page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

শরীরচর্চার সময় যারা মিউজিক শোনেন তারা ঠিক কী কারণে কম ক্লান্ত হন?

আপনি জিমের ভেতরে শরীরচর্চা করুন আর পার্কে জগিং করুন, কানে যদি হেডফোন গুঁজে গান শুনতে থাকেন, ক্লান্ত কম হবেন।

অক্সফোর্ডের এক মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক গবেষণা করে দেখেছেন, শরীরচর্চা করার সময় গান শুনলে ব্রেইনে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ হয়, যা বেদনানাশকের কাজ করে, আর ক্লান্তিও দূর করে।

এ মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ন্যাশভিল শহরে এক সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে গবেষণার এ ফলাফল জানান মনোবিজ্ঞানী অধ্যাপক রবিন ডানবার। সম্মেলনের আয়োজক ছিল সোসাইটি ফর মিউজিক পারসেপশন অ্যান্ড কগনিশন। অধ্যাপক ডানবারের মোদ্দা কথা, শারীরিক শ্রমের সময় মিউজিক শুনলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।

মিউজিক শোনার সময় মস্তিষ্কে যে রাসায়নিক উপাদান ছড়িয়ে পড়ে সেটা ওপিয়ড গোত্রের। এগুলি শরীরের তৈরি নিজস্ব বেদনানাশক। এর কাজের ধরন মরফিনের মতো।

নিউ সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিন জানাচ্ছে, গান শোনার পাশাপাশি আপনি নিজেও যদি গুন গুন করে গান গাইতে থাকেন, বা এক-আধটু নাচেন, তো আরো ভালো। তাতে ওপিয়ডের নিঃসরণ আরো ছড়িয়ে পড়ে।

ড. টম ফ্রিটৎস

জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউটের ড. টম ফ্রিটৎসের এক গবেষণা জানাচ্ছে, এক এক ধরনের শারীরিক কসরতের জন্য একেক ধরনের মিউজিক বেশি কাজে দেয়।

গত জানুয়ারিতে স্পোর্টস রিসার্চারদের একটি গ্রুপ মিলে এরকম একটি গানের তালিকা তৈরিও করে ফেলেছিল। মানে কোন ধরনের কাজের সময় কোন মিউজিক শুনবেন, তার তালিকা।

ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড্যানিয়েল বোউলিংয়ের সঙ্গে মিলে ড. টম ফ্রিটৎস এমন একটা এক্সারসাইজ মেশিন তৈরির চেষ্টা করছেন যেটা আপনার শরীরের কসরতের পরিমাণ হিসাব করে নিজে থেকেই আপনার জন্যে উপযুক্ত মিউজিক সিলেক্ট করে আপনাকে শোনাতে থাকবে।

পড়ুন: বেশি ব্যায়াম ভাল না খারাপ?

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক
সাম্প্রতিক ডেস্ক