page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব
লাইফস্টাইল

“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই বেশি প্রিয়, পাশাপাশি হুমায়ূন আহমেদ ভাল্লাগে।”—তাহসিনুল ইসলাম

সাঈদ রূপু: আচ্ছা, এইবার আপনার কি বই বের হচ্ছে মেলাতে?

তাহসিনুল  ইসলাম: এবার আমার একটা উপন্যাস আসতেছে। এটা অনেক রোমান্টিক ধাঁচের। নাম ‘মাঝে মাঝে তব দেখা  পাই’।

সাঈদ: এইটা কততম উপন্যাস?

তাহসিনুল: এটা আমার তৃতীয় উপন্যাস।

সাঈদ: এটা কি চলে আসছে?

তাহসিনুল: না এটা ৫ তারিখের মধ্যে চলে আসবে আর কি।

সাঈদ: তো উপন্যাসটার কাহিনী কী আসলে? এটা কী নিয়ে লেখা?

boimela-logo-2016

তাহসিনুল: এটা আসলে রোমান্টিকই বলা যায়। কিন্তু এটা হচ্ছে যে আপনার রোমান্টিকতার পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে যে, এখানে মানুষের যে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে ইয়েগুলা, মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সামাজিক যে অনেক কিছু ব্যাপার-স্যাপার, এখানে চলে আসছে।

সাঈদ: এটা কি বাস্তবধর্মী কোনো  লেখা?

তাহসিনুল: অবশ্যই বাস্তব জীবনের উপর ভিত্তি করেই এটা লেখা হয়েছে। এবং এটার, উপন্যাসটার ব্যাকগ্রাউন্ড হচ্ছে রংপুর শহর। এবং পাশাপাশি আরো কাহিনীও আছে। এখানে অন্যান্য কিছু শহরের, যেমন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা কাহিনীও আছে।

সাঈদ: লেখালেখিতে আসার সূত্রপাত কোত্থেকে?

তাহসিনুল: আসলে বলা যায় এমনিতেই আর কি। মানে প্রাথমিক অবস্থায় ফেসবুকের মাধ্যমে লেখালেখি, গল্প লেখা শুরু। এখান থেকেই অনেকের অনুপ্রেরণা থেকেই আর কি উপন্যাস লেখা।

সাঈদ: কবে থেকে লেখেন?

তাহসিনুল: প্রায় চার পাঁচ বছর থেকে।

tahsinul1সাঈদ: বই বের হওয়ার আগে কি আপনার কোনো জায়গাই লেখা পাবলিশড হইছে?

তাহসিনুল: হ্যাঁ, বিভিন্ন ম্যাগাজিনে পাবলিশ হয়েছে। এবং দৈনিকেও হয়েছে।

সাঈদ: এটা কি জাগৃতি থেকে বের হইছে?

তাহসিনুল: গতবারেরটা জাগৃতি থেকে। ওটা ছিল একটা রহস্য উপন্যাস, ‘ঘাতক’ ওটার নাম। এবারেরটা আসতেছে ঘাসফুল থেকে। ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’।

সাঈদ: ঘাসফুল থেকে। আচ্ছা এই ইয়ে থেকে যে বের হলো তৃতীয় উপন্যাস, তো এটার কাহিনী একটু… মানে চট্রগ্রামের কী, কোন ধরনের কাহিনী নিয়ে?

তাহসিনুল: না আসলে চট্রগ্রাম না। এখানে দেখা যাচ্ছে যে, নায়ক বা এখানে যে গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র, তো কেন্দ্রীয় চরিত্র একসময় ওরা যখন স্টুডেন্ট ছিল, তখন ওরা চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো এবং এখানে যে নায়ক এবং নায়িকার যে সম্পর্কটা ওখান থেকেই সৃষ্টি। সেক্ষেত্রে উপন্যাসের একটা অংশে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কিছুর ব্যাপার আসছে।

সাঈদ: আচ্ছা আপনার লেখালেখিতে কোনো লেখকের প্রভাব আছে কি? আপনে কাউকে ফলো করে লেখেন বা…?

তাহসিনুল: ফলো ঠিক না। আসলে তো অনেকের দ্বারাই অনুপ্রাণিত হই। আমার লেখা ভালো লাগে… মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই বেশি প্রিয়, পাশাপাশি হুমায়ূন আহমেদ ভাল্লাগে। এছাড়া হাসান আজিজুল হক স্যার।

সাঈদ: এই বইটা আপনি কত দিন ধরে লিখছেন?

তাহসিনুল: এটা আসলে তো… দেখা যায় যে ব্যস্ততার মধ্যে এক সময়, একসাথে লেখা হয় না। তো থেমে থেমে লিখতে হয়েছে। প্রায় পাঁচ ছয় মাসের মতো তো লেগেছে।

সাঈদ: আচ্ছা পরবর্তীতে আপনার কোনো বই আসবে বা লেখালেখি শুরু করছেন?

তাহসিনুল: না লেখা ওইভাবে ধরি নি। কিন্তু পরবর্তীতে লেখা, মুক্তিযুদ্ধের উপর একটা লেখা উপন্যাস লেখার চিন্তা করছি এবং পাশাপাশি আরো একটা উপন্যাস, সামনের মেলার জন্য।

সাঈদ: এটা কি আপনি বইমেলা উপলক্ষেই লেখেন? নাকি তাছাড়া সবসময় কন্টিনিউ করে যান?

তাহসিনুল: না লেখা তো এমনিতেই বিভিন্ন ইয়ের জন্যে… গল্প লিখি আমি মূলত। গল্পটা লিখাই হয়। যে কোন ম্যাগাজিন এর জন্যে, বা ব্লগে লিখি, সেখানে দেওয়ার জন্যে। পাশাপাশি মেলার জন্যে এই উপন্যাসটা লেখা।

সঈদ: ঠিকাছে ধন্যবাদ।

তাহসিনুল: থ্যাংক ইউ।

বাংলা একাডেমি বইমেলা, ১০/২/২০১৬

ইউটিউব ভিডিও

About Author

সাঈদ রূপু
সাঈদ রূপু

স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে সাংবাদিকতায় অনার্স।