page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল
ব্লগ

তরুন মুনশির সাক্ষাৎকার, ২০১৬

কণ্ঠশিল্পী তরুন মুনশি নতুন করে ব্যান্ডদল করেছেন। নাম ‘তরুন ব্যান্ড’। আগে তিনি ‘দ্যা ট্র্যাপ’ ব্যান্ডদলের সঙ্গে ছিলেন। ইন্টারভিউতে তরুন নতুন ব্যান্ড খোলার কারণ এবং নতুন ব্যান্ড নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা বলেছেন। এ ছাড়াও গানের ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

‘দ্যা ট্র্যাপ’ থেকে ‘তরুন ব্যান্ড’

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আল মামুন সোহাগ

আল মামুন সোহাগ: সঙ্গীত জগতে কীভাবে এলেন?

তরুন: সঙ্গীত জগতে আসাটা পারিবারিক ভাবে বলা যায়। কারণ আমার বাবা-মার সাথে গানের একটা সম্পর্ক আছে। দুই পরিবারেই গানের চর্চা ছিল। আর লেখা ও সুর যদি বলি, সেটা আসলে আল্লাহ প্রদত্ত। তবে আমার মনে হইছে যে, আমি যখন গুন গুন করতাম, কোনো গান ভাল লাগার পর হয়ত সেইটার মত করে আমারও ব্যক্তিগত একটা অনুভূতি হত, আমিও গান লিখি। সেটা ছড়াও হইতে পারে।

সোহাগ: নিজের করা প্রথম গান কোনটা? গীতিকার-সুরকার হিসেবে, গায়ক হিসেবে।

তরুন: নিজের করা প্রথম কথা ও সুর রিলিজড অ্যালবাম ‘সাঁনাই’, আগুন ভাইয়ের সলো, আলী আকবর রূপুর সংগীতে, জুয়েল-বাবুও ইনভলব ছিল। মূলত রূপু ভাইয়ের তত্ত্বাবধানেই কাজটা হয়। একটা গানই আমার ছিল ঐ অ্যালবামে, ‘তোমার চোখে’ গানটার শিরোনাম, যদ্দূর মনে পড়ে।

সোহাগ: আর নিজের গাওয়া প্রথম?

তরুন: নিজের গাওয়া প্রথম গান ‘কষ্ট বেচে খাই’, রেকর্ডেড।

সোহাগ: মিক্সড অ্যালবাম ‘সাদাকালো’তে যেটা ছিল?

তরুন: হ্যাঁ।

সোহাগ: গানের অন্যান্য ধারা থাকতে কেন পপ-রক বা আমরা যেটাকে ব্যান্ডসংগীত বলি, এটাকে বেছে নিলেন?

tarun-band-1

প্রাকটিস প্যাডে সেলফি মোমেন্ট।

তরুন: আসলে আমি যখন গানের প্রতি আকৃষ্ট হই তখনকার সময়টা বা গানের ধারাটা, ওইটা কারণ। গানের টিপিক্যাল একটা ধারা থেকে যেমন রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল গীতি, আধুনিক—এর পাশাপাশি পাশ্চাত্যের যে ছোঁয়াটা, ওইটা হয়তো বয়সের কারণে আমাকে অনেক বেশি ইন্সপায়ার্ড করছে। পপসম্রাট আজম খান, উনাকে দেখেও গানের অনেক ইন্সপিরেশন আসছে।

সোহাগ: আজম খানের গানও তো আপনি করেছেন?

তরুন: হ্যাঁ, আজম খানের ‘ব্যস্ত ভবঘুরে’ অ্যালবামটির চারটি গানের কথা-সুর আমার, ইনক্লুডিং ‘ব্যস্ত ভবঘুরে’ মানে টাইটেল সংটা। সঙ্গীত ছিল জুয়েল-বাবুর।

সোহাগ: আপনাকে তো সবাই ‘দ্য ট্র্যাপ’ এর তরুন বলে চেনে। ‘দ্য ট্র্যাপ’ সমন্ধে কিছু বলেন।

তরুন: ‘দ্য ট্র্যাপ’ আসলে আমার দীর্ঘদিনের, প্রায় ১৯৯৫ এর ৮ই ডিসেম্বর আমরা শুরু করি। তার আগে ‘রেইডার্স’ এবং সেটাও স্কুলের ফ্রেন্ডদের নিয়ে, এই ধারাবাহিকতায় স্কুলের ফ্রেন্ডদের নিয়েই ‘দ্য ট্র্যাপ’ শুরু।

সোহাগ: তাহলে ‘রেইডার্স’ হচ্ছে আপনার প্রথম ব্যান্ড?

তরুন: হ্যাঁ। খেপের পরে ‘রেইডার্স’ই আমার প্রথম ব্যান্ড। যখন নিজের কথা ও সুর করে গান গাওয়ার পাগলামি আমার মাথায় আসলো, তখন আলাদা একটা নতুন নামে নতুন কিছু করার জন্যে কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে, সেখানে স্কুলের বন্ধুরাও ইনভলব ছিল, তাদের নিয়ে ‘দ্য ট্র্যাপ’ এর জার্নি শুরু হয়।

সোহাগ: ‘দ্য ট্র্যাপ’ এর অ্যাচিভমেন্ট কী ছিল?

তরুন: অ্যাচিভমেন্ট তো অনেক। প্রথম যে ‘বেনসন অ্যান্ড হেজেস স্টার সার্চ’ হইল, ওটায় আমরা রানার্সআপ ছিলাম। হাজার হাজার ব্যান্ডের থেকে, বা শ’য়ে শ’য়ে ব্যান্ডের থেকে আমরা সেকেন্ড পজিশন পর্যন্ত যে ছিলাম, এইটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া, কারণ অত বড় প্লাটফর্ম আগে আমরা অন্য কোথাও শেয়ার করি নাইবামবার মেম্বারশিপ পাওয়া। অ্যাট এ টাইম ৩টা জিনিস হয়। আমাদের রেকর্ডিং হয়, বামবায় অডিশন দেই, স্টার সার্চে আসি। এই তিনটা অদ্ভুত জিনিস আমার একই সময়ে ঘটে।

সোহাগ: এটা কোন বছরের ঘটনা?

তরুন: এই প্রক্রিয়াটা ‘৯৮ থেকে ‘৯৯ পর্যন্ত।

সোহাগ: ‘দ্য ট্র্যাপ’ এর অ্যালবাম?

তরুন: প্রথম এবং ব্যান্ডের একক অ্যালবাম যেটা, সেটা হচ্ছে ‘ঠিকানা’। এটা ‘৯৭ থেকে ‘৯৯ পর্যন্ত কাজ হয়, ২০০০ এর জানুয়ারির ৩ তারিখে মনে হয় বের হল।

সোহাগ: ‘দ্য ট্র্যাপ’ ব্যানারে কি একটাই অ্যালবাম?

তরুন: হ্যাঁ, আর মিক্সডে অনেক কাজ করেছি।

সোহাগ: মিক্সডে কাজ করেছেন কি সলো, নাকি ‘দ্য ট্র্যাপ’ নামে?

তরুন: ‘দ্য ট্র্যাপ’ নামেই।

সোহাগ: ‘ঠিকানা’ অ্যালবামের উল্লেখযোগ্য গান?

তরুন: ‘ঠিকানা’ অ্যালবামের উল্লেখযোগ্য গান যদি বলি তাহলে, সবার প্রিয় যেটা, আমারও সেটাই, ‘চলে যদি যাবি দূরে স্বার্থপর’। সিগনেচার সং, যেটা আমার আজীবনই গাইতে হবে।


স্বার্থপর – ইউটিউব ভিডিও

সোহাগ: আপনার একক পারফর্মেন্স নিয়ে কিছু বলুন।

তরুন: আমার একক অ্যালবাম প্রথম যেটা, ‘কষ্টের কয়লা’—এটা ২০০৫-এ রিলিজ হয়।

সোহাগ: এ ছাড়া?

তরুন: এর পরে সাউন্ডটেকের ব্যানারে ‘স্বার্থপর’ নামে। ‘স্বার্থপর’ গানটার সাথে আরো কিছু গান নিয়ে ১২টা গানের একটা সংকলন হয়, ওটা সেকেন্ড। আর থার্ডটা আর কি হচ্ছে, কাজ শেষ।

সোহাগ: ইদানিং দেখা যাচ্ছে আপনি ‘তরুন ব্যান্ড’ ব্যানারে পারফর্ম করছেন। ‘দ্য ট্র্যাপ’ ছেড়ে কেন ‘তরুন ব্যান্ড’? দুইটার পার্থক্য কী?

তরুন: দুইটার পার্থক্য, মিউজিকের কিছু চেন্জ তো অবশ্যই হবে। আগে আমাদের যে ভাবনা ছিল আমার কথা ও সুরের উপরে, এখন ভাবনাগুলির বিষয় এবং মাথা চেন্জ হয়ে গেছে। আর ‘দ্য ট্র্যাপ’-এ আমি যে ধরনের কমফোর্ট নিয়ে কাজ করতাম, ‘তরুন ব্যান্ড’-এ একটু অন্য রকম কিছু খোঁজার জন্যই হয়ত এই পরিবর্তন।

tarun-band-4

একটি টিভি চ্যানেলে লাইভ পারফরম্যান্স চলাকালীন তরুন ব্যান্ড।

সোহাগ: ‘দ্য ট্র্যাপ’ কি অফিসিয়ালি ক্লোজড?

তরুন: ‘দ্য ট্র্যাপ’ ক্লোজড কিনা আমি বলতে পারি না। তবে আমার সাথে ‘দ্য ট্র্যাপ’ এর কার্যক্রমটা আমি ২০১৪-এর ১৭ জানুয়ারির পরে আর কন্টিনিউ রাখি নি।

সোহাগ: ‘তরুন ব্যান্ড’-এ ‘দ্য ট্র্যাপ’-এর কারা রয়েছেন আপনার সাথে, এবং অন্য কারা রয়েছেন, সবার যদি একটু পরিচয় দিতেন।

তরুন: ‘দ্য ট্র্যাপ’ এর থেকে ‘তরুন ব্যান্ড’-এ শুধু লিড গিটারে ইমন। এর বাইরে আমার বাল্যবন্ধু, আমার গিটারেরও গুরু, বেজ গিটারে সাইফুল, ‘প্রলয়’ নামের একটা ব্যান্ডে কাজ করে, ওই ব্যান্ডটার সাথেও ইনভলব আছে প্লাস ‘তরুন ব্যান্ড’-এ কি বোর্ডিস্ট হিসেবেও তানভীর বাজাচ্ছে। ড্রামসে এ্যান্টনি, ওর বিভিন্ন জায়গায় বাজানোর প্রোফাইল আছে, লাস্টলি যে ব্যান্ডে বাজিয়েছে সে ব্যান্ডটাও বাংলাদেশে অনেক সম্মানজনক অবস্থানে আছে—‘নোভা’। এখন ও তরুন ব্যান্ডেই শুধু বাজাচ্ছে।

সোহাগ: তরুন ব্যান্ডে তো আপনার কিংবা ‘দ্য ট্র্যাপ’-এর পুরোনো গানও আমরা শুনতে পাচ্ছি। এ বিষয়ে কী বলবেন?

তরুন: আমার ব্যক্তিগত যদি অভিমত হয়, সেটা হচ্ছে ‘দ্য ট্র্যাপ’ বা আমার সলো বা ‘তরুন ব্যান্ড’ সবখানেই আমার কথা ও সুরের উপরেই আমি গান করি। যতদিন ‘দ্য ট্র্যাপে’ গান গাওয়ার দায়িত্বে ছিলাম দলনেতা হিসাবে বা গীতিকার-সুরকার হিসাবে, আমি আমার ওই জায়গাটাতেই শ্রম দিয়েছি। ওই গানগুলি আমার নামেই কপিরাইট করা। আমি তরুন নামেই গাই আর যে নামেই গাই, আমি আমার লেখা, সুর করা গানগুলি আজীবন গাবো, এইটাই আমার চিন্তা। সেটা পুরোনোটাও গাইতে পারি, নতুন যেগুলি হচ্ছে সেগুলি কি গাবো না?

সোহাগ: ‘দ্য ট্র্যাপ’ এর সাথে একটা দীর্ঘ পথচলা আপনার আছে। সেখান থেকে বেরিয়ে যাবার কোনো নির্দিষ্ট কারণ কিংবা অভিমান আছে?

তরুন: না, অভিমান থেকে না। আমি এই নামটা আর ক্যারি করতে চাচ্ছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল যে আমাদের টোটাল টিমের ব্যস্ততার কারণে, আমার ব্যক্তিগত সময় আর তাদের সময়টা না মেলাতে, সমস্যা হচ্ছিল। আমার সময় থেকে আমি যেভাবে গান করতে পারি, ‘তরুন ব্যান্ড’টা আসলে তারই একটা প্রকাশ, আর কিছু না। আমার কাছে নাম আসলে কিছু না।

সোহাগ: নতুন নামের কারণে আপনার অলরেডি গড়া যে ইমেজ আছে, সেটা আবার নতুন করে গড়তে হবে বলে মনে করেন?

তরুন: আমি জানি না আমার ইমেজটা প্রতিষ্ঠিত কিনা। আমি ওইভাবে এটা নিয়ে নিজে কোনো মন্তব্য করবো না। তবে আমার গান যদি মানুষ ‘দ্য ট্র্যাপ’ নামে বা সলো হিসেবে আগে শুনে থাকে, সেটা যদি ভাল হয়, তাইলেই হয়তো তারা সেই গানটার প্রশংসা করছে বা আবার শুনছে। এবারও আমার কথা, সুর, গায়কী, এগুলো মানুষের ভাল লাগলে নামটা কিছুই যায় আসে না।

সোহাগ: ‘তরুন ব্যান্ড’ এই মুহূর্তে কী নিয়ে ব্যস্ত আছে? ব্যান্ড নিয়ে পরিকল্পনা কী?

তরুন: প্রথম পরিকল্পনা যেটা ছিল, তা হলো লাইভ পারফর্মেন্সের জন্য তৈরি হওয়া। কারণ, কন্টিনিউশনের একটা গ্যাপ ছিল। ‘তরুন ব্যান্ড’ সেটা কমিয়ে আনবে। আমরা কন্টিনিউ রাখতে চাই। মঞ্চে, ইভেন্টে সব জায়গায় থাকতে চাই। সেকেন্ড যেটা, আমাদের অ্যালবাম। যেটা অলরেডি আমরা এখন গান সিলেক্ট করতেছি। এই মুহূর্তে ব্যান্ড নিয়ে ব্যস্ততা যেটা, কিছু শো আমরা ডাক পাচ্ছি বলে করতেছি। এসএটিভি, বিটিভি, এনটিভিতে আমরা অলরেডি পারফর্ম করে আসলাম। নেক্সট আমাদের আরো কয়েকটা চ্যানেলের সাথে সেম ইস্যু নিয়ে লাইভ করা নিয়ে কথা চলতেছে। আর লাইভ ইভেন্টগুলি যেগুলি মঞ্চে হয়, যেখানে শ্রোতাদেরকে অনেক কাছে থেকে বোঝানো যায়, পাওয়া যায়, সেই এক্টিভিটিসটা আছে। আর সলোর জন্য তৈরি আছি। পরবর্তী সলো অ্যালবাম যে কোনো সময় প্রকাশ হবে, গান শেষ।


মন যেন উদাসী নদী – ইউটিউব ভিডিও

সোহাগ: গীতিকার-সুরকার হিসেবে আপনার একটা খ্যাতি আছে। অন্য গায়ক-গায়িকা বা ব্যান্ডে আপনার কথা, সুরের গানগুলি সমন্ধে একটু বলেন।

তরুন: গীতিকার, সুরকার হিসেবে আমার প্রোফাইলটা আমার নিজের কাছে অনেক প্রিয় এবং দীর্ঘ। দেশের জনপ্রিয়, গুণী, সম্মানিত অনেক গায়ক-গায়িকার সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছে। সর্বশেষ ফাহমিদা নবীর একটা একক অ্যালবাম আসছে ‘এই জনমে ভালবাসা’ নামে, সেখানে আমি কাজ করেছি। মাইলসের শেষ অ্যালবামে আমার গান রয়েছে। ডিফরেন্ট টাচ, চাইম, ফিডব্যাক, পেন্টাগনসহ অনেক ব্যান্ডের সাথে কাজ করেছি। এছাড়া আমার আগের কাজের মধ্যে চাইম ব্যান্ডের খালিদের কণ্ঠে ‘সরলতার প্রতিমা’ গানটার কথা না বললেই নয়, যেটা আমার কথা ও সুরে। এছাড়াও কথা-সুর করেছি, তার মধ্যে জেমসের ‘পদ্ম পাতার জল’, ‘দেখে যারে তুই’, ‘বর্ষা’, ‘খোদা ভগবান ঈশ্বর’, ‘আরো কিছুক্ষণ কি রবে’, ‘আকাশনীলা’, মাকসুদের ‘সন্ধি’, অবসকিউর ব্যান্ডের টিপুর ‘নীল নয়না’, হাসানের ‘ভালবাসা মানে দুঃখ’ উল্লেখযোগ্য। আসিফ আকবর এবং এসআই টুটুলের গানের কাজও করেছি।

tarun-band-5

বর্তমান লাইনআপ নিয়ে ‘তরুন ব্যান্ড’।

সোহাগ: আপনি তো নাটক ও চলচিত্রের গানেও কাজ করেছেন।

তরুন: নাটক বা চলচিত্রের গান বলতে নির্মাতা ইফতেখার আহমেদ ফাহমীর সাথেই কাজ করেছি তার ‘আমাদের গল্প’ টেলিফিল্মে। ‘আমাদের গল্প’তে ব্যবহৃত ‘কিছু কিছু নাম্বার থেকে আর আসবে না কোনো ফোন’ গানটির কথা ফাহমী এবং আমি মিলে লিখেছি এবং গানটির সুর, সংগীত আয়োজন এবং কণ্ঠ দিয়েছি আমি। গানের কথার ব্যাপারে ফাহমী মারাত্মক হেলপ করেছে। মূলত তার স্ক্রিপ্টেরই ওপর গান। এই ব্যাপারটা অ্যাপ্রিশিয়েট করার মতো।

ইফতেখার আহমেদ ফাহমীর একটা সিনেমা আসছে ‘টু বি কন্টিনিউড’ নামে, সেখানে আমার কথা, সুর, কণ্ঠে ‘এ আমার কেমন অসুখ’ শিরোনামে একটা গান থাকছে। গানটি আসলে আমি যেভাবে চেয়েছি সেভাবে স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করতে পেরেছি। এটা আমার জন্য একটা নতুন অভিজ্ঞতা বা আমি যে ধরনের গান করি, সে ধরনের গান সিনেমায়ও থাকতে পারে, তার একটা স্বীকৃতি।

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক
সাম্প্রতিক ডেস্ক