page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
ব্লগ

“আমার উচ্চতা নিয়ে কখনোই কোনো সমস্যা হয় নাই।” — লিওনেল মেসি

messi-cov-1

লিওনেল আন্দ্রেস মেসি সংক্ষেপে লিও মেসি (জন্ম ২৪ জুন, ১৯৮৭) আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবলার। স্পেনিশ ফুটবল ক্লাব এফসি বার্সেলোনাতে ফরওয়ার্ড হিসেবে খেলেন। বর্তমানে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় মনে করা হয় তাকে এবং কেউ কেউ তাকে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় মনে করেন। সেন্ট্রাল আর্জেন্টিনাতে জন্মগ্রহণ করেন মেসি এবং ছোটবেলা থেকেই শারীরিক বৃদ্ধি সংক্রান্ত হরমোনের অভাবে ভুগেছেন। ১৩ বছর বয়সে স্পেনে চলে আসেন। বার্সেলোনা তার চিকিৎসার খরচ বহন করতে সম্মত হয়।

সাক্ষাৎকারগ্রহীতা ব্রিটিশ কলামিস্ট ও সাংবাদিক সাইমন ‘সিড’ লোউ (জন্ম. লন্ডন, ইংল্যান্ড ১৯৭৬) স্পেনের মাদ্রিদে থাকেন। প্রকাশনা, টেলিভিশন চ্যানেল, রেডিও স্টেশন ও ফুটবল সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে স্পেনিশ ফুটবল নিয়ে লিখে থাকেন তিনি। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ওয়ার্ল্ড সকার এর জন্যে এই সাক্ষাৎকারটি নেন সিড লোউ।


লিওনেল মেসি’র সাক্ষাৎকার

সাইমন ‘সিড’ লোউ

অনুবাদ: সাবিদিন ইব্রাহিম


সিড লোউ

ফুটবল নিয়ে আপনার প্রথম স্মৃতি কোনটা?

লিওনেল মেসি

আমার প্রথম স্মৃতি একেবারে ছোটবেলার। সেটা হয়তো তিন-চার বছর বয়সের দিকে হবে। বাসার পাশেই খেলছিলাম। খুব ছোট বয়স থেকে আমার পায়ে ফুটবল, এমন দৃশ্য আমি মনে করতে পারি।

সিড

আপনি কি তখন থেকেই প্রতিপক্ষের ফাউল ও হামলা থেকে বাঁচার পদ্ধতি শিখে ফেলেছিলেন?

মেসি

আমি আসলে একই স্টাইলের খেলা খেলে এসেছি। আমাকে কেউ আঘাত করছে এটা নিয়ে চিন্তিত নই।

messi-3

লিওনেল মেসি, জুন ২২, ২০১৬

সিড

বার্সেলোনার প্রথম দিনগুলোতে সুখের স্মৃতি বা দুঃখের স্মৃতি কেমন?

মেসি

আসলে দুইটাই আছে। বার্সেলোনাতে এসে আমি খুব খুশির মধ্যে থাকতাম। নতুন নতুন সব অভিজ্ঞতা হতো।  নিজের লোকদের ছেড়ে এত দূরে থাকাটা বেশ কষ্টদায়ক ছিল। নতুন করে সব কিছু শুরু করতে হচ্ছিল; দলে নতুন সদস্য, নতুন বন্ধু। প্রথম দিকে আবার ইনজুরি আর আইনি ঝামেলার কারণে খেলতে পারছিলাম না। শুরুটা আসলেই খুব কঠিন ছিল।

সিড

তখন আপনার আইডল কারা ছিলেন ?

মেসি

আইমারকে (পাবলো আইমার) আমার সবসময় ভালো লাগতো। সে আসছিল রিভার থেকে, আমি তাকে বেশ ফলো করতাম।

সিড

আপনি যে ছোট সে কারণে মানুষের সাথে কি কোনো সমস্যা হতো?

মেসি

না, আমার উচ্চতা নিয়ে কখনোই কোনো সমস্যা হয় নাই। আমার দলে বা স্কুলে সব জায়গাতেই আমি ছিলাম সবচেয়ে ছোট বাচ্চা।

সিড

টিটো ভিলানোভা বার্সেলোনার দায়িত্ব নেওয়ার আগে, আপনার ১৩-১৪ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত তো দলে নিয়মিত জায়গা পেতেন না। আপনার কি ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছে হয় নাই?

মেসি

না, কখনোই হয় নাই। সবসময় আমি আমার ট্রেনিং আর পরিশ্রম চালু রাখতে চাইতাম। আমার দৌড় ছিল স্বপ্নের পেছনে। আমি ভাগ্যবান যে টিটো আসার পরে আমি প্রচুর খেলার সুযোগ পেতাম। তরুণদের দলে আমার ক্যারিয়ার পাল্টে যেতে লাগল।

সিড

টিটো কি আপনার কাছে আগের মতোই?

মেসি

ক্যাডেট টিমে তিনি আগে যেমন ছিলেন এখনও তেমনই আছেন। আমি তখন অনেক ছোট ছিলাম তাই সবকিছু এখন আর মনে নাই। তবে তিনি আছেন আগের মতোই। আগে আমাদের সাথে যেমন ব্যবহার করতেন এখনো সেটাই করেন।

সিড

আপনি কি আগের মতোই খেলেন যেমনটা খেলতেন ফলস নাম্বার নাইন হিসেবে?

মেসি

না, সিস্টেমটা আলাদা আসলে। আমরা একজন স্ট্রাইকার নিয়ে খেলতাম এবং আমি তার পেছনে খেলতাম। পাশে থাকতো দুজন উইংগার। আমি ছিলামমিডিয়াপান্তা বা প্লেমেকার। দলে এখন ফলস্ নাইন হিসেবে খেলার সুযোগ নাই কারণ এখন সিস্টেমটা পাল্টে গেছে।

সিড

আপনার এই খেলার স্টাইল কি বার্সেলোনার শিক্ষার ফল?

মেসি

এফ সি বার্সেলোনার ইয়ুথ একাডেমি। ১৩ বছর বয়সে বাপমা ছেড়ে একাডেমিতে ভর্তি হন মেসি।

এফ সি বার্সেলোনার ইয়ুথ একাডেমি। ১৩ বছর বয়সে বাপমা ছেড়ে একাডেমিতে ভর্তি হন মেসি।

আমার খেলার স্টাইল সবসময় এক রকমই ছিল। কোনো নির্দিষ্ট স্টাইল আমি নিয়ে আসার চেষ্টা করি নাই। খুবই অল্প বয়স থেকেই এভাবে খেলছি। এটা অবশ্যই সত্য যে যুব বিভাগ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। এখানে যেভাবে খেলেছি সেটা ভিন্ন। বল অনেকক্ষণ ধরে রাখার বিষয় ছিল এবং কৌশলের ব্যাপারটাতে অনেক কাজ করতে হতো। আমি যেখান থেকে এসেছি সেই আর্জেন্টিনায় আমরা তেমনটা করতাম না। সেখানে বিষয় ছিল খালি দৌড়ানোর, তার বাইরে আর কিছু না।

সিড

সেস ফেব্রিগাসের সাথে আবার খেলছেন। সে তো যুববিভাগে আপনার সাথে খেলেছিল। আপনাদের মাঝে কি ভালো বোঝাপড়া আছে?

মেসি

আমরা একে অন্যকে ভালো বুঝি এবং ভালো চিনি। যে স্টাইলে সেস খেলে সে কারণে তার সাথে খেলা খুবই সহজ। খেলার মাঠে বা ট্রেনিং-এ আমাদের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া।

সিড

বার্সেলোনার প্রথম দলে প্রথমবারের মতো খেলেছিলেন সিজনের আগে সেই জোয়ান গ্যাম্পার ট্রফিতে। ফ্যাবিও কাপেলো আপনাকে নিয়ে বলেছিলেন—‘একটা ক্ষুদে শয়তান’…

মেসি

তার কাছ থেকে এমন কথা শোনা ছিল সত্যিই অসাধারণ। কোচ হিসাবে তিনি অনেক ম্যাচ জেতেন। আমাকে নিয়ে তার সে কথাটি আসলেই খুব সুন্দর ছিল।

সিড

লীগে যখন আপনার অভিষেক হচ্ছিল তখনই পাসপোর্ট ঝামেলায় পড়েছিলেন…

মেসি

সেটা খুব কঠিন সময় ছিল। ভাগ্যক্রমে দ্রুত চলে গেছে সেই সময়। আমি আসলে খেলতে চাচ্ছিলাম। আমাকে দলে নেওয়া হলো কিন্তু তারা বললো নেওয়া যাবে না। আমি বুঝতে পারছিলাম না কেন আমি খেলতে পারবো না।

সিড

কেন ডেকো ও রোনালদিনহো আপনাকে তাদের উইংয়ে নিলো বলে মনে করেন?

মেসি

আমি জানি না। শুরু থেকেই তাদেরকে আমার পাশে পাওয়া ছিল ভাগ্যের ব্যাপার। আমি সারাজীবন তাদেরসহ থিয়াগো মোত্তা ও সিলভিনহোর কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো।

সিড

তখন দলটার কী হয়েছিল? এটা এত দ্রুত ভেঙে পড়েছিল কেন?

মেসি

আমি আসলে জানি না ঘটনাটা কী ছিল। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর সাথে চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনালে হারলাম, তারপর রিয়াল মাদ্রিদের কাছে গোল ব্যবধানে লীগটা হারলাম। আমি সত্যিই জানি না কী ঘটেছিল। কিন্তু এটা আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছিল যেন এমনটা আর না ঘটে।

সিড

এখন আপনি আপনার ডায়েটের ব্যাপারে খুব সচেতন। এমন কোনো খাবার আছে যেটা মিস করেন কিন্তু খেতে পারছেন না?

মেসি

আমার ডায়েট নিয়ে খুব কথাবার্তা হয়। লোকে যেমন বলে আসলে ততটা চেন্জ আমি আনি নাই। আগে যেমনটা খেতাম এখনো অনেকটা তেমনই খাই। অবশ্য আমি এখন এমন জিনিস খাচ্ছি যেটা আগে খেতাম না, যেমন মাছ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সব এক রকমই আছে।

সিড

ইদানিং আপনি বেশি গোল করাচ্ছেন, নিজেও করেন। আপনার খেলা কি পাল্টেছে? আপনি কি আগে একটু বেশি ব্যক্তিকেন্দ্রিক ছিলেন, অনেকটাচুপন বা বল পাগলা?

মেসি

আমি নিজেকে কখনো লোভী বা বল পাগলা মনে করি নাই। যদিও কিছু লোক সেটা ভাবে। আমি খেলোয়াড় হিসেবে বড় হয়েছি এবং তাদের কাছ থেকে শিখেছি যারা আমার উন্নতির জন্য সাহায্য করেছে।

সিড

আপনার এই অবস্থানের চাপ কীভাবে নেন, এই যে খ্যাতি আর প্রশংসার বন্যা? আপনি কি আত্মসমালোচনা করেন?

মেসি

হা, অনেক। আমি আমার নিজের সমালোচনা করি অন্য অনেকের চেয়ে বেশি। আমি জানি আমি কখন ভালো এবং কখন খারাপ। আমাকে আসলে কারো বলার দরকার পড়ে না। আমি মাঠে কী করি সেটা দেখলেই বুঝতে পারি। আমাকে কিছু্ই বলার দারকার নাই।

সিড

আপনি বলটা পেলে কী কী করা যায় তার অপশন ঠিক করে নেন নাকি খেলাটা স্বতঃস্ফূর্তই থাকে?

মেসি

প্রতিপক্ষের গোলবারে যেতে যেই সেরা জিনিসটা দিতে হবে আমি সবসময় সেটা দেওয়ার চেষ্টা করি। স্বাভাবিকভাবে সেখান থেকেই সবকিছু চলে আসে।

সিড

খেলাতে ফুটবল এর বিভিন্ন দিকের সাথে সাথে আপনি কি শারীরিক চেষ্টাও চালান। জিমে কি বেশি সময় কাটান?

মেসি

আমি আমার দুর্বল জায়গা নিয়ে কাজ করি, ইনজুরি ঠেকানোর চেষ্টা করি এবং নিজের সেরাটাতে থাকতে চাই। আমি আমার দেখাশুনা করি কিন্তু তার মানে এই না যে আমি আমার সারা জীবন জিমে কাটাতে চাই। আমি আসলে এই জিনিসের ভক্ত না।

সিড

নিজ দলের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে কী শিখেছেন? তাদের এমন কোনো স্কিল যেটার জন্যে আপনার ঈর্ষা হয়? যেমন জাভি…

স্ত্রী ও দুই ছেলে সহ মেসি।

স্ত্রী ও দুই ছেলে সহ মেসি।

মেসি

সে অনেক বড় খেলোয়াড়। সে কখনো বল হারায় না। তার দূরদৃষ্টি আছে এবং ম্যাচটা পড়তে পারে ভালো। সে খেলার গতি ও ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করে..

সিড

এবং আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা?

মেসি

সে ও তেমন। আন্দ্রেসের গোল করার সক্ষমতা হয়তো বেশি। ভেতর থেকে এসে অনেক দূর পর্যন্ত দৌড়ায়। তবে দুজনের মধ্যে অনেক মিল। আন্দ্রেসেরও দূরদৃষ্টি প্রখর এবং সে যখন ফর্মে থাকে পুরো দল তাকে কেন্দ্র করে ঘোরে। সে আর জাভি মাঠে থাকলে দলের আর কেউ সহজে বল পায় না।

সিড

শুধু যে পেনাল্টি এরিয়া এমনটা না, আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি আরও গভীরে থেকে খেলেন এবং খেলাটার অগ্রগতিতে যুক্ত হয়ে পড়ছেন। এটা কি সচেতন পরিবর্তন?

মেসি

এটা আসলে খেলার উপর নির্ভর করে। আমি একটু গভীরে চলে আসি যাতে বলটা পাই। এবং সেখান থেকে মাঝ মাঠের খেলোয়াড়দের সাথে মিলে খেলার চাল দিতে চাই। আমি আসলে আর সব মিডফিল্ডারদের মতো না। প্রতি মুহূর্তে দলের কী লাগবে সে অনুসারে আমি কাজ করি।

সিড

লোকে এই রকম বলে যে আপনি যদি কখনো ম্যাচে হারেন, সেটা যদি ট্রেনিং ম্যাচও হয়, ভালো হচ্ছে আপনার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা না করা। হারলে কি আসলেই এতটা ক্ষেপে থাকেন?

মেসি

সাক্ষাৎকারগ্রহীতা ব্রিটিশ কলামিস্ট ও সাংবাদিক সাইমন ‘সিড’ লোউ (জন্ম. লন্ডন, ইংল্যান্ড ১৯৭৬) স্পেনের মাদ্রিদে থাকেন। প্রকাশনা, টেলিভিশন চ্যানেল, রেডিও স্টেশন ও ফুটবল সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে স্পেনিশ ফুটবল নিয়ে লিখে থাকেন তিনি।

সাক্ষাৎকারগ্রহীতা ব্রিটিশ কলামিস্ট ও সাংবাদিক সাইমন ‘সিড’ লোউ (জন্ম. লন্ডন, ইংল্যান্ড ১৯৭৬) স্পেনের মাদ্রিদে থাকেন। প্রকাশনা, টেলিভিশন চ্যানেল, রেডিও স্টেশন ও ফুটবল সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে স্পেনিশ ফুটবল নিয়ে লিখে থাকেন তিনি।

এটা আসলে ড্রেসিংরুমের আর সব খেলোয়াড়দের জন্যেও একই। আপনি যখন হারবেন তখন আহত থাকবেন। এটা একটা ভালো দিক। কারণ আমরা সবাই জিততে চাই, হউক না সেটা ট্রেনিং ম্যাচ। তার মানে আমাদের জেতার ক্ষুধা কমে না।

সিড

পেপ গোয়ার্দিওয়ালা চলে যাওয়ার পর আপনি কি দলে নেতার ভূমিকা নিচ্ছেন?

মেসি

আমি আগের মতই আছি। প্রত্যেকেই তার নিজের ভূমিকা সম্পর্কে জানে। ড্রেসিংরুমে এমন লোকেরা আছে আসলে যাদের কোনো নেতা লাগে না। আমি এখনো আগের মতই ভূমিকা রাখছি।

সিড

আপনার পরবর্তী চ্যালেন্জ তাহলে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ…

মেসি

হা। বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে সর্বোচ্চ উপহার। এবং ব্রাজিলে জেতাটা আরও বড় ব্যাপার।

সিড

পেলে, দিয়েগো ম্যারাডোনা। লোকেরা বলাবলি করছে আপনি হয়তো সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়…

মেসি

আমি প্রতিদিন উন্নতি করার চেষ্টা করি। আসলে সত্যিই এটা মুগ্ধতার যে আমাকে তাদের মতো খেলোয়াড়দের সাথে তুলনা করা হচ্ছে। অবসরে চলে যাওয়ার অনেক পরেও মানুষ তাদেরকে নিয়ে কথা বলে। নিজেকে নিয়ে আমি আসলে সেভাবে ভাবি না। নিজেকে আরও ভালো করা যায় কীভাবে সেটা নিয়ে সবসময় ভাবি। ক্যারিয়ার শেষ হলে আমি ভাববো কী করতে পেরেছি তা নিয়ে। তারপর লোকে মূল্যায়ন করুক।

ভালেনসিয়াকে সুযোগ না দিয়ে অ্যাক্রোবেটিক ভাবে ফুটবলে কিক করছেন মেসি। ছবি. ১৫ এপ্রিল ২০১৫

ভালেনসিয়াকে সুযোগ না দিয়ে অ্যাক্রোবেটিক ভাবে ফুটবলে কিক করছেন মেসি। ছবি. ১৫ এপ্রিল ২০১৫

সিড

আপনি মাত্র প্রথমবারের মতো বাবা হলেন। আপনার ছেলে থিয়াগো যদি রিভার প্লেট বা রোজারিও সেন্ট্রাল এর ফ্যান হয়ে পরে?

মেসি

আমার মনে হয় না এমনটা হবে।

সিড

আপনি কি চান সে একজন ফুটবলার হোক?

মেসি

আমি চাই সে যেটা হতে চায় সেটা হউক। সে যখন বড় হবে তখন নিজেই বুঝতে পারবে সে কী হতে চায়। আমি সেটাতেই খুশি হবো, এমনকি তার মাও সেটাতেই খুশি হবে।

About Author

সাবিদিন ইব্রাহিম
সাবিদিন ইব্রাহিম

লেখক ও অনুবাদক। জন্ম ১৯৮৭ সালের ১৫ নভেম্বর। ইংরেজিতে কবিতা লেখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও মাস্টার্স শেষ করেছেন। বই: ‘ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস’। বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম (বিডিএসএফ) এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। প্রকাশিতব্য বই (অনুবাদ): সান জু’র ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’।