ইজরায়েলি ইতিহাসবিদ ও হিব্রু ইউনিভার্সিটি অফ জেরুজালেমের প্রফেসর ইউভাল নোয়াহ হারারি’র নতুন বই ‘টুয়েন্টি ওয়ান লেসন্স ফর দ্য টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি’ প্রকাশিত হয়েছে এ বছর (২০১৮) ৩০ অগাস্ট। তার আগের দুই বইয়ের মত এ বইটিও নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্ট সেলারের তালিকায় এক নম্বরে জায়গা পেয়েছে।মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস হারারি’র একজন নিয়মিত পাঠক। বইটি নিয়ে গেটসের লেখা এই রিভিউ নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ তারিখে।

টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরিতে সবচেয়ে বড় কোন কোন সমস্যার সামনে আমরা?

বিল গেটস
অনুবাদ: আয়মান আসিব স্বাধীন

হিউম্যান মাইন্ড দুঃশ্চিন্তা করতে চায়। দুঃশ্চিন্তা করা সবসময় খারাপ জিনিস না—এখন ধরেন, কোনো ভাল্লুক ওঁৎ পেতে আছে, তাহলে সেটা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করলে আপনার জীবন বেঁচে যেতে পারে। যদিও আমাদের বেশির ভাগকেই এখন আর ভাল্লুক নিয়ে চিন্তা করে ঘুম হারাম করতে হয় না, তারপরও আধুনিক জীবনে নিজস্ব অনেক টেনশনের কারণ আছে; যেমন সন্ত্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর উত্থান, প্রাইভেসি লঙ্ঘন ইত্যাদি৷ এমনকি বর্তমান বিশ্বে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কমতে থাকাও আমাদের দুঃশ্চিন্তার একটা কারণ।

বিল গেটস

ইতিহাসবিদ ইউভাল নোয়াহ হারারি তার নতুন বই ‘টুয়েন্টি ওয়ান লেসন্স ফর দ্য টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি’তে এসব ভীতি মোকাবেলা করার জন্য একটা দরকারি ফ্রেমওয়ার্ক করেছেন। তার এর আগের বেস্ট সেলার — ‘সেপিয়েন্স’ ও ‘হোমো দিউস’ — বই দুটিতে অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তিনি। সেখানে তার নতুন বইটির বিষয় পুরাপুরি বর্তমান। তিনি বোঝাতে চাচ্ছেন, দুঃশ্চিন্তা করা বাদ দেওয়াই আমাদের উদ্বেগ দূর করার কৌশল নয়। বরং কোন জিনিস নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করতে হবে এবং কতটুকু করতে হবে, সেটা জানাই আসল পদ্ধতি। যেমন বইয়ের ভূমিকায় তিনি বলেছেন: “বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলি কী কী? কীসের প্রতি আমাদের মনোযোগ দেওয়া দরকার? আমাদের বাচ্চাদের আমরা কী শিক্ষা দেব?” এসব প্রশ্নের ব্যাপকতা নিয়ে অবশ্যই সন্দেহ নেই, সেই সাথে বইটা বিষয়বস্তুর দিক থেকেও ব্যাপক। মানুষের কাজকর্ম, যুদ্ধ, জাতীয়তাবাদ, ধর্ম, ইমিগ্রেশন, শিক্ষা ও আরো ১৫টা ভারি ভারি টপিক নিয়ে আলাদা সব চ্যাপ্টার আছে বইটিতে। কিন্তু বইয়ের নামকরণ যথার্থ হয় নাই। এর বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ‘লেসন’ আছে, তবুও হারারি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সহজ কোনো প্রেসক্রিপশন দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। তিনি বরং আলোচনার ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং সেসবের ঐতিহাসিক ও দার্শনিক পটভূমির সাথে আপনাকে পরিচিত করিয়ে দেওয়াতে বেশি আগ্রহী।

আরো পড়ুন: ইউভাল নোয়াহ হারারি’র ‘স্যাপিয়েন্স’ প্রসঙ্গে বিল গেটস

যেমন, তিনি বুদ্ধিমানের মত একটা ‘থট এক্সপেরিমেন্ট’ (চিন্তা পরীক্ষা) ব্যবহার করে জোর দিয়ে দেখিয়েছেন, একটা বৈশ্বিক সভ্যতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মানুষ কত দূর আগাতে পেরেছে। তিনি বলেন, ধরেন ১০১৬ সালে আপনি একটা অলিম্পিক গেমসের আসর আয়োজন করতে চান, পরিষ্কারভাবেই বোঝা যাচ্ছে যে ব্যাপারটা অসম্ভব। এশিয়ান, আফ্রিকান আর ইউরোপিয়ানরা তখনও জানে না বৃহত্তর আমেরিকার কোনো অস্তিত্ব আছে। চীনের সং ডাইনেস্টি তখনও ভাবতেই পারে নাই পৃথিবীর অন্য কোনো রাজনৈতিক সত্তা তাদের সমতুল্য হবার কাছাকাছিও যেতে পারে। এমনকি অনুষ্ঠানে ওড়ানোর মত নিজস্ব কোনো পতাকা বা গাওয়ার মত জাতীয় সঙ্গীত তখনও কারো নেই।

এখানে পয়েন্টটা হল, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে বর্তমানে যে প্রতিযোগিতা বিদ্যমান — তা খেলার মাঠ বা বাণিজ্যের ময়দান যেখানেই হোক — সেটা “আসলে বিস্ময়কর এক বৈশ্বিক সমঝোতাই তুলে ধরে।” আর সেই বৈশ্বিক সমঝোতা কিন্তু সহযোগিতা করার পাশাপাশি প্রতিযোগিতা করাকেও সহজ করে দেয়। পরের বার যখন আপনার মনে এমন কোনো সন্দেহ দেখা দিবে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের মত বৈশ্বিক একটা সমস্যার সমাধান আমরা আদৌ করতে পারব কিনা, তখন এই বিষয়টা মাথায় রাখবেন। আমাদের বৈশ্বিক সহযোগিতা হয়ত গত দুই বছরে দুই কদম পিছিয়ে এসেছে, কিন্তু তার আগে আমরা কয়েক হাজার কদম সামনে এগিয়েছি ঠিকই।

টুয়েন্টি ওয়ান লেসন্স ফর দ্য টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি (২০১৮)

তাহলে এরকম কেন মনে হয় যে, পৃথিবী ধীরে ধীরে শুধু পেছনের দিকেই যাচ্ছে? মূলত দুর্ভাগ্য ও দুর্দশাকে অামরা অনেক কম গ্রহণ করতে চাই বলে এমনটা মনে হয়। তারপরও প্রতি বছর বিভিন্ন যুদ্ধে প্রাণ হারানো মানুষদের উপর আমরা ফোকাস করি যদিও বিশ্বে ভায়োলেন্সের পরিমাণ অনেক কমে গেছে। কারণ অবিচারের প্রতি আমাদের ক্ষোভ বেড়ে গেছে, আর তেমনটাই হওয়া উচিৎ। দুঃশ্চিন্তার আরেকটা কারণ নিয়েও হারারি আলাপ করেছেন: দিনকে দিন জটিল হতে থাকা এই পৃথিবীতে সচেতন সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার মত যথেষ্ট তথ্য আমরা কীভাবে পাব? এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়ার প্রসঙ্গ সহজেই উঠতে পারে, কিন্তু তারাও যে গড্ডলিকা প্রবাহে যোগ দেন নাই তা বুঝবেন কীভাবে?

“গ্রুপথিংক এবং ব্যক্তিগত অজ্ঞতার সমস্যা শুধু সাধারণ ভোটার ও ভোক্তাদেরই বাধাগ্রস্ত করে না,” লিখেছেন হারারি, “এমনকি প্রেসিডেন্ট এবং সিইও’দেরকেও সঙ্কটে ফেলে দেয়।” মাইক্রোসফট ও গেটস ফাউন্ডেশন — এ দুই জায়গায় নিজের কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে কথাটিকে সঠিক বলেই মনে হয়েছে আমার। কোনো কিছুর প্রকৃত অবস্থা ঠিক যে রকম, সেটাকে তার চাইতে বেশি ভাল বা খারাপ মনে করার বোকামি থেকে খুবই সতর্ক থাকতে হয় আমাকে।

তো এসবের ব্যাপারে আমাদের করণীয় কী বলে মনে করেন হারারি? বইটাতে ব্যবহারিক কিছু পরামর্শ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এর মধ্যে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা করার জন্য ত্রিমুখী একটা পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে, আর ভুয়া নিউজ সামলানোর জন্য দেওয়া আছে কিছু টিপস। তবে হারারির মেইন আইডিয়া শেষ পর্যন্ত ‘মেডিটেশন’-এ এসেই ঠেকেছে। তিনি অবশ্যই বলতে চাচ্ছেন না যে আমাদের মধ্য থেকে যথেষ্ট সংখ্যক মানুষজন পদ্মাসনে বসে “ওম” আওড়ানো শুরু করলেই বিশ্বের সব সমস্যা দূর হয়ে যাবে। তবে একথা তিনি ঠিকই জোর দিয়ে জানাচ্ছেন যে একুশ শতকের জীবন আমাদের কাছ থেকে মনোযোগিতা দাবি করে। আমরা যেন নিজেদেরকে আরো ভালো করে বুঝতে পারি, এবং কীভাবে আমরা নিজেরাই নিজেদের জীবনকে যন্ত্রণাময় করে তুলতে ভূমিকা রাখছি তা আরো ভালো করে দেখতে পারি। এ ব্যাপারটাকে চাইলে সহজেই ব্যঙ্গ করা যায়। কিন্তু মেডিটেশন ও মাইন্ডফুলনেসের ওপর কোর্স করতে থাকা একজন ব্যক্তি হিসেবে তার এ পরামর্শ আমার কাছে জোরালো বলে মনে হয়েছে।

যদিও হারারিকে আমি অনেক পছন্দ করি আর ‘টুয়েন্টি ওয়ান লেসন্স’ খুব এনজয় করেছি আমি, তারপরও বইটার সবকিছুর সাথে আমি একমত হই নাই। ‘অসাম্য’ নিয়ে চ্যাপ্টারটা দেখে খুশি হয়েছি। কিন্তু একুশ শতকে বাকিদের থেকে ধনীদেরকে আলাদা করার জন্য “সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হবে ডেটা, যা কিনা সম্পদ হিসেবে ভূমি এবং যন্ত্র উভয়ের গুরুত্বকেই ম্লান করে দিবে” — তার এ ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। ভূমি সবসময়ই বিশাল গুরুত্ব পাবে, বিশেষ করে পৃথিবীর জনসংখ্যা যেহেতু প্রায় ১০ বিলিয়নের কাছাকাছি চলে যাচ্ছে। এদিকে মানুষের প্রধান যে সকল উদ্যোগের ক্ষেত্র রয়েছে — যেমন ফসল বা শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া — সেসবের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা আরো বেশি সহজলভ্য হয়ে উঠবে। কেবল তথ্য থাকলেই কেউ প্রতিযোগিতায় সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যাবে তা না, সেই তথ্য দিয়ে কী করতে হবে তা জানাটাই মুখ্য।

একইভাবে, ডেটা এবং প্রাইভেসি নিয়ে হারারির আলোচনায় আমি আরো সূক্ষ্মতা দেখতে চেয়েছিলাম। অন্য যে কোনো সময়ের চাইতে বর্তমানে ব্যক্তি সম্পর্কে অনেক বেশি তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, হারারির এ পর্যবেক্ষণ অবশ্যই সঠিক। কিন্তু কী কী ধরনের ডেটা সংগ্রহ করা হচ্ছে — যেমন আপনি কোন ধরনের জুতা কিনতে পছন্দ করবেন সেই তথ্যের বিপরীতে আপনি জিনগতভাবে কোন ধরনের রোগপ্রবণ সে সম্পর্কিত ডেটা — কারাই বা সে সব ডেটা সংগ্রহ করছে কিংবা কীভাবে সে সমস্ত ডেটা ব্যবহার করা হচ্ছে, এগুলির মাঝে তিনি কোনো পার্থক্য দেখান নাই। আপনার শপিং হিস্ট্রি আর মেডিকেল হিস্ট্রি তো আর একই লোকজন সংগ্রহ করছে না; সে সব যেমন একই নিরাপত্তা বলয়ের সাহায্যে রক্ষা করা হচ্ছে না, তেমনি একই উদ্দেশ্যে ব্যবহারও করা হচ্ছে না। এই পার্থক্যটি শনাক্ত করতে পারলে তার আলোচনাটি আরো সচেতনতামূলক হতে পারত।

কমিউনিটি নিয়ে যে চ্যাপ্টারটা আছে সেটা থেকেও আমি তেমন তৃপ্তি পাই নাই। হারারি বলতে চান যে, সোশাল মিডিয়া মানুষকে নিরাপদে গুটিয়ে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে; ফলে ইউজাররা কেবল তাদের সাথেই বাতচিৎ করে যারা নিজেদের মতামত জানান দেয়। এভাবে ফেসবুকসহ নানান সোশাল মিডিয়া রাজনৈতিক মেরুকরণে (পলিটিক্যাল পোলারাইজেশন) ভূমিকা রেখেছে। খুবই ন্যায্য একটা প্রসঙ্গ, কিন্তু এর মধ্য দিয়ে তিনি পৃথিবী জুড়ে আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধবের সাথে সংযুক্ত থাকার সুবিধাগুলিকে খাটো করে দেখলেন। আবার, ফেসবুক একাই মেরুকরণের সমস্যাটির সমাধান করতে পারবে কিনা — এ প্রশ্ন করার মাধ্যমে তিনি একটি ‘স্ট্র ম্যান‘ও [স্ট্র ম্যান: তর্ক বিতর্কের একটা সাধারণ রূপ যেখানে প্রতিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের ভান করা হয় প্রতিপক্ষ যেই যুক্তি অাদৌ টানেন নাই তার ভিত্তিতে। যিনি এ রকম ফ্যালাসির আবতারণা করেন তাকে বলা হয় তিনি “স্ট্রম্যানকে আক্রমণ করছেন।”] তৈরি করেছেন। এককভাবে অবশ্যই ফেসবুক এ সমস্যা দূর করতে পারবে না। কিন্তু এ সমস্যার মূল কতটা গভীরে, তা চিন্তা করলে এটা তো অবাক করার মত কোনো তথ্য না। সরকার, নাগরিক সমাজ ও প্রাইভেট সেক্টর — সবারই নিজস্ব ভূমিকা আছে এতে, সেগুলি নিয়ে হারারি আরও কথা বললে ভালো হত।

তবে হারারি এতটাই আগ্রহোদ্দীপক একজন লেখক, আমি যখন তার সাথে একমত হচ্ছিলাম না তখনও তার লেখা পড়তে ইচ্ছা করছিল। মনে হচ্ছিল বিষয়গুলি নিয়ে চিন্তা চালিয়ে যাই। তার তিনটা বইয়ের সবগুলিই একই প্রশ্নের বিভিন্ন ভার্শনের উত্তর জানার চেষ্টা করে: ভবিষ্যতের দশক ও শতকগুলিতে কোন জিনিসটা আমাদের জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তুলবে? ইতিহাসের ধারায় মানুষ আরও সুখী ও স্বাস্থ্যকর একটা জীবন কাটানোর আশায় এবং নিজেদের বেঁচে থাকার সময়কালকে আরও বাড়িয়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা থেকেই নিজেদের চালিকা শক্তি পেয়ে এসেছে। বিজ্ঞান যদি শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষকে সেই স্বপ্ন সত্যি করার সুযোগ দিয়ে দেয়, এবং মানুষের একটা বিশাল অংশের যদি খাদ্য ও বস্ত্রের জন্যে আর কাজ করার দরকার না পড়ে, তাহলে প্রতিদিন সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার তাড়না কোথা থেকে পাব আমরা?

হারারি যে এখনো এর কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেন নাই, এটা বললে তার কোনো সমালোচনা করা হয় না। কারণ অন্য কেউই তা দিতে পারেন নাই। কাজেই আমি আশা করছি তিনি ভবিষ্যতে আরো পূর্ণাঙ্গভাবে এ প্রশ্নের কাছে ফিরে যাবেন। তবে এই ফাঁকে একুশ শতকের সমস্যাগুলি মোকাবেলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বৈশ্বিক আলোচনার বন্দোবস্ত করে দিলেন তিনি।

সূত্র. দি গেটস নোটস

Facebook Comments

জন্ম. ঢাকা। লেখক ও অনুবাদক। ঢাকা ইউনিভার্সিটির ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে পড়ছেন।
বই. সিনে-লয়েড (২০১৭, চৈতন্য)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here