page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
ব্লগ

জেমস বন্ড ভিলেন রিচার্ড কিয়েলের মৃত্যুতে রজার মুর

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন জেমস বন্ড তারকা রজার মুর তার পর্দার শত্রু আর বাস্তবের বন্ধু রিচার্ড কিয়েলকে স্মরণ করেছেন।

দি স্পাই হু লাভড মি (১৯৭৭) আর মুনরেকার (১৯৭৯) চলচ্চিত্রে এই দুই অভিনেতা একসাথে অভিনয় করেন। তখন থেকে প্রায় ৩ যুগ তাদের বন্ধুত্ব অটুট ছিল। মুর স্মৃতিচারণ করেন, কিয়েল যে স্টিলের দাঁত পরতো সেটি অনেক কষ্টদায়ক ছিলো আর সেই দাঁত পরে ৩৫ সেকেন্ডের বেশি কোনো টেক সে নিতে পারতো না।

কিয়েলের মৃত্যু সম্পর্কে রজার মুরকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বেশ ভেঙে পড়েন। রজার মুর বলেন, এটা আমার জন্য একটি বড় ধাক্কা ছিল, আমি এখনো কিয়েলের মৃত্যু বিশ্বাস করতে পারছি না। গত সপ্তাহেও আমরা একটি রেডিও’তে দেখা করেছি।

রজার মুর ৭৪ বছর বয়সী ৭ ফুট ২ ইঞ্চির এই অভিনেতাকে এক কথায় অসাধারণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, সে ছিল অনেক বেশি যত্নশীল। আমার ইউনিসেফ ক্যাম্পেইনের সময় আমাকে অনেক

সাহায্য করেছে ডোনেশন তোলার ক্ষেত্রে আর প্রচারনায়। তার মন ছিল অনেক উদার।

সাক্ষাৎকারে মুর তার চলচ্চিত্রের বেশ মজার কিছু তথ্য শেয়ার করেন সবার সাথে, প্রথম চলচ্চিত্রে “জস” চরিত্রে কিয়েলকে বেশ মানিয়ে যায় এ জন্যই পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি নেতিবাচক চরিত্রের

প্রস্তাব পায় কিয়েল। দি স্পাই হু লাভড মিতে পরিচালক কিয়েলকে শেষ দৃশ্যের দুটি শট নিতে বলে। একটিতে হাঙর তাকে ধরে ফেলবে আরেকটিতে সে হাঙরকে ধরে ফেলবে। এরপর তাকে নিরপেক্ষ একজন দর্শকের ভূমিকায় চলচ্চিত্রটি দেখার জন্য বলা হয়। কিয়েল নিজেও তার সেই স্টিলের দাঁত পরা চরিত্রে মন্ত্রমুগ্ধ ছিল আর সে এটিও জানত যে এই চরিত্রই তাকে এত বড় মঞ্চে সবার
সামনে পরিচিতি দিয়েছে।

রজার মুর কিয়েলের সাথে অভিনয় করাটাকে তার অভিনয় জীবনের সার্থকতা মনে করেন।

ইউটিউব ভিডিও

তার অভিনয় জীবনে সাফল্যের পেছনে, তার চলচ্চিত্র সফল হওয়ার পেছনে কিয়েলের বড় ভূমিকা আছে বলেই তিনি মনে করেন। মুর বলেন, ভিলেন হিসেবে সে ছিল অসাধারণ। সে এমনই এক ভিলেন ছিল, যার ফেরার জন্য দর্শকরা অপেক্ষায় থাকতো। সে এমনই এক চরিত্র যে কি না টানা দুটি চলচ্চিত্রে কোনো সংলাপ ছাড়াই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল।

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক
সাম্প্রতিক ডেস্ক