page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

সেদিনের সেই ওসতাদ

‘ওসতাদ’ কথাটার সঙ্গে পরিচয় সেই শৈশবে। সকালে বাড়িতে যে শিক্ষক আমপারা-ছিপারা পড়াতে আসতেন তাঁকে বলা হতো ওসতাদ। মাদরাসা-মক্তবের শিক্ষক, স্কুলের আরবি উরদু ফারসি শিক্ষকরাও ছিলেন ওসতাদ। এছাড়া কারিগর, মিস্ত্রি সহ বিভিন্ন কর্মজীবী মানুষ যাঁদের কাছে কাজ শিখেছেন তাঁদের বলতেন ওসতাদ।

একই পরিচয় ছিল বিভিন্ন খেলার প্রশিক্ষকদের। যিনি বাঁশি, তবলা, সেতার, গিটার, ঢাক-ঢোল, সানাই, হারমোনিয়াম সহ বিভিন্ন বাদ্য বাজাতে বা সরগম, পুথি পড়া, বয়াতি, কবি সহ নানা রকমের গান শেখাতেন তিনি-ও শিক্ষক। বড় হয়ে তো সংগীতের গুরুদেরই ওসতাদ বা উসতাদ হিসেবে জানতে পারি এক কথায়।

sazzad-kadir-logo

তবে শিক্ষক-ধর্মশিক্ষক বা গুরু ছাড়াও এই ফারসি শব্দটির অর্থ অভিধানে আছে আরও: বিশেষজ্ঞ, দক্ষ, পটু, নিপুণ, কুশলী, পারদর্শী, অতি চালাক, ফাজিল, চালিয়াত, কুকর্মে দক্ষ ইত্যাদি। এর বাইরেও এক সময় এক বিশেষ অর্থ ছিল এ কথাটির।

ষাটের দশকের শেষ দিকে সম্বোধন হিসেবে ‘ওসতাদ’ ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল সাহিত্য-সংস্কৃতির নবীন মহলে। শরীফ মিঞার ক্যানটিন, মুহসীন হল, নিউ মারকেটের মোনিকো রেস্তরাঁ থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল আশপাশে, গুলিসতান এলাকার রেক্স রেস্তরাঁ থেকে বাংলাবাজারের বিউটি বোরডিং সহ তখনকার নানা অজায়গা-কুজায়গাও।

সাযযাদ কাদির, ১৯৬৭। ঢাবি মুহসীন হলের ছাত্র, 'কণ্ঠস্বর'-এর সহকারী সম্পাদক।

সাযযাদ কাদির, ১৯৬৭। ঢাবি মুহসীন হলের ছাত্র, ‘কণ্ঠস্বর’-এর সহকারী সম্পাদক।

এ সম্বোধন ছিল ইয়ার-দোস্ত হিসেবে। এতে একাকার হয়ে গিয়েছিল জ্যেষ্ঠ-কনিষ্ঠ সম্পর্ক। স্বাধীনতার পরও কিছু দিন কবি-সাহিত্যিকদের বাইরে নাটক, সংবাদপত্র থেকে প্রায় গোটা গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সকল মহলে ছিল নানা সুরে ও স্বরে ওসতাদ ডাক। এর উৎপত্তি সম্পর্কে বলতে গেলে টান দিতে হয় অনেক কিছুর গোড়া ধরে। সে সবের কিছু টেনেটুনে বলছি এখানে অল্প কিছু কথায়।

রাজধানীর যেখানে ছিল গুলিস্তান-নাজ প্রেক্ষাগৃহ সেখান থেকে অল্প একটু দক্ষিণ-পুবে ফুলবাড়িয়া অঞ্চলে ছিল রেলওয়ে শ্রমিকদের মাহবুব আলী ইনস্টিটিউট। লম্বা একতলা ভবন। শুনেছি পুরো নাম ‘মাহবুব আলী লেবার ইনস্টিটিউট’। যাঁর নামে ওই ইনস্টিটিউট, শুনেছি সেই মাহবুব আলী প্রাণ দিয়েছিলেন শ্রমিক আন্দোলনে।

১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত এ ইনস্টিটিউটের মিলনায়তন ছিল তখনকার ঢাকার সংস্কৃতিচর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। নাটক, সংগীত, সভা, সম্মেলন, সেমিনার এবং ওই সময়ে জনপ্রিয় ‘বিচিত্রানুষ্ঠান’-এর প্রায় নিয়মিত আয়োজন হতো ওখানে। তবে নাট্যানুষ্ঠানের জন্যই মিলনায়তনটির বিশেষ সমাদর ছিল পঞ্চাশ থেকে ষাটের দশকের শেষ দিক পর্যন্ত। ওখানে মঞ্চাভিনয় শুরু হয়েছিল ১৯৫১ সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দত্তা’র নাট্যরূপ ‘বিজয়া’ দিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ মঞ্চস্থ করেছিল বিজন ভট্টাচার্যের ‘জবানবন্দী’। সিকান্দার আবু জাফরের ‘সিরাজদ্দৌলা’র মঞ্চায়ন হয় ১৯৫২ সালে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের “দ্য ডক্টর’স্ ক্লাব”-এর উদ্যোগে রবীন্দ্রনাথ মৈত্র’র ‘মানময়ী গার্লস স্কুল’ এবং কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দ্বীপান্তর’ প্রযোজনা সাড়া জাগিয়েছিল বেশ। অগ্রদূত নাট্যসংঘের প্রযোজনায় বিধায়ক ভট্টাচার্যের ‘মাটির ঘর’ মঞ্চসফল হয়েছিল বলে জানা যায়। মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ সহ অনেক বিখ্যাত নাটকের মঞ্চায়ন ওখানে হয়েছে বলে শুনেছি। মিলনায়তনের ভাড়া একেবারে কম ছিল না ওই সময়ের তুলনায়। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে উন্নীত হয়েছিল ১০০ টাকায়। শেষের দিকে এখানকার নাট্যজনেরা পাড়ি দিয়েছিলেন ফরাসগঞ্জের লালকুঠিতে।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে ভবনের দক্ষিণ পাশে খোলা চত্বরে জমে উঠেছিল দেশী পানশালা। ‘থারটি’ ও ‘ফরটি’ – স্পিরিটের এ রকম মাত্রা অনুযায়ী দুই ধরনের দেশী চলতো সেখানে। পানাসক্তদের ঘিরে সেখানে ভিড় ছিল চানাচুর, বাদাম, ডাব, সেভেন আপ, ফুচকা-চটপটি, চাট, কাবাব প্রভৃতির পসরা নিয়ে বসা ও ঘোরা বিক্রেতাদের। জুয়ার আসরও ছিল কয়েকটি। অন্ধকার জগতের ভয়ানক-ভয়ঙ্করদের পাশাপাশি তখনকার সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের অনেকে ওখানে যেতেন সস্তায় আমোদ-ফুরতির জন্য। আশপাশে ছিল চুচিনচৌ, গুলসিতান, পিয়াসী ও রুচিতা বার, কেরু কোমপানির ফরেন লিকার শপ ‘কোজি করনার’। সেখানে কিন্তু তেমন ভিড় ছিল না পানরসিকদের।

দেশী পানশালাটি নিয়ন্ত্রণ করতো হাককা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। মুসলিম লীগ সংশ্লিষ্ট ওই গুণ্ডাপাণ্ডাদের নেপথ্যে খুঁটি ছিল অবশ্য পুলিশ। তাই সেখানে অবাধ উল্লাসে রসভঙ্গ ঘটাতে আসতো না কেউ।

হাককা ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের সময়টায় ছুরিকাঘাতে হত হয়েছে বলে শুনেছিলাম; তবে কেউ-কেউ বলেন, না, আহত হয়েছিল সে। একাত্তরের শেষ দিকটায় পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল, ঢাকায় ফিরে এসেছিল স্বাধীনতার পর। মারা গেছে দীর্ঘকাল অসুখে ভুগে।

পানশালাটিও স্বাধীনতার পর সরে যায় আরও দক্ষিণে। জায়গাটিকে অনেকে বলতো কাপ্তানবাজার, আবার কেউ-কেউ বলতো ঠাটারিবাজার। খোলা জায়গায় সারি-সারি চালাঘর। তাতে নানা রকম জুয়ার আসর। তবে দেশী আর থারটি-ফরটি ছিল না আগের মতো। সবাই মনে করতো এ দেশী বোধহয় ভাত পচিয়ে তৈরী, কিন্তু পত্রিকার খবরে জানা গেল পুরনো ব্যাটারি গলিয়ে তৈরি হয় সে জ্বলিত গরল। এরপর ওই ‘দেশী’র নাম হয়ে যায় ‘কারবাইড’। ওখান থেকে খদ্দের সরে পড়ে মেথর পট্টিতে।

হাককা’র দেশী ঠেকে ভয়ানক-ভয়ঙ্কর চরিত্রের লোকজনের পাশাপাশি আনাগোনা ছিল বহু খ্যাতিমান ব্যক্তির। তাঁদের একজন ছিলেন ওসতাদ খাদেম হোসেন খান (১৯২২-১৯৯২)। একটু ছায়া-ছায়া অন্ধকারে দাঁড়িয়ে পান করতেন তিনি, বসতেন না কখনও। কখনও বেসামালও দেখা যায় নি তাঁকে। এখানে কিছু বলা দরকার তাঁর সম্পর্কে।

সংগীতজ্ঞ ওসতাদ খাদেম হোসেনের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার শিবপুরে। শৈশবে সংগীতে তাঁর হাতেখড়ি পিতা নায়েব আলী খানের কাছে। বালক বয়সেই তবলা শিখেছেন চাচা ফকির আফতাবউদ্দিন খান (১৮৬২?-১৯২২)-এর কাছে, সেতার শিখেছেন ওসতাদ আয়েত আলী খান (১৮৮৪-১৯৬৭)-এর কাছে। পরে সেতারে আরও দক্ষতা অর্জনের জন্য মাইহার-এ যান আর এক চাচা ওসতাদ আলাউদ্দিন খাঁ (১৮৬২-১৯৭২)-র কাছে। সংগীতে তালিম নিতে সেখান থেকে কলকাতা এসে ওসতাদ হিসেবে পান তানসেন-এর বংশধর ওসতাদ দবির খাঁ এবং গৌরীপুরের জমিদার বীরেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীকে। ভারতভাগের কিছু আগে ঢাকায় আসেন খাদেম হোসেন, তখন মাঝেমধ্যে সংগীত পরিবেশন করেছেন ঢাকা রেডিও-তে। ভারতভাগের পর রেডিও পাকিস্তান, ঢাকা’র স্টাফ আরটিস্ট নিযুক্ত হন তিনি। স্বাধীনতার পর হন রেডিও বাংলাদেশের ট্রান্সক্রিপশন সারভিস-এর প্রধান সংগীত প্রযোজক। প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী বুলবুল চৌধুরী (১৯১৯-১৯৫৪)-র ট্রুপে খাদেম হোসেন ছিলেন সংগীত পরিচালক। তিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমি’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা; ছিলেন এ প্রতিষ্ঠানের সংগীত পরিচালক ও যন্ত্রসংগীত বিভাগের প্রধান। ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আলাউদ্দিন লিটল অরকেস্ট্রা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন তিনি, তাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন বেশ কয়েকটি সিম্ফনি। তাঁর সুরারোপে মঞ্চস্থ হয়েছে ‘নকশি কাঁথার মাঠ’, ‘সিন্ধু’, ‘ক্ষুধিত পাষাণ’, ‘মহুয়া’ সহ অনেক কবিতা ও গীতিকা। ১৯৮০ সালে তাঁকে ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে সরকার, কুমিল্লা ফাউন্ডেশন সম্মানিত করে স্বর্ণপদক দিয়ে। তাঁর পরিচালনাধীন আলাউদ্দিন লিটল অরকেস্ট্রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে আমাদের চলচ্চিত্র সংগীতে। গান, আবহ প্রভৃতিতে প্রয়োজনীয় সংগীত অনুষঙ্গ দিয়ে তিনি যে সব চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—এই দেশ তোমার আমার (১৯৫৯), সুতরাং (১৯৬৪), ১৩ নং ফেকু ওস্তাগর লেন (১৯৬৬), এতটুকু আশা (১৯৬৮), আবির্ভাব (১৯৬৮), ক খ গ ঘ ঙ (১৯৬৮), দর্পচূর্ণ (১৯৭০), নাচের পুতুল (১৯৭১), আলোর মিছিল (১৯৭৪), সূর্যগ্রহণ (১৯৭৬), নয়নমণি (১৯৭৭), যাদুর বাঁশি (১৯৭৭), সূর্য সংগ্রাম (১৯৭৯), পুরস্কার (১৯৮৩) প্রভৃতি।

KhanUstadKhadamHossen

“সংগীতজ্ঞ ওসতাদ খাদেম হোসেনের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার শিবপুরে।”

হাককা’র ঠেকে খাদেম হোসেন খানকে নিয়ে যথেষ্ট কৌতূহল ছিল অনেকের। কিন্তু তাঁর কাছে ঘেষার ব্যাপারে ইতস্তত করতেন প্রায় সকলেই। দু’-একজন কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিক হঠাৎ কখনও কোনও পরিচয়ের সূত্রে হয়তো বলতে পেরেছেন দু’-চার কথা। কিন্তু উত্তর পেয়েছেন অতিসংক্ষিপ্ত। একটি বা দু’টি শব্দে। সে সময় ‘উইলস’ সিগারেটের বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে তিনি নানা মাধ্যমে প্রচারিত ছিলেন বিপুল ভাবে। আমাদের ধারণা ছিল, নিশ্চয়ই বিপুল অর্থ তিনি আয় করেছেন এ থেকে। এক কৌতূহলী সে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে একদিন, কত পেলেন, ওসতাদ?

উত্তর আসে, দেড় শ’ প্যাকেট।

অর্থাৎ মডেল হওয়ার জন্য তিনি পেয়েছেন ১৫০ প্যাকেট উইলস সিগারেট।

ওই হাককা’র ঠেকেই আর একদিন।

এক গাট্টাগোট্টা লোক সিগারেট ফুকতে-ফুকতে যাচ্ছিল ছায়ায়-ছায়ায়। হঠাৎ ওসতাদ সামনে পড়তেই লুকিয়ে ফেলে সিগারেট, মাথা নিচু করে ছোট করে সালাম দিয়ে সরে পড়ে তাড়াতাড়ি। ঠেকে প্রায়ই দেখা যায় লোকটিকে। অনেকে বেশ সমীহ করে তাকে। তাই কৌতূহলী একজন জিজ্ঞেস করে, লোকটা কে, ওসতাদ?

খলিফা।

দরজি? কাপড় কাটে?

মানুষ কাটে।

অর্থাৎ ওই লোকটা এক ভয়ঙ্কর খুনি।

ওসতাদ এভাবেই দু’-চারটে খুচরা কথায় শেষ করে দিতেন কৌতূহল। তাঁর ওই সব টুকরো কথা, সংজ্ঞা, ব্যতিক্রমী পর্যবেক্ষণ ও মন্তব্য—ওই সব কৌতূহলীর মাধ্যমে পরদিন থেকে ছড়িয়ে পড়তো আড্ডায়-আড্ডায়। সেই থেকে শুরু—প্রথমে খলিফা, তারপর ক্রমে-ক্রমে ওসতাদ সম্বোধন।

এই সম্বোধন জনপ্রিয় করার মূলে যাঁরা ছিলেন তাঁদের ক’জনের নাম বলি—শাহনূর খান, আখতারউননবী, হুমায়ুন কবির, আবুল হাসান, কায়েস আহমেদ, শাকের চৌধুরী, শশাঙ্ক পাল, কামাল বিন মাহতাব, ইনামুল কবির ব্রহ্মা, সেলিম আলদীন, আবদুস সাত্তার বিশ্বাস, আবদুল মান্নান সৈয়দ, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আহমদ আবদুল আউয়াল, মুজিব বিন, রফিক নওশাদ, রফিক কায়সার, হেলাল হাফিজ, মুহম্মদ নূরুল হুদা, নির্মলেন্দু গুণ, রফিক আজাদ, শহীদ কাদরী ও আরও অনেকে।

About Author

সাযযাদ কাদির
সাযযাদ কাদির

কবি ও বহুমাত্রিক লেখক। জন্ম: ১৯৪৭, টাঙ্গাইল। পেশা: সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা। সাবেক সহকারী সম্পাদক, বিচিত্রা; দৈনিক সংবাদ। ভাষা-বিশেষজ্ঞ, রেডিও পেইচিং, গণচীন। পরিচালক, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট। বই— কবিতা: যথেচ্ছ ধ্রুপদ; রৌদ্রে প্রতিধ্বনি; দূরতমার কাছে; দরজার কাছে নদী; এই যে আমি; জানে না কেউ; বিশ্ববিহীন বিজনে; মণিমালা সিরিজ; বৃষ্টিবিলীন; কবিতাসংগ্রহ। গল্প: চন্দনে মৃগপদচিহ্ন; অপর বেলায়; রসরগড়; গল্পসংগ্রহ। উপন্যাস: অন্তর্জাল; খেই; অনেক বছর পরে; জলপাহাড়: চার চমৎকার; আঁচ। প্রবন্ধ-গবেষণা: ভাষাতত্ত্ব পরিচয়; হারেমের কাহিনী: জীবন ও যৌনতা; রবীন্দ্রনাথ: মানুষটি; রবীন্দ্রনাথ: শান্তিনিকেতন; বাংলা আমার; সহচিন্তন; বিচলিত বিবেচনা; চুপ! গণতন্ত্র চলছে...; ম্যাঙ্গো পিপল উবাচ; সহস্রক; রমণীমন; রাজরূপসী; নারীঘটিত; সাহিত্যে ও জীবনে রবীন্দ্র-নজরুল। শিশুতোষ: মনপবন; রঙবাহার;এফফেনতি; উপকথন; উপকথন আরও; উপকথন আবারও; উপকথন ফের; উপকথন তেপান্তর; উপকথন চিরদিনের; ইউএফও: গ্রহান্তরের আগন্তুক; সাগরপার; মহাবীর হারকিউলিস; জানা-অজানা বাংলা; তেনালি রামন। ভাষান্তর: লাভ স্টোরি; রসচৈনিক। স্মৃতিকথা: নানা রঙের দিন। সম্পাদনা: শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা; দুষ্প্রাপ্য প্রবন্ধ; এই সময়ের কবিতা; এই সময়ের কবিতা ২০১৪; এই সময়ের কবিতা ২০১৫; শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের প্রেমের কবিতা।

Comments

  1. ahchanchal says:

    পরবর্তী সংখ্যা বা লেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকলাম…