Subscribe Now
Trending News

Blog Post

স্লোভাকিয়ায় পরীক্ষামূলক ফ্লাইং কার এর উড্ডয়ন সম্পন্ন
স্লোভাকিয়ায় পরীক্ষামূলক ফ্লাইং কার এর যাত্রা সম্পন্ন
নিউজ

স্লোভাকিয়ায় পরীক্ষামূলক ফ্লাইং কার এর উড্ডয়ন সম্পন্ন 

স্লোভাকিয়ায় জুন মাসের শেষ সপ্তাহে যাত্রীসহ একটি ফ্লাইং কার এর পরীক্ষামূলক যাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। ইঞ্জিনিয়াররা আশা করছেন, এমন গাড়ি ভবিষ্যতে সাধারণ পরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

ক্লেইন ভিশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি গাড়ি এবং উড়োজাহাজের মধ্যকার এই হাইব্রিড যানের নাম দেয়া হয়েছে ‘দ্যা এয়ারকার’। যানটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। তবে গত সোমবার সফলভাবে টেস্ট ফ্লাইট সম্পন্ন করার মাধ্যমে যানটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টেফান ক্লেইন এয়ারকারটি চালিয়েছেন। দেশটির নিত্রা শহরের বিমানবন্দর থেকে ব্রাটিস্লাভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩৫ মিনিটে যাত্রা শেষ করে যানটি।

স্টেফান ক্লেইন
স্টেফান ক্লেইন

এয়ারকারে যেই ডানা রয়েছে , তা প্রয়োজন অনুসারে ভেতরে বা বাইরের দিকে সরানো যায়। এছাড়াও যানটিতে ১৬০ হর্সপাওয়ারের বিএমডব্লিউ ইঞ্জিন, ফিক্সড প্রপেলার এবং একটি ব্যালিস্টিক প্যারাসুট রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে চমৎকার বিষয় হল,  ফ্লাইং কারটি ৩ মিনিটের মাথায় একটি গাড়িতে রূপান্তর হতে পারে।

এই এয়ারকার ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সাফল্য অর্জন করেছে।

যেমন, যানটি ৪০ ঘণ্টার বেশি সময় টেস্ট ফ্লাইট সম্পন্ন করেছে, ৪৫ ডিগ্রি কোণে টার্ন নিতে পেরেছে এবং স্থায়িত্ব আর কার্যকারিতার বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়াও ভূমি থেকে ৮২০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছানো এবং আকাশপথে সর্বোচ্চ ১৯০ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পেরেছে।

ক্লেইন জানিয়েছেন যে, তার কাছে বিষয়টি চমৎকার মনে হয়েছে। কারণ এই যানটি আইনত ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বাস্তবে চালানোর অনুমোদন পাওয়া গেছে। তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতে গ্রাহকরা এমন ধরনের প্রডাক্ট কিনতে পারবে। কিন্তু কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, এমন ভবিষ্যৎ আসতে আরো অনেক দেরি।

স্লোভাকিয়ার যিলিনা শহরের পরিবহন গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষক লুবোমির পালচাক বলেছেন যে, ‘আমরা ভবিষ্যতে উড়ন্ত গাড়ি চালাবো কিনা, তা নিশ্চিত নয়। কিন্তু স্লোভাকিয়াতে এ নিয়ে কাজ করা হয়েছে এবং এর বাস্তব ফলাফলও আমরা পেয়েছি, এটা বেশ ভালো একটা বিষয়।”

ক্লেইন ভিশন-এর পরবর্তী পদক্ষেপ হল যানটির উৎপাদন পূর্ববর্তী একটি মডেল তৈরি করা। প্রতিষ্ঠানটির মতে, তৈরি করা সেই মডেলে ৩০০ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন থাকবে। এবং একইসঙ্গে ইউরোপিয়ান বিমান পরিবহন সুরক্ষা সংস্থা থেকে EASA CS-23 ক্যাটাগরির পারমিট এবং রোড পারমিট গ্রহণ করা হবে।

ভবিষ্যতে তৈরি হতে যাওয়া যানটির দ্বিতীয় প্রোটোটাইপের গতি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার এবং এর রেঞ্জ ১০০০ কিলোমিটার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইউরোনিউজ অবলম্বনে মোয়াম্মা সুলতানা আরিবা

Related posts

সাম্প্রতিক © ২০২১ । সম্পাদক. ব্রাত্য রাইসু । ৮১১ পোস্ট অফিস রোড, বাড্ডা, ঢাকা ১২১২