(আগের অংশ)

আমরা সময়ের নিয়ম তৈরি করি, নাকি সময় আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে?

রাত জেগে পড়ালেখা বা কাজ করা আমার সারাজীবনের অভ্যাস, তাই ভোর সকালে ঘুম থেকে ওঠা আমার জন্য এক ভয়ানক কঠিন কাজ। আগেই বলেছি যে, আমার অফিসে ফ্লেক্সি টাইম আছে, অফিস শুরু করি সকাল দশটায়। কিন্তু এই সকাল দশটায় অফিস ধরাও মাঝে মাঝে আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে ওঠে। সময় মত অফিস পৌঁছাতে প্রায় প্রতিদিনই আমাকে দৌড় ঝাঁপ করে বাসা থেকে বের হতে হয়।

আর বাড়ি থেকে বাইরে বের হয়ে রাস্তায় নামতেই প্রতিদিনই দেখতে পাই পরিচিত সেই একই দৃশ্য, চারিদিকে শুধু ব্যস্ততা আর ব্যস্ততা। মানুষগুলো সবাই যার যার মত ছুটে চলছে, একপাল পাগলা ঘোড়ার মত। এই দৃশ্যগুলো সবসময়ই আমাকে প্রচণ্ড কষ্ট দেয়, নিজেকে মনে হয় যেন সময়ের দাস। আমাদের সব কিছুই সময়ের নিয়মে বাঁধা, বাস-ট্রেন-বিমান, লেখাপড়া, অফিস, ব্যবসা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান, এমনকি খাওয়া-দাওয়া, রান্নাবাড়া পর্যন্ত সব কিছুই।

কিন্তু কেন? কেন এমন হয়? আমরা কি তাহলে স্বাধীন না? আমাদের শরীরে সময় কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়? কেন আমরা প্রতিদিন একই সময় ঘুম থেকে জেগে উঠি বা ঘুমুতে যাই? কেনই বা একই সময় আমাদের ক্ষুধা পায়?

আমাদের দেহে কি তবে কোনো রকম জৈবিক ঘড়ি আছে?

সার্কেডিয়ান ক্লক
মিশেল শিফ

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রথম এই প্রশ্নটার উত্তর খুঁজতে চেষ্টা করেন ফরাসি গুহা-তত্ত্ব বিশারদ, অনুসন্ধানী ও বিজ্ঞানী মিশেল শিফ (Michel Siffre)। ১৯৬২ সালে জুলাই মাসে তিনি কোনো রকম ঘড়ি, ক্যালেন্ডার বা সময়ের হিসাব রাখার উপকরণ ছাড়াই ভূগর্ভস্থ একটি গুহায় প্রবেশ করেন। এই গুহায় একটি টেলিফোন ছাড়া বাইরের পৃথিবীর সাথে যোগাযোগের আর কোনো ব্যবস্থা ছিল না। গুহাটি এতই গভীরে ছিল যে সেখানে এমনকি সূর্যের আলোও কোনো ভাবে পৌঁছাতে পারত না। এই গবেষণার জন্যে গুহাটিতে তিনি একটানা দুই মাস অবস্থান করেন।

কোনো রকম ঘড়ি বা সূর্যালোকের সাহায্য ছাড়া স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় বিষয়গুলো, যেমন, ঘুম, জেগে থাকা, আহার, জৈবিক নিঃসরণ ইত্যাদি কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এটা পরীক্ষা করে দেখাই তার মূল উদ্দেশ্য ছিল। তাই তিনি এই দুই মাস সময় ধরে গুহার ভিতরে তার খাদ্যগ্রহণ, ঘুম, জেগে ওঠার সময় সহ ও অন্যান্য সব দৈনন্দিন কাজের নিয়মিত রিপোর্ট ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে ভূপৃষ্ঠে অবস্থিত গবেষণাগারে পাঠাতে থাকেন। এই সময় তার কাছে সময়ের হিসেব রাখার কোনো উপায়ই ছিল না, তাই দ্রুত তিনি সময়ের সব রকম হিসেব হারিয়ে ফেলেন। কারণ প্রথমবার ঘুমাতে যাবার পর তার পক্ষে আর বলা সম্ভব ছিল না, তিনি এক ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন, নাকি অনেক বেশি ঘুমিয়েছেন।

কিন্তু গুহার ভিতর যতই দিন পার হতে থাকে, গবেষণাগারে থাকা তার সহকর্মীরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করতে থাকেন যে, মিশেল শিফের শরীর ঘুম ও জেগে থাকার ২৪ ঘণ্টার একটা অটোমেটিক রিদম বা নিয়ম তৈরি করে নিয়েছে। শুধু ঘুম বা জেগে থাকা নয়, তারা লক্ষ্য করেন, অন্য সব শারীরবৃত্তীয় বিষয়গুলোতে একই রকম নিয়ম বা ছন্দ তৈরি হয়েছে ।

এই পরীক্ষার পর ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মিশেল শিফ ভলান্টিয়ারদের সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে কয়েক দফায় একই ধরনের পরীক্ষা চালান। এই পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমেই প্রথম জানা যায় মানুষের শারীরবৃত্তীয় ব্যাপারগুলো কোনো ভাবে দেহের অভ্যন্তরেই এক ধরনের সময়চক্র মেনে চলে। অর্থাৎ আমরা নিজেদের স্বাধীন ভাবলেও নিজের অজান্তেই আমরা আসলে সময়ের নিয়মে বাঁধা।

সার্কেডিয়ান ক্লক বা জৈবিক ঘড়ি

মিশেল শিফের এই গবেষণার সূত্র ধরেই পরবর্তীতে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে, আমাদের সব ধরনের শারীরবৃত্তীয় কাজ দেহের ভেতর থেকেই একটি ঘড়ির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, যাকে বিজ্ঞানীরা বলেন সার্কেডিয়ান চক্র বা ঘড়ি (Carcadian Clock)।  যদিও একে ঘড়ি বলছি, এটা কিন্তু মোটেই মেকানিক্যাল কিছু না, বরং এটি হল আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় মধ্যখানে হাইপোথ্যালামাসে অবস্থিত ২০,০০০ নিউরনের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষুদ্র একটি অংশ। মস্তিষ্কের ছোট্ট এই অংশটিকে বলা হয় সুপ্রাকিয়াসম্যাটিক নিউক্লিয়াস (Suprachiasmatic Nucleus) বা সংক্ষেপে এস.সি.এন (SCN)। এই সুপ্রাকিয়াসম্যাটিক নিউক্লিয়াসের মাধ্যমেই আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের দৈনন্দিন সব রকম কাজের সমন্বয় সাধন করে। যেমন ঘুম-জেগে ওঠা-খাওয়া থেকে শুরু করে হরমোন নিঃসরণ, শরীরের তাপমাত্রার ওঠানামা, ব্লাড-প্রেসার নিয়ন্ত্রণ, কর্মক্ষমতা, সংবেদনশীলতা  ইত্যাদি।

বিজ্ঞানীরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করেন যে, দিনের বিভিন্ন সময় অনুযায়ী আমাদের সবরকম শারীরবৃত্তীয় কাজের দক্ষতা, তীব্রতা, কর্মক্ষমতা, সংবেদনশীলতা ইত্যাদি দিন-রাত্রি ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত ছন্দে একই রকম ভাবে ওঠানামা করে। যেমন, একজন সাধারণ মানুষের সবচেয়ে দ্রুত ব্লাড-প্রেসার বেড়ে যায় সকাল ৬:৪৫ মিনিটে। এ কারণেই অধিকাংশ হার্ট অ্যাটাক ভোরের দিকেই হয়ে থাকে। হার্ট সবচেয়ে কর্মক্ষম থাকে বিকাল ৫:০০ টায়, সবচেয়ে গভীর ঘুমে থাকে রাত ২:০০ টায়, শরীর সবচেয়ে সতর্ক আর চাঙ্গা থাকে সকাল ১০:০০ টায়, ইত্যাদি। ছবিতে ব্যাপারটা সহজেই বোঝা যাবে।

সার্কেডিয়ান ক্লক
দিনের বিভিন্ন সময় অনুযায়ী আমাদের সবরকম শারীরবৃত্তীয় কাজের দক্ষতা, তীব্রতা, কর্মক্ষমতা, সংবেদনশীলতা ইত্যাদি দিন-রাত্রি ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত ছন্দে একই রকম ভাবে ওঠানামা করে।

এই সার্কেডিয়ান চক্র বা ঘড়ির কারণেই মানুষ দ্রুত এক টাইম জোন থেকে আরেক টাইম জোনে সফর করলে তার ঘুম সহ নানা শারীরবৃত্তীয় বিষয়ে নানা রকম বিঘ্ন ঘটে, যাকে আমরা জেট ল্যাগ (Jet Lag) বলে জানি। কিন্তু এই জৈবিক ঘড়িটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল আলো ও বাহ্যিক তাপমাত্রার প্রতি সংবেধনশীলতা। অর্থাৎ, দিনের আলোর উপর ভিত্তি করে এই ঘড়ি দুই একদিনের মধ্যেই ঘুম সহ অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজের সমন্বয় করে ফেলে, ফলে ভ্রমণকারীদের দীর্ঘদিন জেট ল্যাগে ভুগতে হয় না।

শুধু কি মানুষ, নাকি অন্যদেরও একই ধরনের জৈবিক ঘড়ি আছে?

যদিও মানুষের দেহে সার্কেডিয়ান ঘড়ি বা চক্রের ব্যাপারটা মাত্র গত ৫০ বছরে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে, কিন্তু এই বিষয়টির প্রথম একটা ধারণা পাওয়া যায় চাইনিজদের কাছ থেকে। ১৩ শতকের চাইনিজ আকুপাংচার বইগুলোতে দিন-রাত্রি, এমনকি মাস-ঋতু ভেদে মানুষের শরীরে আকু-পয়েন্টের তারতম্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সার্কেডিয়ান ক্লক
তেতুল গাছ বা এ ধরনের কিছু উদ্ভিদের পাতা দিন-রাত্রিতে এক বিশেষ ধরনের চক্রের মধ্য দিয়ে যায়। দিনে পাতাগুলো সতেজ থাকে, রাতে পাতাগুলো ধীরে ধীরে নুইয়ে পড়ে বা চেপে যায়।

উদ্ভিদের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো একটা জৈবিক চক্রের ধারণা সূদূর অতীতকাল থেকেই মানুষ করে এসেছে। খৃষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকে মহাবীর আলেকজান্ডারের নৌবহরের একজন ক্যাপ্টেন অ্যান্ড্রোস্থেনিস উদ্ভিদের ক্ষেত্রে এ ধরনের একটি চক্র থাকা সম্ভব বলে প্রথম ধারণা করেন।

তিনি তার দীর্ঘ অভিযানের বিভিন্ন সময়ে লক্ষ্য করেন যে তেতুল গাছ বা এ ধরনের কিছু উদ্ভিদের পাতা দিন-রাত্রিতে এক বিশেষ ধরনের চক্রের মধ্য দিয়ে যায়। দিনে পাতাগুলো সতেজ থাকে, রাতে পাতাগুলো ধীরে ধীরে নুইয়ে পড়ে বা চেপে যায়। তিনি তখন অনুমান করেন যে, এই গাছগুলোর অভ্যন্তরে কিছু একটা আছে, যা তাদের নিয়মিত সময় মেনে এ ধরনের পর্যায়ের ভিতর দিয়ে নিয়ে যায়।

কিন্তু, উদ্ভিদের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে প্রথম কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা করেন ১৭২৯ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী জ্যাঁ-জ্যাকুয়েস। লজ্জাবতী লতা নিয়ে কাজ করার সময় তিনি দেখেন যে এই গাছে পাতা দিন-রাত্রিতে পাতা ছড়িয়ে থাকা ও আবার বন্ধ হয়ে চেপে যাওয়ার এক বিশেষ চক্র অনুসরণ করে। এদের পাতা রাতে সমম্পূর্ণ ভাঁজ হয়ে চেপে যায়, দিনে তা আবার সম্পূর্ণ খুলে যায়। জ্যাঁ-জ্যাকুয়েস লক্ষ্য করেন যে, এই লতাগুলোকে সম্পূর্ণ অন্ধকার ঘরে রাখলেও তাদের এই আচরণের কোন পার্থক্য হয় না।

গবেষণার আরো অগ্রগতির ফলে আজ আমরা জানি শুধু পাতার ব্যাপারটাই না, উদ্ভিদের প্রায় সব ব্যাপারই এক ধরনের ২৪ ঘণ্টার সময় চক্র মেনে চলে। যেমন, দিনের বেলা উদ্ভিদ আমাদের অক্সিজেন দেয়, কিন্তু রাতে আবার এরা কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করে।

ধীরে ধীরে এক সময় বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন শুধু মানুষ আর গাছপালাই না অন্যান্য পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ থেকে শুরু করে এমনকি এক কোষ বিশিষ্ট ব্যাকটেরিয়া পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার এই ঘড়ি বা চক্র মেনে চলে! ১৯৮৪ সালে প্রায় একই সময়ে জেফরি হল, মাইকেল রোসবাস ও তাদের সাথীরা, এবং ভিন্ন জায়গায় মাইকেল ইয়ং ও তার সাথীরা মাছিতে জৈবিক ঘড়ির জন্য দায়ী জিন আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।

এই আবিষ্কার জৈবিক ঘড়ির রহস্য অনুসন্ধানে বিজ্ঞানীদের এক বিপুল সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। তাদের এই আবিষ্কারের জন্যে ২০১৭ সালে জেফরি হল, মাইকেল রোসবাস এবং মাইকেল ইয়ংকে যৌথভাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞানীরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন যখন তারা জানতে পারলেন যে, মানুষ থেকে শুরু করে এক কোষ বিশিষ্ট ব্যাকটেরিয়া পর্যন্ত প্রাণিকূলের সব প্রজাতিরই এই ২৪ ঘণ্টা চক্রের জন্য একটি মাত্র জিন দায়ী, সব রকমের প্রজাতির জন্যে একটি মাত্র জিন!

পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত জীব প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৮.৭ মিলিয়ন! বিজ্ঞানীরা বলেন এই সংখ্যাটি মোট প্রজাতি সংখ্যার শতকরা মাত্র ২০ ভাগ, বাকি শতকরা ৮০ ভাগ প্রজাতি নাকি এখনও অনাবিষ্কৃত! এখন পর্যন্ত জানা প্রমাণ ও উপাত্তের ভিত্তিতে বলা যায় পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব হয়েছিল ৩.৫ মিলিয়ন বছর পূর্বে! তথ্যটার তাৎপর্য এখানেই যে, গত ৩.৫ মিলিয়ন বছর ধরে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ৮.৭ মিলিয়ন প্রজাতির প্রাণী এই ২৪ ঘণ্টার জৈবিক ঘড়ি মেনে চলছে!

 

পুরো প্রজাতির অস্তিত্ত্বের প্রশ্ন যেখানে!       

বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে এই সার্কেডিয়ান ঘড়ির ছন্দ নিয়মিত নষ্ট হতে থাকলে মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীর শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে। যারা ঘুম, খাবার-দাবার ইত্যাদি বিষয়ে অনিয়ম করেন, শিফট ডিউটি করেন, বিমানের পাইলট বা এয়ার হোস্টেস তাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।

কিন্তু, এগুলো তো হল শারীরিক সমস্যার কথা, এমন কিছু প্রাণী আছে যাদের সম্পূর্ণ প্রজাতিরই অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে উঠতে পারে এই জৈবিক ঘড়ির কোনো গড় বড় হলে। এমনই একটি প্রাণী হলো গ্রুনিয়ন মাছ।

সার্কেডিয়ান ক্লক
নির্দিষ্ট প্রজনন সময়ে পুরুষ ও নারী গ্রুনিয়ন মাছ। নারী গ্রুনিয়নকে ঘিরে পুরুষ গ্রুনিয়ন মাছ।

সারা প্রশান্ত মহাসাগর ঘুরে বেড়ায় এই গ্রুনিয়ন মাছ। প্রজননের সময় বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট ঠিক মাত্র ২ ঘণ্টা সময়ের জন্য কোনো রকম ঘড়ি, কম্পাস বা এরকম কিছুর সাহায্য ছাড়া প্রশান্ত সাগর পেরিয়ে মিলিয়ন মিলিয়ন গ্রুনিয়ন হাজির হয় ফ্লোরিডা ও এর আশপাশের উপকূলে।

এই অদ্ভুত ও অকল্পনীয় দক্ষতাই তাদের প্রজাতিকে বাঁচিয়ে রাখে। সময়ের হেরফের হলে তাদের প্রজনন সম্ভব হবে না, তাই আরেকটি প্রজন্মের সময় আসার আগেই প্রায় উরো প্রজাতিটিই বিলুপ্তির মুখে পড়ে যাবে।

এই অদ্ভুত প্রজাতিটির জন্য সময় মানে সেকেন্ড, মিনিট বা ঘন্টা না, তাদের গোটা জীবন!

(পরের অংশ)

Facebook Comments
Hassan Tareque Chowdhury

লেখক, কবি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা। প্যারাসাইকোলজি ও স্পেকুলেটিভ সাইন্স ফিকশনের সমন্বয়ে লেখা দুটি বই: ‘দ্বিখণ্ডিত’ ও ‘যুগল মানব’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here