পূর্ণ দায় অবশ্যই পরিচালক স্টিভ জেমস এর। তার আরেক ডকুমেন্টারি ‘হুপ ড্রীমস’কে সর্বকালের সেরা ডকুমেন্টারিগুলির কাতারে ফেলা হয়। তবে কোনো এক কারণে অস্কার কর্তৃপক্ষ এই পরিচালকের ছবিগুলি সুনজরে নিতে পারে না। ফলে সব মহলেই সমাদৃত হবার পরও লাইফ ইটসেলফ-ও অস্কারে মনোনয়ন পায় নি।

ছবিতে ইবার্টের জীবন নিয়ে তথ্যগুলিও দেওয়া হয়েছে নিঃসঙ্কোচে। বন্ধু ‘জিন সিস্কেল’ ব্রেন টিউমারের কারণে মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত তার অসুস্থতা গোপন রেখেছিলেন। সেই হতাশায় ইবার্টের দৃঢ় সিদ্ধান্ত ছিল নিজের শারীরিক সমস্যা সব পরিচিতজনের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়া, এমনকি তার পাঠকদের সাথেও। এই ছবিতেও দুঃখজনকভাবে তার প্রতিফলন ঘটেছে।

ইলিনয়ের ভার্জিনিয়া থিয়েটারের সামনে বিখ্যাত 'থাম্বস আপ' দেওয়ার ভঙ্গিমায় ইবার্টের মূর্তি।

ইলিনয়ের ভার্জিনিয়া থিয়েটারের সামনে বিখ্যাত ‘থাম্বস আপ’ দেওয়ার ভঙ্গিমায় ইবার্টের মূর্তি।

লাইফ ইটসেলফ দেখতে দেখতে একপর্যায়ে বিষণ্ণতা ভর করল। মনে পড়ল—যখন উইকিপিডিয়াতে কোনো মুভির খোঁজ নিতে গেলে বিভিন্ন ক্রিটিকের মন্তব্য পড়ে নিরাশ হয়ে যেতাম। ইংরেজি জানতাম কম। শুধু একজনের লেখাই বোধগম্য ছিল। ধীরে ধীরে তার লেখায় আকৃষ্ট থেকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম।

২০১৩ সালে এসে একসময় দেখলাম উইকিপিডিয়ায় নতুন নতুন ছবির রিভিউ এর জায়গায় সেই লেখকের কোনো মন্তব্য খুঁজে পাচ্ছি না। প্রথমে কাকতালীয় ভেবে নিলেও হুঁট করেই জানা গেল, সেই বছরেরই ৪ এপ্রিল লেখক মারা গেছেন। তারপর থেকে এমন কোনো ছবি নেই যা দেখার পর ছবিটি নিয়ে ইবার্টের মত পড়ি নি। সবসময় একমত না হলেও তার সাজানো শব্দের সৌন্দর্যের প্রতি মুগ্ধতা সবসময়ই ছিল। এখনো এক কোণায় বসে আমার মুঠোফোনে তার রিভিউগুলি ছোটগল্পের আগ্রহ নিয়েই পড়ি। তার শেষ ব্লগের শেষ লেখাগুলি বারবার পড়তে থাকি, ভালো লাগে—

“Thank you for going on this Journey with me. I’ll see you at the Movies.”

About Author

আয়মান আসিব স্বাধীন
আয়মান আসিব স্বাধীন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে পড়াশোনা করছেন। বই : সিনে-লয়েড (২০১৭, চৈতন্য)