এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার জন্য অসুস্থ কারো কিংবা তাদের টাচ করা কোনওকিছুর সংস্পর্শে আসতে হবে আপনার। আর এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার জন্য কোনও একটা গুজবের সংস্পর্শে আসলেই চলবে।

সিনেমা: “কন্টেজিয়ন” [২০১১];
চিত্রনাট্য: স্কট জি বার্নস

স্টিভেন সোডারবার্গ পরিচালিত ২০১১ সালের সিনেমা ‘কন্টেজিয়ন’ (অর্থ: রোগ সংক্রমণ), ওই সালে দেখে সারপ্রাইজড হয়েছিলাম। সারপ্রাইজড হবার কারণগুলিতে স্কট জি বার্নস এর লেখা স্ক্রিপ্টটা সবচেয়ে বেশি প্রকট ছিল। তবে ২০২০ সালের লোকজন এই সিনেমা দেখে সারপ্রাইজড হবেন অন্য কারণে; যে কারণের প্রাসঙ্গিকতা একদমই আলাদা, যে কারণ হয়তো আরো একটু সিরিয়াস এবং একটু বেশিই “স্পর্শকাতর”।

২০২০ সালের মার্চ মাসে এসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসকে “মহামারী” ঘোষণা করেছে। এর প্রায় দেড়-দুই মাস আগে থেকেই অবশ্য মানুষজন এটাকে মহামারী গণ্য করে আসছে, বিশেষ করে পশ্চিমারা, অন্তত যে হারে তারা আবার নতুন করে ‘কন্টেজিয়ন’ দেখা শুরু করেছে তাতে সেরকমই মনে হয়। এসময়ে মুভিটা আইটিউনসের মুভি রেন্টাল চার্টের টপ-টেনে ও গুগল প্লে’তে টপ টুয়েন্টিতে ঢুকে যায়। টরেন্ট সাইটগুলিতে গেলেও ওখানে ‘ট্রেন্ডিং’ সিনেমার তালিকায় সদ্য-রিলিজড সব মুভির সাথে ‘কন্টেজিয়ন’ আছে। ফিল্ম ক্রিটিক আর অন্যান্য লেখকও তাদের মতো করে এই সিনেমা নিয়ে অপ-এড জাতীয় লেখা লিখছেন।

করোনা ভাইরাস বিস্তার কালে এই সিনেমা এখন সারা বিশ্বের বাস্তব ঘটনাচক্রের স্তরগুলির সাথে মিলিয়ে মিলিয়ে দেখা যেতে পারে। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাকর্মীদের থেকে শুরু করে আপাতদৃষ্টিতে ইনোসেন্ট লোকদের ভূমিকা এসব প্যানডেমিক রোগবালাই (ও সাথে আতঙ্ক) ছড়ানোর সময় কীরকম অভূতপূর্ব হতে পারে তা নিয়ে চিন্তা করতে করতে মুভিটা দেখা যায়।

‘কন্টেজিয়ন’ সিনেমার প্লটটা যেভাবে সাজানো, সেটার একটা নাম আছে—নেটওয়ার্ক ন্যারেটিভ। এরকম সিনেমায় অনেকগুলি ক্যারেক্টার থাকে। মুভিতে তাদের জীবনের ঘটনা চলে তাদের মতো করে। তারপর সেই ঘটনাগুলি কোনও না কোনওভাবে একটা আরেকটার সাথে জোড়া লাগতে থাকে এবং মুভি যতই সামনের দিকে আগায়, ততই গল্পের বড় পরিসরে প্রতিটা ঘটনার সংলগ্নতা বা ‘নেটওয়ার্ক’ দর্শকের কাছে স্পষ্ট হয়। এরকম সিনেমার পপুলার একটা নমুনা রোম্যান্টিক কমেডি ‘লাভ অ্যাকচুয়ালি’ (২০০৪)। এছাড়া আলেহান্দ্রো গনজালেজ ইনারিতু’র ‘ডেথ ট্রিলজি’র তিনটা সিনেমাও (আমোরেস পেরোস, টুয়েন্টি ওয়ান গ্রামস ও বাবেল) সিনেফাইল/সিনেফিলিয়াকদের কাছে যথেষ্ট পপুলার।

‘কন্টেজিয়ন’ শুরু হয় কালো স্ক্রিন থেকে। কে যেন কাশছে খুক খুক করে। শুকনা কাশি। তারপরেই অভিনেত্রী গুইনেথ প্যাল্ট্রোকে দেখা যায়। তার চরিত্রটাকে দেখে অসুস্থ-অসুস্থ লাগে; মোবাইলে তার গত রাতের প্রেমিকের সাথে কথা বলছে সে। কাজের বরাতে হংকংয়ে ছিল, সেই প্রেমিকের সাথে ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড হয়েছে বোঝা যাচ্ছে।

অ্যামেরিকায় ফেরত এসে একদিনের মাথায়ই মরে যায় সে। ততক্ষণে তার ছেলের মধ্যেও রোগ ছড়িয়ে গেছে, তাকে হাসপাতালে নিতে না নিতে ছেলেও মরে গেল৷ এদিকে ম্যাট ডেমনের যে ক্যারেক্টার, মানে গুইনেথ প্যাল্ট্রোর স্বামী, সে দিশাহারা। তার আগের ঘরের মেয়েকে কোনওমতে নিজের কাছে ডেকে এনে দু’জনে মিলে বন্দি জীবন কাটানো শুরু করে ওরা।

এদিকে সারাবিশ্বেই মানুষ মরছে ধুপধাপ করে।

এসবের মধ্যে চলতে থাকে অ্যামেরিকার ‘সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ বা সিডিসি’র এই নতুন ভাইরাসের কাজকারবার বোঝার প্রক্রিয়া। খুব অল্প সময়েই তারা অনেক কিছু জানতে পারে এবং পাবলিককে জানাতে থাকে—

সাবধানে থাকতে হলে মানুষদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে; জনসমাবেশ এড়িয়ে চলা লাগবে। সাবান দিয়ে বার বার ভালো করে হাত ধুতে হবে। পাবলিক প্লেসে হাঁচি-কাশি দেয়া যাবে না, মাস্ক পরে থাকতে হবে সবাইকে। তাছাড়া অযথা কুশল বিনিময়ের উপলক্ষে হ্যান্ডশেক, কোলাকুলি, ঘেষাঘেষি তো করাই যাবে না।

ভয় পাওয়া লোকজন হ্যান্ড স্যানিটাইজার সাথে করে চলাফেরা শুরু করে। শারীরিক অবস্থা না-জানা কাউকে কাছে আসতে দেয় না সহজে। উন্মাদনার চোটে অনেকে সুপার শপে আক্রমণ চালায়। লুটপাট চলে। সরকারের তরফ থেকে সংক্রমণ ঠেকাতে অনেকগুলি এলাকার ও শহরের বাসিন্দাদেরকে জবরদস্তি কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। ফাঁকা আর জনশশূন্য হতে থাকে রাস্তা, এলাকা, দোকানপাট, শপিং মল, স্টেশন, এয়ারপোর্ট সবকিছুই। স্টুডেন্টরা কেউ স্কুল-কলেজে যায় না, চাকরিতেও অনুপস্থিতি অনেক বেশি।

কন্টেজিয়ন (২০১১) সিনেমায় কাল্পনিক একটি ভাইরাসের মহামারী নিয়ে কথা বলছেন ডাক্তার সঞ্জয় গুপ্ত (ডানে)

এসব ঘটনার সবগুলিই আমাদের করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও পরবর্তী মড়কের সাথে মিলে। যদিও রোগের তীব্রতা ও সংক্রমণের দ্রুততায় প্রচুর তফাৎ আছে। তবে হ্যাঁ, আরেক জায়গায় তেমন তফাৎ নাই—পাবলিকের উৎকণ্ঠা, বিকৃতি, প্যারানয়া ও গাফিলতির জায়গাটাতে।

বাস্তবের সাথে আরও কিছু শিরশিরে সমান্তরাল আছে। যেমন, সিনেমাতে অতিথি শিল্পী হিসাবে (ক্যামিও) দেখা যায়, অ্যামেরিকান বিখ্যাত এক নিউরোসার্জন ও মেডিকেল রিপোর্টার ডাক্তার সঞ্জয় গুপ্ত টক-শোতে কথা বলছেন। ২০২০ সালে এসে করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেক কিছু খোলাসা করতে তাকে আসলেও সিএনএনে আসতে হয়েছিল।

অবশ্য চিত্রনাট্যকার স্কট বার্নসের বেদাগ-চকচকে কল্পনাশক্তিতে আমাদের করোনাভাইরাস ঘিরে চলতে থাকা রেসিজম চর্চার কোনো নামনিশানা নাই। এছাড়া নিউ ইয়র্ক টাইমসের ফিল্ম ক্রিটিক ওয়েসলি মরিসের সাম্প্রতিক এক লেখা পড়ে আরো টের পেলাম, বিদেশীদের নিয়ে জেনোফোবিয়ার ব্যাপারেও এ মুভিতে কোনো ঘাটাঘাটি নাই। এগুলির বদলে আছে বরং কিছু মরিয়া হংকংবাসীর তাড়াতাড়ি ভ্যাক্সিন পাওয়ার আশায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক কর্মকর্তাকে কিডন্যাপ করে রাখার মতো ফৌজদারি ঘটনা।

২০২০ সালে সিএনএন’র একটি প্রোগ্রামে করোনা ভাইরাস নিয়ে কথা বলছেন সঞ্জয় গুপ্ত

তারপরেও, ‘কন্টেজিয়ন’ এর ভবিষ্যদ্বাণীর গুলি মানবজাতির কান এত ঘেষে গেল কীভাবে? কারণ দুইটা। এক, হলিউড ইডাস্ট্রিতে সফল সিনেমা বানানোর হদিস হিসাবে শিখিয়ে দেয়া হয়, আপনার মুভির প্লটে বাস্তবতার অনেক কাছাকাছি একটা হাবভাব থাকতে হবে। এ জন্য স্কট বার্নস প্রায় আড়াই-তিন বছর কাটিয়েছেন সিডিসি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের কাছ থেকে ড্যাটা, অভিজ্ঞতা ও মতামত কালেক্ট করে। তার ভাষ্য, ওখানকার মেডিকেল কর্মীরা এটা ভাবে না যে “যদি” এরকম হয় তখন তাদের তৎপরতা কেমন হবে। বরং তাদের চিন্তা—”যখন” এরকম কোনো মড়ক লাগবে তখনকার জন্য তাদের যথেষ্ট জানাশোনা আছে কিনা।

আমাদের করোনা কালের সাথে তাই এ মুভির সাদৃশ্যের বড় কারণ এটাই যে রিয়েল ওয়ার্ল্ডের নীতিনির্ধারকদের কাজ করার ধরনের সাথে সিনেমাটার চরিত্রদের কাজের সঙ্গতি অভূতপূর্ব।

দুই, ‘কন্টেজিয়ন’ একটা রিভিশনিস্ট ডিজাস্টার মুভি। ডিজাস্টার একটা ফিল্ম জঁনরা, এ জঁনরায় প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ থেকে বাঁচার জন্য মুভির চরিত্ররা পালিয়ে বেড়ায়। উদাহরণ, ২০০৯ সালের মুভি ‘২০১২’, ১৯৯৭ সালের মুভি ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে’ ইত্যাদি। এমনকি টাইটানিককেও জাহাজডুবির দিক থেকে দেখলে ডিজাস্টার মুভি ধরতে হয়। একসময় হলিউডে ডিজাস্টার মুভি প্রচুর টাকাপয়সা কামাই করত। সত্তরের দশকে ‘দ্য পোসাইডন অ্যাডভেঞ্চার’ ও ‘দ্য টাওয়ারিং ইনফার্নো’ সহ আরো কিছু সিনেমা এই জঁনরায় বানিয়ে ‘মাস্টার অফ ডিজাস্টার’ নাম পেয়েছিলেন প্রযোজক আরউইন অ্যালেন। সোডারবার্গ ও বার্নস চাচ্ছিলেন সেরকমই কিন্তু বাস্তবসম্মত একটা ডিজাস্টার মুভি বানাবেন, যেখানে পৃথিবীতে কিয়ামত নেমে আসার মতো অতিরঞ্জন থাকবে না।

কারণ মহাপ্রলয়ের চাইতে গুপ্তহত্যার আশঙ্কা দিয়ে আতঙ্কের হাওয়া আরো জোরেশোরে তৈরি করা যায়, অনেকটা হরর বা স্ল্যাশার মুভির মতো। করোনা ভাইরাসের আলাপ ছাড়াও, কন্টেজিয়নে’র কাল্পনিক ভাইরাসটা তো স্ল্যাশার মুভির মুখোশপরা খুনির মতোই সন্তর্পণে কাজ সেরে চলে যায়; পার্থক্য কেবল এই, এখানকার আততায়ীর টার্গেট-জোন জঙ্গলের মধ্যকার কোনো ক্যাবিন না, গোটা পৃথিবী।

যাই হোক, অন্য কোনও ডিজাস্টার মুভি এর আগে মনে হয় না নেটওয়ার্ক ন্যারেটিভ দিয়ে তার গল্প বলার চেষ্টা করেছে। অবশ্য হলিউড মূলধারায় এই ন্যারেটিভ ঢুকেছেই নব্বইয়ের দশকে। নেটওয়ার্ক ন্যারেটিভওয়ালা মুভিগুলির আরেকটা নাম ‘হাইপারলিংক সিনেমা’। ফিল্ম ক্রিটিক রজার ইবার্ট এই টার্মটাকে বিখ্যাত করেন। তো, রজার ইবার্টের বিবেচনায় ‘কন্টেজিয়ন’ একটা রিয়েলিস্টিক ও অচাঞ্চল্যকর সিনেমা।

রিয়েলিস্টিক হয়তো এই অর্থে যে, মুভির সাবজেক্ট ম্যাটারের সাথে দর্শকদের সম্পর্ক রক্ষার জন্য এখানে একেবারে বর্তমান পৃথিবীর আর সাধারণ জনতার ধারেকাছের অনুষঙ্গ ব্যবহার করা হয়েছে। আর অচাঞ্চল্যকর কারণ, চাইলে গল্পটা নিয়ে ফিল্মমেকাররা আরো তাগবাগ করতে পারতেন—যেমন অতিসংক্রামক ভাইরাসটার উপসর্গগুলিকে আরো ভয়ঙ্কর রূপ দিয়ে—কিন্তু উনারা সেটা করেন নাই।

তাদের সিনেমার প্রযোজক হিসাবে কোনো বড় স্টুডিও ছিল না, তবে সোডারবার্গের পরিচিতি ও পরিমণ্ডলের জন্য ইন্ডিপেনডেন্ট সিনেমা হয়েও বেশ ভালো বাজেট পেয়েছিলেন তারা। অনসম্বল কাস্টের সিনেমা এটা; অনেক সেলেব্রেটি আছেন এখানে। নামিদামি অভিনেতারা সাধারণ মানুষের চরিত্রে অভিনয় করলেও, তারা যখন সিনেমার শুরুতে বা মাঝামাঝিতেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মরে যান, তখন আসলে তারকাদেরকেই মরে যেতে দেখি আমরা।

চিত্রনাট্যকার স্কট জি বার্নস [বামে] এর সাথে পরিচালক স্টিভেন সোডারবার্গ
অনেক সময় এমন হয় যে কোনো ডিরেক্টর একবার বিশেষ কোন ন্যারেটিভ ফর্মে বিমোহিত হয়ে গেলে সেখান থেকে সহজে বের হতে চান না বা বার বার সেখানেই ফিরে যান, কিংবা তাদের ক্যারিয়ারের সবগুলি সিনেমা মিলিয়ে যে গ্র‍্যান্ড ন্যারেটিভ তারা দাঁড়া করাতে চান তার জন্য গল্প বলার ঢঙ ওইরকম হলেই সবচেয়ে ভালো হয় বলে ধরে নেন উনারা। হাইপারলিংক বা নেটওয়ার্ক ন্যারেটিভও সেরকম আসক্তিকর।

আলেহান্দ্রো ইনারিতু ক্যারিয়ারের শুরুতে একে একে তিনটা সিনেমাই ওই মডেলে বানিয়ে ফেলেছিলেন। সোডারবার্গও আগে ‘ট্রাফিক’ নামে এই ধরনের সিনেমা বানিয়েছিলেন একটা, যেটার চিত্রনাট্যকার স্টিভেন গ্যাগান পরে নিজেও নেটওয়ার্ক ন্যারেটিভে ‘সিরিয়ানা’ নামের পলিটিকাল থ্রিলার বানান। সোডারবার্গের সিনেমার নিয়মিত এডিটর স্টিফেন মিরিয়নও আগে হাইপারলিংক সিনেমায় কাজ করেছেন। ইনারিতুর প্রায় সব সিনেমাই তার এডিট করা।

‘কন্টেজিয়ন’ সিনেমায় জন্ডিস রোগীর মতো হলুদাভ কালার টোন আর এক জায়গায় বেশিক্ষণ সময় না দেয়া অথচ ধীরস্থির এডিটিংয়ের সাথে ক্লিফ মার্টিনেজের করা ইলেক্ট্রনিক মিউজিকের হাই-পিচড ধড়ফড়ানি যেভাবে শামিল হয়েছে—তাতে এই মেডিকেল ড্রামাকে একটু পর পর থ্রিলার বলেই মনে হয়। তবে অন্যান্য হাইপারলিংক সিনেমাকে যেখানে লেখকের থিম প্রচার করার জন্য ইচ্ছা করে হাইপারলিংক বানানো হয়—সেখানে ‘কন্টেজিয়নে’র কাহিনি লেখকের জোরাজুরিতে না, আপনাতেই নেটওয়ার্ক ন্যারেটিভ তৈরি করে ফেলেছে।

কিছু গৎবাঁধা ন্যারেটিভ লাইন ও হলিউডের চটক সহই (বা সেকারণেই) ‘কন্টেজিয়ন’ আমার কাছে দুর্দান্ত একটা সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা। কাহিনির মূল ইস্যু যা, তার সাথে কাহিনি বলার নির্ধারিত আঙ্গিক এভাবে অবিচ্ছেদ্য হয়ে গেলে নিজের ফেভারিটিজম আমি আটকায়ে রাখতে পারি না আসলে।

Author

জন্ম. ঢাকা। লেখক ও অনুবাদক। পড়াশোনা. ঢাকা ইউনিভার্সিটির ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ। বই : সিনে-লয়েড (২০১৭, চৈতন্য প্রকাশনী)

Write A Comment