page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

শিশুদের ঠাণ্ডা-সর্দিতে হলদি দুধ

আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভেষজ হিসেবে হলুদ বা হলদি খুবই উপকারি।

শিশুদের মামুলি ঠাণ্ডা-সর্দিতে কাজ দেয় হলুদ। পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াবিহীন এই ভেষজ প্রতিদিন খেতে পারেন আপনি। গর্ভবর্তী মায়েদের অবশ্য হলুদ গ্রহণের ক্ষেত্রে মাত্রা মেনে চলা প্রয়োজন। অতিরিক্ত হলুদ গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর।

বর্ষাকালে শিশুরা প্রায়ই ঠাণ্ডা বা সর্দিতে আক্রান্ত হয়। মাথাব্যথা, জ্বর এবং নাক বন্ধ থাকে এই অবস্থায়। অ্যালোপ্যাথি ওষুধ হয়তো খুব দ্রুতই এই রোগ সারিয়ে তুলতে পারে, কিন্তু রাসায়নিক ওষুধ বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। এরকম ঠাণ্ডা-কাশি নিরাময়ের জন্য নিরাপদে প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান গ্রহণ করা যেতে পারে।400

হলুদ বৈজ্ঞানিকভাবে ‘কারকিউমা লঙ্গা’ নামে পরিচিত। এটি রিবোজোম বা মূল জাতীয় উদ্ভিদ এবং এটি ‘জিনযিবেরাসিয়ে’ গোত্রের মধ্যে পড়ে। সেই প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক ও চিনা ওষুধ শাস্ত্রে এর বহু গুণাগুণের জন্য হলুদ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

বয়স্কদের ঠাণ্ডা-সর্দি নিরাময়ে হলুদ মিশ্রিত দুধ খুব জনপ্রিয় ঘরোয়া ওষুধ। হলুদে দুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণত বাদাম বা নারিকেলের দুধ পছন্দ করে লোকে। অস্টিওপোরোসিসের কারণে গাভির দুধ এড়িয়ে চলেন অনেকে।

হলুদের প্রধান উপাদান ‘কারকিউমিন’ এর কারণে হলুদের ঔষধি গুণ এবং স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এত বেশি।

কারকিউমিন অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামাটোরি বা প্রদাহ হ্রাসকারি হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ভাইরাস গুণাগুণও আছে। এ কারণেই সাধারণ ঠাণ্ডা বা সর্দিতে হলুদ শক্তিশালী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও এটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং এর ফলে শিশুরা সংক্রামক রোগে কম আক্রান্ত হয়।

দুধের সাথে হলুদ মিশিয়ে খেলে শরীর এই কারকিউমিন উপাদানটিকে সহজেই গ্রহণ করতে পারে। এর ফলে দ্রুত ঠাণ্ডা বা সর্দি সেরে যায়।

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক
সাম্প্রতিক ডেস্ক