ফেসবুক এবং টুইটারের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে থাইল্যান্ড। সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, গত মাসে এই দুই সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিষ্ঠানকে তাদের প্ল্যাটফর্মে থাকা কয়েকটা কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলার অনুরোধ জানানো হয়। তবে থাইল্যান্ডের আদালতের রায়ে নির্ধারিত ১৫ দিনের সময়সীমা উপেক্ষা করে সেই কন্টেন্ট এখনো সরানো হয়নি। এই কারণেই তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির ডিজিটাল মিনিস্টার পুত্তিপং পুন্নাকান্তা।

থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে ইন্টারনেট ভিত্তিক বড় ধরনের কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এর আগে কখনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে পুত্তিপং জানান, “যেসব ডিজিটাল প্লাটফর্ম আদালতের আদেশের অমান্য করছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রথমবারের মতো কম্পিউটার ক্রাইম অ্যাক্টের অধীনে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি।”

তিনি আরো জানান যে, এসব অভিযোগ মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত মূল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেই করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের যেসব সংস্থা ফেসবুক বা টুইটারের অধীনে কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে না।

রাজতন্ত্র কিংবা রাজপরিবারকে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে থাইল্যান্ডে সাধারণত কঠোর আইন প্রয়োগ করা হয়। দেশটির ‘কম্পিউটার ক্রাইম অ্যাক্ট’ অনুযায়ী অসত্য কিংবা জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে, এমন কোনো তথ্য অনলাইনে আপলোড করাটা দণ্ডনীয় অপরাধ।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই আইন দিয়ে রাজপরিবারের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সমালোচনাকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।