Subscribe Now
Trending News

Blog Post

মানব জীবাণুতন্ত্র—৩৯ লক্ষ কোটি অণুজীব
সায়েন্স

মানব জীবাণুতন্ত্র—৩৯ লক্ষ কোটি অণুজীব 

কোটি কোটি অণুবীক্ষণিক জীব রয়েছে আমাদের দেহে। যারা আমাদের আচরণকে আপনার কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি অদ্ভুত উপায়ে প্রভাবিত করে।

আপনার শরীরে কিলবিল করছে অসংখ্য জীবাণু এবং ছত্রাক। তবে চিন্তা করবেন না। তাদের বেশিরভাগই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য রয়েছে। মানব জীবাণুতন্ত্রের বিস্ময়কর জগতে আপনাকে স্বাগতম।

মানব জীবাণুতন্ত্র কী?
যে কোনো মানবদেহে প্রায় ৩০ লক্ষ কোটি মানব কোষ থাকে। আর মানব জীবাণুতন্ত্রটি (হিউম্যান মাইক্রোবায়োম) আনুমানিক ৩৯ লক্ষ কোটি মাইক্রোবায়াল বা অণুজীব কোষের সমন্বয়ে গঠিত। যার মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং আমাদের দেহের ভেতরে ও বাইরে বসবাসকারী ছত্রাক।

তাদের অতি ক্ষুদ্র আকারের কারণে এই অণুজীবগুলি আমাদের দেহের ভরে মাত্র ১-৩ শতাংশ অবদান রাখে। তবে এই জীবাণুতন্ত্রের রয়েছে অভাবনীয় শক্তি এবং সম্ভাবনা।


মুন-কিয়েট লোই
সায়েন্স ফোকাস, ১৪ জুলাই ২০২০


আমাদের প্রতিটি কোষে প্রায় ২০-২৫,০০০ জিন রয়েছে। তবে মানব জীবাণুতন্ত্র সম্ভবত এর ৫০০ গুণ বেশি ধারণ করে।

তবে, অণুজীবগুলির দ্রুত বিবর্তিত হওয়া, জিনগুলি অদলবদল করা, সংখ্যায় দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া, এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা তাদেরকে- এবং আমাদেরকেও- অসাধারণ কিছু সক্ষমতা এনে দেয় যা আমরা এখনো পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারিনি এবং এর সঙ্গে কেবল পরিচিত হওয়া শুরু করেছি।

আমাদের দেহে জীবাণুতন্ত্রের অবস্থান কোথায়?
মানবদেহে নানা ধরনের পরিবেশ রয়েছে। আর অণুজীবগুলি সব জায়গাতেই থাকতে সক্ষম।

দেহের প্রতিটি অংশই ভিন্ন ধরনের ইকোসিস্টেম। ঠিক যেমন পৃথিবীর রয়েছে বিভিন্ন মহাদেশ এবং জলবায়ু, যার বাসিন্দারা প্রতিটি জায়গার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে।

আমাদের মুখ এবং হাত শুকনা ও ঠাণ্ডা। তারা প্রতিনিয়ত নানা উপাদানের সংস্পর্শে আসে। এবং প্রতিবার আমরা যখন কোনো জিনিস স্পর্শ করি তখন অসংখ্য অভিবাসী জীবাণু আমাদের শরীরে চলে আসে।

বগলের মতো আর্দ্র, উষ্ণ এবং অন্ধকার জায়গায় প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া বাস করে।

মানুষের পা জীবাণুদের জন্য আরো ভালো জায়গা। যেখানে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ৬০০ ঘামগ্রন্থি রয়েছে, যা বগলের চেয়ে কয়েকশো বেশি। এসব গ্রন্থি দিয়ে লবণ, গ্লুকোজ, ভিটামিন এবং অ্যামাইনো অ্যাসিডের স্যুপ নিঃসৃত হয় এবং ব্যাকটেরিয়াদের জন্য উপযুক্ত খাদ্য সরবরাহ করে।

মানুষের পা জীবাণুদের জন্য আরো ভালো জায়গা।

তারপরে রয়েছে অন্ত্রের জীবাণুতন্ত্র, যেখানে হাজার হাজার স্থানীয় ব্যাকটেরিয়া আমাদের সাথে অংশীদারিত্বে বসবাস করে। তারা অন্ধকার, উচ্চ মাত্রার অ্যাসিড এবং কম অক্সিজেনযুক্ত এক প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকে। পেট এবং অন্ত্রের ভেতরে যেন একটি অশান্ত নদী প্রবাহিত হয়।

এই অণুজীবগুলি কোথা থেকে আসে?
আপনার জীবাণুতন্ত্রের তিন-চতুর্থাংশ আপনার মায়ের কাছ থেকে এসেছে। মাতৃগর্ভ জীবাণুদের জন্য অনুকুল জায়গা না, ফলে তা জীবাণুবিহীন (অন্তত আমরা এখন পর্যন্ত তাই জানি)। কিন্তু যখন আমরা প্রসব পথ (জরায়ু, যোনি এবং ভালভা) দিয়ে বের হয়ে আসি তখন যোনিপথে থাকা অসংখ্য জীবাণুর সংস্পর্শে আসি।

আক্ষরিক অর্থে এই জীবাণু সমুদ্রে গোসল জীবনের একটি স্বাস্থ্যকর সূচনার জন্য অত্যাবশ্যক। যে কারণে সিজারের মাধ্যমে জন্ম নেয়া শিশুদের জীবনে পরবর্তী সময়ে অ্যালার্জি, হাঁপানি, পেটের পীড়া এবং স্থূলতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কেননা তারা এই জীবাণু সমুদ্রে গোসল থেকে বঞ্চিত হয়।

আমরা প্রতি গ্রাম খাবারের সঙ্গে প্রায় এক মিলিয়ন জীবাণুও গ্রাস করি। এবং আমরা যা খাই তার একটি প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে আমাদের অন্ত্রের জীবাণুতন্ত্রে বাসকারী অণুজীব প্রজাতিগুলির উপর। উদাহরণস্বরূপ, আমরা যদি মাংস খাওয়া বাদ দিয়ে নিরামিষ খাওয়া শুরু করি তাহলে অন্ত্রে থাকা জীবাণুগুলিও সে অনুযায়ী বদলে যায়।

একইভাবে, আমরা যখন এক পরিবেশ থেকে অন্য পরিবেশে যাই তখন আমাদের দেহে বিভিন্ন লোকের দেহ এবং বিভিন্ন জায়গায় থাকা জীবাণুও প্রবেশ করে।

প্রতিটি বাড়িতে একটি স্বতন্ত্র জীবাণুতন্ত্র থাকে যা এতে বসবাসকারী লোকদের দেহ থেকে আসে। একটি নতুন বাড়িতে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে আমাদের দেহের জীবাণুরা উপনিবেশ গড়ে তোলে।

এবং পোষা প্রাণীর সংসারে যারা বড় হন, তাদের দেহে নানা ধরনের জীবাণুরা প্রবেশ করে, যা কোনো খারাপ ব্যাপার নয়।

বিজ্ঞানীরা সন্দেহ করছেন যে, আধুনিক কালের প্রচুর সাধারণ অ্যালার্জি যেমন খড় জ্বর (hay fever) হয় এমন একটি দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে যা অল্প বয়সেই এই ধরনের অণুজীবের সাথে সহাবস্থানের সুযোগ পায়নি। তার মানে যারা সিজারের মাধ্যমে জন্ম নিয়েছে এবং খুব বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং জীবাণুমুক্ত পরিবেশে বাস করে তাদের এই সমস্যা বেশি হয়।

আমাদের জীবাণুতন্ত্রের কাজ কী?
প্রচুর কাজ। অন্ত্রের জীবাণুতন্ত্র চর্বি সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং পুষ্টি শুষে নেওয়া, বিষাক্ত পদার্থগুলি ভেঙে ফেলা ও রক্তনালী তৈরির সাথে সংশ্লিষ্ট মানব কোষের জিনগুলিকে সক্রিয় করতে সহায়তা করে।

এই উপকারী অণুজীবগুলি অন্ত্র এবং ত্বকের রেখাগুলি পুনরায় পূরণ করে, ক্ষতিগ্রস্ত এবং মৃত কোষগুলির জায়গায় নতুন কোষ প্রতিস্থাপন করে। অসুস্থতা রোধেও তাদের ভূমিকা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের দেহের স্থানীয় অণুজীবগুলি আক্রমণকারী অণুজীবদের সাথে প্রতিযোগিতা করে তাদেরকে আমাদের দেহে বাসা বাঁধতে দেয় না। রোগ প্রতিরোধে আমরা আসলে আংশিকভাবে পরিগঠিত একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে জন্মগ্রহণ করি।

যা অণুজীবগুলির সাথে মিথষ্ক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ আকার পায়। এই মিথষ্ক্রিয়া উৎপন্ন রোগ প্রতিরোধী কোষের শ্রেণিগুলিকে এবং তাদের তৈরিকারী ও সংরক্ষণকারী অঙ্গগুলির বিকাশকে প্রভাবিত করে।

যেমনটি ইড ইয়ং তাঁর বই ‘আই কন্টেইন মাল্টিচুডস’-এ বলেছেন: “আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্ষতিকারক নয় এমন অণুজীব এবং ক্ষতিকারক রোগজীবাণুর মধ্যে পার্থক্য করতে পারার সক্ষমতা জন্মগতভাবেই নিয়ে আসে না… আমাদের দেহের জীবাণুতন্ত্র এই পার্থক্যটিকে পরিষ্কার করে দেয়।”

মানব জীবাণুতন্ত্র এমনকি আমাদের শরীরের গন্ধকেও প্রভাবিত করে। বিভিন্ন অণুজীব প্রজাতি ঘামকে পেঁয়াজের গন্ধে বা টেস্টোস্টেরনকে মূত্রের দুর্গন্ধে রূপান্তর করতে পারে। যা আবার আমাদের বন্ধু ও শত্রুদের জন্য শক্তিশালী সংকেত হিসাবে কাজ করে।

এই গন্ধ অত্যন্ত ব্যক্তিগত। এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে যে, একজন মানুষের পরিচয় কেবল তার ঘামে ভেজা টি-শার্ট থেকেই শনাক্ত করা যায়।

বিজ্ঞানীরা আরও মনে করেন যে, পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের দূর-দেশে ভ্রমণের ফলে আমরা যে জেটল্যাগে আক্রান্ত হই তার পেছনেও আমাদের জীবাণুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
ঘুমের প্যাটার্নে পরিবর্তনের ফলে আমাদের অন্ত্রের অণুজীবগুলির সঙ্গে আমাদের আচরণের ছন্দপতন ঘটে। ফলে ভিন্ন ভিন্ন অণুজীব প্রজাতি ভুল সময়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে। যার ফলে আমরা জেটল্যাগে আক্রান্ত হই।

আসলে ঘুম এমন অনেকগুলি উপায়ের একটিমাত্র উপায়, যেসবের মাধ্যমে অণুজীবগুলি আমাদের মেজাজ এবং আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে।

মৃত্যুর পরে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং আমাদের দেহে থাকা অণুজীবগুলিও অবাধে ছড়িয়ে পড়ে। আর আমাদের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াগুলি ভিতর দিক থেকে বাইরের দিকে অন্ত্র এবং পার্শ্ববর্তী টিস্যুগুলি হজম করা শুরু করে। এরপর তারা কৈশিক নালি এবং লসিকা গ্রন্থিগুলিতে আক্রমণ করে। যকৃত, প্লীহা, হৃদপিণ্ড এবং মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে। তখন তারা মৃত কোষগুলি থেকে বেরিয়ে আসা রাসায়নিক ককটেল খেয়ে বেঁচে থাকে।

আমাদের জীবাণুতন্ত্র কি আসলেই আমাদের আচরণকে প্রভাবিত করে?
আমাদের রোগের এবং আচরণগত পরিবর্তনের জন্য জীবাণুতন্ত্র দায়ী, নাকি রোগবালাই এবং আচরণই জীবাণুতন্ত্রের জন্য দায়ী তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

অন্ত্রের অণুজীবগুলি যে হরমোন এবং অণু উৎপাদন করে তার মাধ্যমে তারা মস্তিষ্ককে কীভাবে প্রভাবিত করে তার সাক্ষ্য-প্রমাণ জড়ো করা শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এগুলি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা কেউ জানে না।

স্নায়বিক রোগগুলির চিকিৎসার জন্য নতুন উপায় উদ্ভাবনে আগ্রহী ওষুধ কোম্পানিগুলি গবেষণায় প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করছে।

অণুজীবগুলি কি একে অপরের কাজে হস্তক্ষেপ করে?
বিভিন্ন প্রজাতির অণুজীবগুলির মধ্যে যোগাযোগ এবং মিথষ্ক্রিয়া অবিশ্বাস্যরকমভাবে জটিল।

এছাড়া বাহ্যিক উপাদানগুলি কীভাবে কার্যকর হয় তাও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা জানি যে, ব্যাকটেরিয়ার দুটি গ্রুপ—ফার্মিকিউটস এবং ব্যাকটেরয়েডেটিস-এর ভারসাম্যহীনতার ফলে মানুষ স্থূলতায় আক্রান্ত হয়। তবে আমরা কীভাবে পাল্টা একে প্রভাবিত করতে পারি তা জানার লিংকটি এখনও পরিষ্কার বা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এমনকি আমরা যদি এর একটি সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনও করতে পারি, শরীর তা গ্রহণ করবে কিনা তাও বলা সম্ভব নয়।

স্বাস্থ্যবান জীবাণুতন্ত্র গড়ে উঠে কীভাবে?
কোনো জীবাণুতন্ত্র অসংগঠিত বা অসম্পূর্ণ থাকলে আপনি কীভাবে বুঝবেন? কোনো একটি প্রজাতির অণুজীবের ঘাটতি থাকলেই কি একটি অন্ত্র অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে? আর কীসের সঙ্গে তুলনার ভিত্তিতেই বা এর মূল্যায়ন করবেন?

মানব জীবাণুতন্ত্রের জন্য কোনটা ‘স্বাভাবিক’ বা ‘স্বাস্থ্যকর’ তা সংজ্ঞায়িত করাটা গুরুত্বপূর্ণ। এবং দেশ, অঞ্চল, সম্প্রদায়, শহর এবং যুবক বা বৃদ্ধ, ধনী বা গরীব, বহির্গামী বা নির্জন ভেদে এর রূপও ভিন্ন হতে পারে। যা সবার জন্য একটি সাধারণ ওষুধ তৈরির স্বপ্নের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ।

আমাদের দেহে যেসব অণুজীব বাস করে এবং তাদেরকে যেখানে পাওয়া যায়

১. মাথার ত্বকে
সাম্প্রতিক কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, মাথার ত্বকে বসবাসকারী দুটি সাধারণ ব্যাকটেরিয়া মধ্যে পরিমাণ বা সংখ্যাগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ফলে আমাদের মাথায় খুশকি হয়। এরা হল: প্রোপিওনিব্যাকটেরিয়াম এবং স্ট্যাফিলোকোক্কাস।

২. বগলে
যখন কিছু ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু ঘামের মুখোমুখি হয়, তখন তারা থিয়োঅ্যালকোহল নামে কটুগন্ধী যৌগ তৈরি করে। স্ট্যাফিলোকোক্কাস হোমিনিস এর জন্য দায়ী সবচেয়ে খারাপ অপরাধীদের মধ্যে একটি।

৩. মলে
আমাদের অন্ত্রে বিপুল সংখ্যক অণুজীব থাকে। ফলে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে তাদের অনেকে আমাদের মলেও প্রবেশ করে। আমাদের মলের আনুমানিক ৩০ শতাংশই মৃত ব্যাকটেরিয়া।

৪. পায়ে
আপনার পায়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে স্ট্যাফিলোকোক্কাস এপিডার্মিডিস। এই অণুজীবটি আইসোভ্যালেরিক অ্যাসিডের নিঃসরণ করে। পুরোনো স্টিলটন পনিরের মতো গন্ধ ছড়ায় এই অ্যাসিড।

৫. মুখে
স্ট্রেপটোকোক্কাস মিউট্যানরা শর্করাকে অ্যাসিডে পরিণত করে যা আমাদের দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে ক্যাভিটিস বা গহ্বর সৃষ্টি করে।

৬. ত্বকে
প্রোপিওনিব্যাকটেরিয়াম ব্রণগুলি আমাদের দেহের ত্বকের ছিদ্র এবং চুলের গ্রন্থিকোষগুলির গভীরে বসবাস করে এবং ত্বকে দাগ সৃষ্টি করতে পারে।

৭. অন্ত্রে
আমাদের জীবাণুতন্ত্রের বেশিরভাগ অণুজীবই এখানে বাস করে। যাদের সংখ্যা প্রায় ৪০০ ট্রিলিয়ন।

৮. যোনিতে
একটি ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিকেই যোনিতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। যার নাম ল্যাকটোব্যাসিলাস। এই ব্যাকটেরিয়া যোনিতে ল্যাকটিক অ্যাসিড উগরে দেয়। যা যোনির পরিবেশকে নিম্ন অ্যাসিডিক পিএইচ স্তরে রাখে। ফলে অন্য কোনো ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং ভাইরাস সেখানে টিকে থাকতে পারে না।

অনুবাদ: মাহবুবুল আলম তারেক

Related posts

সাম্প্রতিক © ২০২১ । সম্পাদক. ব্রাত্য রাইসু । ৮১১ পোস্ট অফিস রোড, বাড্ডা, ঢাকা ১২১২