জন গ্রিশামের ‘দ্য রুস্টার বার’

দ্য রুস্টার বার উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার অল্প কিছুদিন আগেই, ২০১৭ এর জুন মাসে জন গ্রিশামের উপন্যাস ক্যামিনো আইল্যান্ড বের হয়েছে। আর অক্টোবরে  বের হয়েছে গ্রিশামের নতুন আরেকটি বই। গ্রিশামের নতুন এই থ্রিলারের নাম দ্য রুস্টার বার। একই বছরে, অল্প কয়েক মাসের ব্যবধানে, মোটামুটি বড় সাইজের দুটি বই যখন বের হয়েছে, তখন বলতে তো হয়ই যে, গ্রিশাম নিশ্চয়ই অনেক লিখতে পারেন। আর যারা গ্রিশামের নিয়মিত পাঠক, বা যারা আমার মত গ্রিশামের অন্তত কয়েকটা বই পড়েছে তারা তো জানেই যে গ্রিশাম আসলেই অনেক লিখতে পারেন। এবং তার প্রতিটা বই এর প্রতিই মানুষ আগ্রহী হয়, ও সেই বই প্রচুর বিক্রি হতে থাকে। তা না হলে, এই অল্প কয়েক মাসের ব্যবধানে দুটি বই মার্কেটে কেন বের হবে!

যাই হোক, জন গ্রিশামের নতুন উপন্যাস, দ্য রুস্টার বার নিয়েই এই লেখা বা এই আলোচনা।

জুন মাসে বের হওয়া ক্যামিনো আইল্যান্ড বই এর স্টোরির সাথে এই রুস্টার বার বই এর স্টোরির একটা বড় ধরনের পার্থক্য আছে। ক্যামিনো আইল্যান্ডের কাহিনী হল প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরি থেকে অমূল্য কিছু পাণ্ডুলিপি ডাকাতি হয়ে যায়। সেগুলি আমেরিকান লিটারেচারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঔপন্যাসিক স্কট ফিটজেরাল্ডের উপন্যাসের অরিজিনাল পান্ডুলিপি। সেইদিক দিয়ে ক্যামিনো আইল্যান্ড হল ক্রাইম থ্রিলার। অন্যদিকে এই দ্য রুস্টার বার হল লিগ্যাল থ্রিলার, জন গ্রিশামের সিগনেচার ঘরানার উপন্যাস।

গ্রিশামের বেশিরভাগ থ্রিলার উপন্যাসই লিগ্যাল থ্রিলার, কোনো না কোনোভাবে আইন ব্যবসা বা ল বিজনেসের সাথে সম্পর্কিত। দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখির মাধ্যমে গ্রিশাম নিজের ব্যাপারে যে ট্রেডিশন প্রতিষ্ঠা করেছেন, দ্য রুস্টার বার বইয়ের মাধ্যমে সেই ট্রেডিশনকেই আরেকটু এগিয়ে নিলেন। তবে আশার কথা হল দ্য রুস্টার বার-এর কাহিনী এবং বিষয় ক্লিশে না, এবং পুরোপুরি থ্রিলারও না, বরং ভিতরে অনেক কমেডি আছে। ল’ বিজনেসের প্রতিষ্ঠিত জগতে ঘটে যাওয়া কোনো ক্রাইম-কে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের প্লট তৈরি হয়নি। ল’ বিজনেসে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার সব সম্ভাবনা যখন শেষ এবং সব রাস্তা বন্ধ, তখন কী হতে পারে—সেটাকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসের কাহিনী। গল্পটা এমন ধরনের যে, বলা চলে এটা জন গ্রিশামের কাছে থেকে মোটামুটি অপ্রত্যাশিত।

দ্য রুস্টার বার বইয়ের প্রধান তিন চরিত্র—মার্ক, টড ও জোলা। তারা তিনজনই ল’ বা আইনের ছাত্র। ভবিষ্যতে অসাধারণ একটা ক্যারিয়ার হবে এবং প্রচুর টাকা-পয়সা ইনকাম করবে এরকম স্বপ্ন নিয়ে তারা তিনজন ফগি বটম ল’ স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। ফগি বটম ল’ স্কুলের মার্কেটিং টিম ও লোন অফিসারদের কৌশলগত বক্তব্য ও আচরণ তাদেরকে ক্যারিয়ার নিয়ে স্বপ্ন দেখতে প্ররোচিত করেছে। ফলে তাদের আত্মবিশ্বাসও ছিল সাংঘাতিক।

কিন্তু থার্ড ইয়ারে উঠে তারা বুঝতে পারে তারা যে স্বপ্নের আকাশে আছে, সেখান থেকে নেমে আসতে হবে। তারা কঠিন সত্যের মুখোমুখি হয়—মিডল ক্লাস বা লোয়ার মিডল ক্লাসের জন্য ল’ প্রফেশন না, ল’ প্রফেশন এলিটদের জন্য। পিছনে শক্ত সাপোর্ট আছে, এবং সেই সাপোর্টের অস্তিত্ব টের পাওয়ার প্রয়োজন হয় না, সমাজের সেই শ্রেণীর মানুষদের জন্য ল’ প্রফেশন। তারা বুঝতে পারে যে শুধুমাত্র গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি দিয়ে ল’ স্টুডেন্টদের কোনো একটা চাকরি জোগাড় করা অসম্ভব, শীর্ষস্থানীয় কোনো ল’ স্কুল থেকে পাশ করলে যে সিক্স ডিজিট বেতনের চাকরি পাওয়া যাবে—সেই মিথ বা আকাশ কুসুম কল্পনার কথা তো বাদই দিতে হবে। অন্যদিকে তারা তাদের ল’ স্কুলের পলিসি’র ফাঁদে ধরা পড়ে গেছে, এই ফর-প্রফিট ল’ স্কুলের কাছে তাদের ঋণ এসে দাঁড়িয়েছে কয়েক লাখ ডলার। তারা রিয়ালাইজ করে, দিস ইজ দ্য মাড অব দ্য রিয়াল। এখন এটা থেকে বের হতে হবে।

বলা যায়, একটা পর্যায়ে এসে তারা এই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে বাধ্য হয়। তাদের এক বন্ধু সুইসাইড করে। সে মারা যাওয়ার আগে ফগি বটম ল’ স্কুলের মালিকের একটা ফিন্যান্সিয়াল স্ক্যান্ডাল আবিষ্কার করে। মার্ক, টড, এবং জোলা মনস্থির করে যে তারা ঝুঁকি নিবে, পড়াশোনা ছেড়ে দিবে এবং ফগি বটম ল’ স্কুল মালিকের স্ক্যান্ডালটাকে পাবলিকের কাছে প্রকাশ করবে।

মার্ক, টড ও জোলা তিন বন্ধু মিউনিসিপ্যাল কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও এখনো তাদের পড়াশোনা শেষ হয় নি, তাদের কোনো লাইসেন্স নাই—তারা সেখানে প্রফেশনাল ল’ইয়ারদের মত আচরণ করবে, ক্লায়েন্টদের কনভিন্সড করার চেষ্টা করতে থাকবে—এটাই তাদের পরিকল্পনা। বার এক্সামে পাশ করেছে কিনা—এই প্রমাণ সেখানে কেউ যেহেতু দেখতে চায় না, এই সুযোগে তারা ব্যবসা জমাবে।

জন গ্রিশাম

কন-আর্টিস্ট হিসেবে তাদের বিজনেস জমানো, গ্র্যাজুয়েশনের আগে ল’ স্কুল ছেড়ে দেওয়া এবং ল’ স্কুলের কাছে তাদের ঋণের ব্যাপারটা ট্যাকল করা—সবকিছুর একটা সম্মিলিত ক্রাইসিসের মধ্যে তাদের তিনজনের প্রত্যেককেই নিজের খেলাটা দেখাতে হয়। এবং বিভিন্ন রূপে ক্রাইসিস যখন তাদেরকে পিছন থেকে তাড়া করছে, প্রতিবারই তাদেরকে প্রায় ধরে ফেলে। শুধু এক চুল পরিমাণ দূরত্বের কারণে তারা বেঁচে যায়।

গ্রিশামের একটা খুব হিউমারাস ও উইটি স্টাইল আছে। কোনো ক্যারেক্টারের কাজকর্ম, আচরণ বা ইমোশন নিজের ভিতরে ধারণ করেন না। সবকিছুকেই খুব স্যাটায়ারিকাল টোনে বর্ণনা করতে থাকেন। যেন সবকিছুর আড়ালে যে একটা খুব সূক্ষ্ম ফান আছে, সেটা তিনি ধরতে পারতেছেন এবং সেটা এনজয় করতেছেন। বর্ণনা করার ক্ষেত্রে গ্রিশামের এই টোন কখনো চেঞ্জ হয় না। এমনকি কেউ যখন খুব করুণভাবে মারাও যায় তখনো ইট রিমেইনস দ্য সেইম। আর কোনো স্টোরির প্রধান চরিত্র যদি তরুণ বা অল্পবয়স্ক কেউ হয়, সেক্ষেত্রে এই জিনিসটা আরো ভালোভাবে ফুটে ওঠে।

এই উপন্যাসে তিনজন প্রধান চরিত্র যেহেতু তরুণ, এখানেও সেই জিনিস ঘটেছে। যেমন, তারা যখন ক্যারিয়ার নিয়ে একটা অলীক স্বপ্নের মধ্যে আছে, তাদের লিগ্যাল ট্রেনিং ঠিকমত হচ্ছে না, তাদের জন্য এক ট্র্যাজেডি অপেক্ষা করছে—তারা তাদের এই পরিস্থিতির গ্র্যাভিটি উপলব্ধি না করতে পারলেও, গ্রিশাম তো জানেন তাদের ভবিষ্যত কী, ফলে তাদেরকে স্যাটায়ারিক্যালভাবে দেখার মজাটা পেয়েছেন গ্রিশাম। আবার, তারা যখন তাদের প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে গিয়ে, ক্রাইসিস ট্যাকল করতে গিয়ে অনেক কিছু করতেছে তখনো তাদের এই অ্যামেচার খেলা দেখার মজাটা উপভোগ করেছেন গ্রিশাম। ক্রাইসিসের সাথে এই তিনজনের অ্যামেচার স্টাইলে খেলার ধরনটাও তিন রকম। মার্কের অস্ত্র সিম্প্যাথি, টডের অস্ত্র অ্যারোগেন্স এবং জোলা মেয়ে ও তার অস্ত্র ভদ্রভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা।

এই উপন্যাসে গ্রিশামের সেন্স অব হিউমার সবচেয়ে পারফেক্টভাবে কাজ করছে যখন তিনি ল’ এবং ব্যাংকিং সিস্টেমের গোঁজামিলগুলি দেখিয়েছেন। নিজের টেম্পারমেন্ট খুব সুন্দরভাবে স্থির রেখে সিরিয়াস টোনে ‘পচানো’ জিনিসটা কতটা এন্টারটেইনিং হতে পারে, সেটা না পড়লে বলে বোঝানো যাবে না।

দ্য রুস্টার বার বইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরো একটা সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ ক্রাইসিস উঠে এসেছে। ইমিগ্র্যান্টসদের ব্যাপারে ট্রাম্প সরকারের বাজে নীতিমালা।

তিন বন্ধুর একজন, জোলা ক্যারেক্টারটারের মাধ্যমে গ্রিশাম এটা দেখিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট জোলা এবং তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন এক বড়ভাই ছাড়া তাদের ফ্যামিলির সবাইকে আটক করে রাখে। খুব শীঘ্রই তাদের সবাইকে সেনেগালে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তার বাবা-মা গত দুই দশক সেই দেশে যায় নি, দেশের কারো সাথে দীর্ঘদিন ধরে তাদের যোগাযোগ নেই। এই অবস্থায় তারা সেই দেশে কী করবে, কীভাবে মানিয়ে নিবে—এটা তাদের পরিবারের সবার উপর একটা মানসিক চাপ হিসেবে কাজ করতে থাকে। জোলা যখন তার বন্ধু মার্ক ও টডের সাথে তাদের পরিবারকে সেনেগাল পাঠিয়ে দেওয়া নিয়ে কথা বলে, তখন আসলে আমেরিকান ইমিগ্র্যান্টদের উপর ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিমালার বাস্তব চিত্রটা বোঝা যায়।

যেমন, একটা জায়গায় গ্রিশাম খুব সুন্দর করে লিখেছেন ব্যাপারটা। যথারীতি হিউমারাস, এবং ডার্ক: “তাদের (জোলার বাবা-মা) এই ত্যাগের জন্য তাকে (জোলাকে) নাগরিকত্ব উপহার দেওয়া হয়েছে, একটা স্থায়ী মর্যাদা যেটা অর্জন করার জন্য সে কিছুই করে নি। তারা (জোলার বাবা-মা) কোনো একদিন দেশটার অংশভুক্ত হবে এই স্বপ্ন নিয়ে একটা দেশে কুকুরের মত খেটেছে, যে দেশ নিয়ে তারা গর্বিত ছিল।  আসলে, ঠিক কীভাবে, তাদেরকে এখান থেকে বের করে দেওয়াটা অভিবাসীদের এই মহান জাতির উপকার করবে? এটার কোনো মানে নেই, এবং এটাকে অযথা নিষ্ঠুর মনে হয়েছে।”

আরেক জায়গায় গ্রিশাম লিখেছেন: “গত বছর আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) চার লাখ ডকুমেন্টবিহীন কর্মীকে আটক করে এবং প্রায় সমান সংখ্যক মানুষকে তাদের দেশে পাঠিয়ে দিয়েছে। প্রতিজনকে দেশে পাঠাতে ২০ হাজার ডলার খরচ হয়েছে। এই সম্পূর্ণ ডিটেনশন সিস্টেমের পিছনে এক বছরে ২ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অভিবাসী ডিটেনশন সিস্টেম।”

এছাড়া, এই ডিটেনশন সিস্টেমের বাইরেও স্থানীয় কারাগার এবং কাউন্টি জেইল ও জুভেনাইল ডিটেনশন সেন্টারেও যে অসংখ্য ইমিগ্র্যান্টস আটক আছে সে কথাও গ্রিশাম উল্লেখ করেছেন। বন্দি ইমিগ্র্যান্টদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা, মানসম্মত খাবারের ব্যবস্থা নেই। সবার জন্য এইসব অসুবিধার বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সলিটারি কনফাইনমেন্ট, শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের মত ঘটনা তো আছেই।

গতানুগতিক লিগ্যাল থ্রিলার লিখতে লিখতে, যুক্তরাষ্ট্রের ল’বিজনেসের একটা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাকে ফোকাস করে দ্য রুস্টার বারের মত এ রকম একটি স্যাটায়ারিক্যাল থ্রিলার কেন লিখলেন গ্রিশাম? মূলত সংবাদপত্রের একটা আর্টিকেল পড়ে এই বইয়ের প্লট চিন্তা করেছিলেন গ্রিশাম। এই বইয়ে সে কথা জানিয়েছেন: “২০১৪ সালের দ্য আটলান্টিকের সেপ্টেম্বর সংস্করণে ‘দ্য ল’স্কুল স্ক্যাম’ (ল’স্কুল কেলেংকারি) পড়েছিলাম। এটা পল ক্যাম্পসের দারুণ একটি তদন্তমূলক লেখা ছিল।”

জন গ্রিশাম ‘দ্য রুস্টার বার’ বইয়ের সাইনিং ইভেন্টে

এই আর্টিকেলটা থেকেই গ্রিশাম ফর প্রফিট ল’স্কুলগুলির ফাঁদ এবং সেটার আফটার এফেক্ট নিয়েই দ্য রুস্টার বারের প্লট তৈরি করেছেন।

বইটাতে, একটা জায়গায় আছে: “এই নিকৃষ্ট ল’স্কুলগুলি কাউকে নিবে যে ফেডারেল মানি ধার করতে পারে, এবং, যেরকম বলা হয়েছে, যে কেউই ফেডারেল মানি ধার করতে পারে।”

আরেক জায়গায় আছে: “আর এখন, এক সেমেস্টার বাকি থাকতেই, মার্ক অসহায়ভাবে তাকিয়ে ছিল সর্বমোট খরচসহ গ্র্যাজুয়েট করার বাস্তবতার দিকে, আন্ডারগ্র্যাড ও ল’স্কুল, আসল ও সুদ, মোট বাকি ২৬৬,০০০ ডলারের দিকে।”

গ্রিশামের লেখার স্যাটায়ারিক্যাল স্টাইল, থ্রিলিং স্টোরি সবকিছু নিয়ে এন্টারটেইনিং বই দ্য রুস্টার বার, এবং স্মার্ট। স্টোরিটেলিং ও বর্ণনার মধ্যে কোনো ফ্যান্সি কিছু বা বাহুল্য জিনিসপত্র নাই। তবে কিছু কিছু জায়গায়, বইটার প্রধান ক্যারেক্টারদের—মার্ক, টড ও জোলার বাটপারি করে পার পেয়ে যাওয়ার ঘটনা বাড়াবাড়ি মনে হয়।

দ্য রুস্টার বার-এর শেষের ক্লাইম্যাক্সটা গ্রিশাম নিয়ে এসেছেন তারই আরেকটা বিখ্যাত বই, মোটামুটি ক্লাসিকই বলা যায়, দ্য ফার্ম থেকে। যারা গ্রিশামের দ্য ফার্ম পড়েছে বা ওই বই অবলম্বনে তৈরি হওয়া টম ক্রুজের সেই বিখ্যাত ‘দ্য ফার্ম’ ছবিটা দেখেছে, তারা এই রিসাইক্লিং এর মজাটা ধরতে পারবে।

তবে বইয়ের এই নামের সাথে কাহিনির কী সম্পর্ক—এই আগ্রহ তো তৈরি হতেই পারে। বইয়ের নাম—দ্য রুস্টার বার এসেছে ওই তিনজন তাদের ভুয়া ফার্মের জন্য যে ঠিকানা ব্যবহার করে সেখান থেকে।