এই বছর মে’র ১ তারিখে র‍্যাচেল কুশনারের ‘দ্য মার্স রুম’ বের হইছে। এইটা তার তৃতীয় উপন্যাস। এর আগে তিনি ‘টেলেক্স ফ্রম কিউবা’ এবং ‘দ্য ফ্লেইম থ্রোয়ারস’ লিখে বেশ প্রশংসিত হইছেন।

বের হওয়ার পর নিউ ইয়র্ক টাইমস এই বই থেকে কিছু অংশ প্রকাশ করে। তারপরই উপন্যাসটা নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়। সবাই বইয়ের ভিন্নধর্মী গল্প এবং কুশনারের লেখার মৌলিকত্ব নিয়ে প্রশংসা করতেছেন। পাঠকরা বলতেছেন, কুশনার বাকিদের মতো ট্রেন্ড ফলো করে কিছু একটা লিখে ফেললেন—এমন লেখক না। টাইমসের এক ক্রিটিক এই উপন্যাসকে ‘এ মেজর নভেল’ বলে উল্লেখ করেন।

‘দ্য মার্স রুম’-এর সাথে জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘অরেঞ্জ ইজ দ্য নিউ ব্ল্যাক’-এর কিছুটা মিল পাওয়া যাবে। কেননা, সেখানের নারীরাও বন্দি আর নিগৃহীত।

বই এর কাজ শেষ করতে কুশনার প্রায় ছয় বছর সময় নিছেন।  ২০১২’র দিকে তিনি সিদ্ধান্ত নেন ক্যালিফোর্নিয়ার জেল এবং কোর্টগুলা সম্পর্কে বিশদ জানবেন। তার পরিচিতদের মধ্যেই এমন অনেকে ছিলেন যাদের জেলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে । কুশনার তাদের নিয়া ভাবতেন। সামাজের এই কাঠামোতে জেল-ব্যবস্থা আসলে কেন? মানুষকে ঠিক কেন জেলে যাইতে হয়? তারা কেন অপরাধ করে? সেইখানকার পরিবেশ কেমন?

তিনি ক্রিমিনোলজি ডিপার্টমেন্টের এক প্রফেসর আর স্টুডেন্টদের সঙ্গে স্যাক্রামেন্টোর ফলসোম প্রিজনে যাওয়ার সুযোগ পান। তাদের টিমটা জেলের সেলগুলা ঘুরে ঘুরে দেখে এবং সেইখানকার কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলে। কুশনার তখন অনুভব করেন, জেলের ভিতরের জীবন আসলে কতটা ভয়াবহ, জেলের বাইরের মানুষদের থেকে কতটা ভিন্ন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি ‘দ্য মার্স রুম’ লেখা শুরু করেন।

উপন্যাসের মূল চরিত্র রোমি হল। সে একজন ২৯ বছর বয়সী শ্বেতাঙ্গ নারী। এক বখাটেকে খুনের দায়ে এখন জেলে।

এটা কোনো ঐতিহাসিক উপন্যাস না হইলেও এর সময়টা জর্জ ডাব্লিউ বুশের ক্ষমতাকালে। ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন জায়গা নিয়ে। লেখকের ছোটবেলাটা যেই সময়ে কাটছে, সেটারই প্রতিফলন রোমির মধ্যে দেখা যায়। কুশনার রোমিকে কল্পনা করেন, যেন মেয়েটা তার প্রতিবেশীদের মধ্যেই কেউ একজন ছিল। যাকে সে খেলতে দেখেছে, হাসতে দেখেছে, দৌড়াইতে দেখেছে। রোমি তার খুব পরিচিত কেউ।

রোমির একটা ছেলে আছে। জেল হওয়ার আগে ছেলেকে নিয়া সে সান ফ্রান্সিসকোতে থাকত। সেখানেই মার্স রুম নামের একটা স্ট্রিপ ক্লাবে নাচত সে। ছোটবেলায় সানসেট ডিস্ট্রিক্টে তার বন্ধুদের সঙ্গে খুব সুন্দর সময় কাটছে রোমির। তারপরেই হঠাৎ কার্ট কেনেডি নামের এক লোক তাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে, বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। অত্যাচার মাত্রা ছাড়ায়া গেলে রোমি তাকে খুন করে। তার নামে মামলা হয়। কেস কোর্টে গেলে খুন হওয়া পক্ষ রোমিকে আসামী প্রমাণ করে। রোমি আর তার মায়ের কাছে খুব বেশি টাকা ছিল না। টাকার অভাবে তাদের হয়ে মামলা লড়বে এমন কোনো যোগ্য উকিল তারা নিয়োগ দিতে পারে না। যাও একজনকে পায়, সে একজন বৃদ্ধ, অযোগ্য। মাতলামিও করে কিছুটা। এমনকি রোমি যে কেন খুনটা করছিল, সেই বিষয়টাও কোর্টে আসে না। ফলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ আরো ছয় বছরের জেল হয় রোমির।

এখন সে সেন্ট্রাল ভ্যালির উইমেন’স কারেকশনাল ফ্যাসিলিটি’তে। তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে মরীয়া হয়ে আছে। যদি কোনোভাবে ছেলেটার সঙ্গে একটু কথা বলা যায়, একটু জানা যায় সে কেমন আছে। কিন্তু এখান থেকে তার পালানোর কোনো পথ নাই। এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় নাই। জেলের ভিতরে রোমির বন্দিজীবনে কী কী ঘটে মূলত তা নিয়েই উপন্যাসটা।

রোমি চরিত্রের কিছু ফিলোসফিকাল দিক আছে। রোমি বন্দি, হতাশ, অসুখী কিন্তু সে তার সেলের বাকি কয়েদিদের মতো না। তার একটা নিজস্বতা আছে, নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে। জীবনে তার অবস্থান কী এবং তা তার চাওয়া থেকে তা কতটা দূরে সে জানে।

রোমি তার জীবন সম্পর্কে বলে, দীর্ঘদিন বাঁচার পরিকল্পনা আমার নাই, নেহাৎ অল্প সময় বাঁচারও না। আমার কোনো পরিকল্পনাই নাই আসলে। ব্যাপারটা হলো, আপনি বাঁচেন যদি আপনার বাঁচার পরিকল্পনা থাকে বা না বাঁচার পরিকল্পনা থাকে। যতক্ষণ না আপনি বাঁচতেছেন, আপনার পরিকল্পনা অর্থহীন। কিন্তু, পরিকল্পনা নাই মানে এই না যে, আমার আফসোস নাই।

রোমি’র স্বকীয়তার বাইরেও তার সেন্স অভ হিউমার তার চরিত্রকে একটা বহুমুখীনতা দেয়। যেমন, সে যেই স্ট্রিপ ক্লাবটায় নাচত, অর্থাৎ মার্স ক্লাব সম্পর্কে সে এক জায়গায় বলে, সব চাইতে জঘন্য আর কুখ্যাত, সব চাইতে ঘিঞ্জি আর একদম সার্কাসের মতো একটা জায়গা।… আপনি যদি দেখাতে পারেন প্রতিযোগিতা করার মতো জিনিস আপনার আছে এবং আপনার ট্যাটুগুলা ঠিকঠাক জায়গায়, তাইলে আপনি ওইখানে হট প্রপার্টি। আর যদি আপনি পাঁচ-ছয় মাসের প্রেগন্যান্ট না হয়ে থাকেন তাইলে তো হইলোই, আপনি সবার সবচেয়ে পছন্দের মেয়ে।

রোমির পাশাপাশি আরো অনেকগুলা চরিত্র উপন্যাসে আছে। তারা কেউ রোমির সেলের সঙ্গী, কেউ সেলের বাইরের। তারা প্রত্যেকেই যেন একেকটা চরিত্রের মধ্য দিয়ে একেকটা ভিন্ন গল্প।

উপন্যাসটা শুরু হয়, যখন রোমিসহ ষাট জন মহিলাকে রাত দুইটার সময় নাইট বাসে করে সেন্ট্রাল ভ্যালির মেয়েদের জেলে নিয়ে যাওয়া হইতেছে। তারা সবাই চিৎকার চেঁচামেচি করতেছে। কিন্তু, কেউই ঘাবড়াইতেছে না। এই পরিবেশে বাঁচার ধরন তারা এর মধ্যেই বুঝে গেছে। সমস্যাটা হইল রোমি শ্বেতাঙ্গ। আর পুরা বাসে সে বাদে শ্বেতাঙ্গ আছে আর একজন, লরা লিপ। অদ্ভূতভাবে হাসে, আর তার অত্যাচারের চূড়ান্ত হলো সে কী কী অপরাধ করে এইখানে আসছে তা বলা।

রোমির সেলে তার সঙ্গীদের মধ্যে একজন আছে, বাটন সানশেজ। সে প্রেগনেন্ট ছিল, জেলে আসার পরপরই তার বাচ্চা হয়। কোনান নামের একজন ট্রান্স জেন্ডার পুরুষ, তার সেন্স অভ হিউমার খুব ভালো। অন্যজন লরা লিপ, সে খুব আড্ডাবাজ মহিলা। তার জেল হইছে নিজের দুই সন্তানকে খুন করার কারণে। আরেকজন ফার্নান্দেজ, জীবনের বেশিরভাগ সময়টা তার জেলেই কাটছে।

এরা ছাড়াও আরো দুইটা পুরুষ চরিত্র আছে উপন্যাসে। একজনের নাম গর্ডন হসার, অন্যজন ডক।

গর্ডন হসার একজন টিচার, জেলের ক্লাসে মেয়েদের পড়ায়। মাউন্টেন শ্যাক-এ একাই থাকে। তার চরিত্রটা খুব সরল, আর সাধারণ। এই সরলতার কারণেই জেলের চতুর মহিলাদের বিভিন্ন ফাঁদে সে পা দেয়। এর থেকে মনে হইতে পারে সে বোকা। কিন্তু না, সে যে জেলের ভিতরের কমিউনিটির কাছে একটা বিরাট হাসির পাত্র, তা সে জানে। কিন্তু, কাউকে বুঝতে দেয় না। বরং, তার এই ক্ষমতাকে সে উপভোগ করে।

গর্ডন চরিত্র হিসেবে বাস্তবতার খুব কাছাকাছি। সে জীবনে যা চাইছে তা পায় নাই, বরং সবসময় অসুখী থাকতে হইছে তাকে। সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হইছে। বিশেষ কিছু নাই তার জীবনে। এই চরিত্র এক দিক থেকে কুশনার নিজেই। নিউ ইয়র্কারকে দেওয়া একটা ইন্টারভিউতে কুশনার এই চরিত্র তৈরির পিছনের গল্পটা বলেন। তিনি বলেন, জেলে যারা আসা যাওয়া করে তাদের জেলের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি জেলের কয়েদি বা জেলে থাকা অন্যান্যদের থেকে ভিন্ন। কিন্তু এইটা বোঝানো সম্ভব যদি তা এখানে নিয়মিত আসা-যাওয়া করতে পারে এমন চরিত্র হয়।

কুশনার জেল সম্পর্কে পড়াশোনার সময় নিজেই এই অবস্থানে ছিলেন। ওনার তখন মনে হইছিল, ঠিক এমনই একটা চরিত্র, এই সবকিছু যে অন্যভাবে দেখার সুযোগ পায়, উপন্যাসটাকে একটা অন্য মাত্রা দিতে পারে। শুধু জেলের ভিতরে যারা কষ্ট পাচ্ছে তাদের বাইরেও কষ্ট দেখতে পাচ্ছে এমন একজনকে আনা যায় গল্পে। তখন তিনি গর্ডন হসারকে তৈরি করেন।

উপন্যাসের এক পর্যায়ে গর্ডন রোমির প্রেমে পড়ে। এই জন্য আবার নিজেকে দোষারোপও করে। তার মতে রোমি হলো এমন একটা মেয়ে, যে নিজের সৌন্দর্য দিয়ে কাজ আদায় করে নিতে জানে না, সে জানেই না সে কত সুন্দর! পরবর্তীতে, রোমির এক সেলমেট তাকে বলে যে সে সুন্দর এবং এই সৌন্দর্য দিয়ে গর্ডনকে কাবু করতে। একসময় তাদের পছন্দের কথা তারা একে অন্যকে জানায়ও।

জেলের দ্বিতীয় পুরুষ চরিত্রটা হলো, ডক। সে একজন অসৎ পুলিশ অফিসার। এই চাকরির পাশাপাশি সে কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ের কাজ করে। ডককে কুশনার নিছেন একটা বাস্তব চরিত্র থেকে। তিনি ক্রিমিনলজি টিমের সঙ্গে যখন ফলসোম প্রিজনে যান, বাকিরা আগাইতে থাকলেও কুশনার পিছনে একাই থাইকা যান। একটা সেলে একজন কন্ট্রাক্ট কিলারের সঙ্গে তার কথা হয়। সে লস অ্যাঞ্জেলেসের একজন পুলিশ অফিসার ছিল। চাকরির পাশাপাশি গোপনে ওই কাজ করত। একদিন ধরা পড়ে যায়। এর দায়ে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। সে কুশনারকে তার অপরাধের গল্প বলে। পুলিশ অফিসারটার সঙ্গে কথা বলার ওই পাঁচ মিনিট সেলে তার সঙ্গে শুধু কুশনারই ছিল। তার সেলের দেয়ালে সে বিভিন্ন শিল্পীর ছবি আঁকা দেখতে পায়। সে ওই লোকের ব্যাপারে নিউ ইয়র্কারকে বলেন, তার চেহারায় একধরনের পৈশাচিক তারুণ্য ছিল। সূর্যের আলোতে সেটা পুড়ে যায় নি, কেননা, অসৎ পুলিশেরা বাহিরে থাকে না। কুশনার বলেন, ওই লোকের চরিত্রটাকে তার ত্বকে অনুভব করতে পারতেছিলেন তখন। সেই অনুভূতি থেকেই তৈরি করেন ডক’কে।

ডকের এক সহকর্মী তাকে প্রচণ্ড মারধর করে। তাতে তার ব্রেনে ইনজুরি হয়। ইনজুরির কারণে বিভিন্ন কিছু ভুলে গিয়ে শুধু দেশীয় শিল্পীদের কথা তার মাথায় ঘোড়ার মতো দৌড়াতে থাকে। কিন্তু, এই দুর্ঘটনাই ডকের ভিতরের জগৎটাকে হঠাৎই একটা সারপ্রাইজের মতো পাঠকের কাছে নিয়ে আসে। তার মাথায় সারাক্ষণ তখন ডলি পার্টন আর স্কিটার ডেভিসের মতো শিল্পীরা ঘুরতে থাকে।

রোমি হল ছিল উইমেনস প্রিজন-এ। প্রিজনের নারীদের বন্দিজীবন আর তাদের সাথে ঘটা বিভিন্ন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে কুশনার তার উপন্যাসে অসংখ্য অণুগল্প বলেন। তিনি দেখান, আমেরিকায় দরিদ্র এবং নারী হওয়ার মানে আসলে কী!

নিউ ইয়র্কের উইমেনস কারেকশনাল ফ্যাসিলিটির স্টুডেন্টরা প্রায়ই কুশনারকে লিখত, তাদের খুব চিৎকার করতে ইচ্ছা করে। চিৎকারের শব্দ চারিদিকে শোনা গেলে হয়তো তাদের মনে হবে, তারা জীবিত।

জেলের নারীদের প্রায় সবাই জেলে আসার আগে ধর্ষণের শিকার হইছে। তাও নিজের পরিবারের সদস্যদের দ্বারা। এইরকম অভিজ্ঞতার পরে তাদের অধিকাংশ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এখন সেক্স ওয়ার্কের বাইরে তাদের কাজের সুযোগ বিশেষ নাই। তারা কোনোদিক থেকেই জীবনে সুখী না। ধর্ষিত হওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রায় প্রত্যেকেই প্রেমিক, সহকর্মী, পুলিশ অফিসার দ্বারা নির্যাতিত। এই প্রচণ্ড অসুখী আর হতাশার জীবন তাদেরকে অপরাধের দিকে ঠেলে দিছে।

এই নারীদের বেশিরভাগই অপরাধ করছে নিজের জীবন বাঁচাইতে গিয়ে। কুশনার দেখান, তাদের দেশের আইন প্রথমত ব্যর্থ এই নারীদেরকে সুরক্ষা দিতে; দ্বিতীয়ত, তাদের অপরাধকে সহানুভূতি দিয়ে বিচার করতে।

সম্প্রতি ভোগ ম্যাগাজিন কুশনারের সাক্ষাৎকার নেয়। সাক্ষাৎকারে জেলের কয়েদিদের সঙ্গে আলাপের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তাদের প্রত্যেকেই নিজের কৃতকর্মের জন্য আফসোস করে। এবং তাদের সাথে কথা বলে একটা বিষয় স্পষ্ট, জীবনের শুরু থেকে তারা কেউই কোনো ভালো সুযোগ পায় নি। বরং, তাদের সবার ছোটবেলা খুব কষ্টে কেটেছে। ওখানে অপরাধ করে জেলে যাওয়া বেশিরভাগ মানুষই এসেছে দরিদ্র পরিবার থেকে। আমি যেই সুযোগ সুবিধা নিয়ে জন্মেছি সেটাই আমার  আর আমার জেলে থাকা বন্ধুদের মধ্যকার পার্থক্য। দারিদ্র্য এবং হিংস্রতা এক সুতায় গাঁথা…।’’

কুশনারের বয়স ৫০। লস অ্যাঞ্জেলসে থাকেন। লেখালেখির ছাড়াও বেশ কিছু সময় তিনি সাংবাদিকতা করছেন। ক্রিটিকদের মতে, তার প্রতিটা উপন্যাস অনন্য এবং অসাধারণ, সাহিত্যে নারীদের হালকাভাবে বিচরণের এই সময়ে তার প্রতিটি উপন্যাস দিয়ে তিনি নারী লেখকদের জন্য শক্ত অবস্থান তৈরি করে দিতেছেন।

লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস বলে, সাহিত্যের ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত নারী লেখকদের রাজনৈতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তাকে খাটো করার মানসিকতা দেখা যায়। সে হোক সমালোচক, অন্য পুরুষ লেখক বা পাঠক। বরং, লেখায় নারীসুলভ আবেগ, দুঃখ-কষ্ট দেখতে চাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। তাদের এমন প্রবণতাকে বরং গঠনমূলক, রাজনৈতিক চিন্তা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক লেখার দিকে নিয়ে যাবেন কুশনারের মত নারী সাহিত্যিকরা।

Recommended Posts

1 Comment

  1. খুব ভালো একটা ওয়েবসাইড । কারন সাম্প্রতিক কালে দেশ বিদেশের কি কি নতুন বই বের হচ্ছে তা জানতে পারি


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *