page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
ব্লগ

আদা জুস

আদা জুস করার জন্য গাজর, কমলা বা আপেলের সঙ্গে ফ্রেশ আদা নিন। খোলা জায়গায় রাখলে আদা ফ্রেশ থাকে না, শুকিয়ে যায়। ফ্রেশ আদার জন্য ভাল হচ্ছে বাজার থেকে কেনার পর প্লাস্টিকের কাগজে মুখ বন্ধ করে ফ্রিজে রেখে দেওয়া। এবং প্রয়োজনের সময় বের করা।

—রক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা দারুণ কার্যকর।—

যা যা লাগবে:

কমলা – ৩টা

আদা – ১ ইঞ্চি পরিমাণ

গাজর – ৩টা

আপেল – ২টা

পুদিনা পাতা – অল্প পরিমাণ

ফলের কুচি – পরিমাণ মত

প্রয়োজনীয় টুলস:

ছুরি ও চপিং বোর্ড

সিটরাস জুস

জুসার

গ্লাস

সিটরাস জুসার

যেভাবে করবেন জিনজার জুস

কমলা প্রস্তুত

প্রথমে কমলা কেটে দুই ভাগ করতে হবে। এমন ভাবে ভাগ করবেন যাতে কমলার রস সিটরাস জুসার দিয়ে বের করা যায়।

আদা প্রস্তুত

১ ইঞ্চি আদা, গাজর ও আপেল পিস করুন এমন ভাবে যাতে জুসারে পিসগুলি ফিট হয়ে যায়।

এখন এক এক করে কাটা ফলগুলি জুসার মেশিনে দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। জুস তৈরি হয়ে গেলে গ্লাসে ঢেলে পুদিনা পাতা  কুচি ও কেটে রাখা ফলের পিসগুলি দিয়ে দিন। এখন পরিবেশন করুন।

আদা জুসে আপেল না দিলেও চলবে। আদার ঝাঁজ কমানোর জন্যে এই জুসে অন্য ফলের ব্যবহার।

– আদার উপকার –

আদা রান্না অথবা কাঁচা দু’ভাবেই খাওয়া যায়। গলার খুসখুসে ভাব কমাতে কাঁচা আদা উপকারী। ঠাণ্ডা কিংবা খেলার মধ্যে হাঁপিয়ে উঠলে আদা খাওয়া যায়। আদা কাশি কমাতে সহায়ক। আদায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। এ ছাড়া আছে যথেষ্ট পরিমাণ আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মতো খনিজ পদার্থ। জিঙ্ক এবং ম্যাঙ্গানিজও আছে সামান্য।

আর্থারাইটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রেও ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে আদা। এ ছাড়া চুল পড়া বন্ধ করে ও বমিরোধক হিসেবেও আদা উপকারী। রক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা দারুণ কার্যকর। রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে খেলে বাড়বে হজমশক্তি। আমাশয়, জন্ডিস ও পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

 

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক
সাম্প্রতিক ডেস্ক