Home ব্লগ আড্ডার গল্প

আড্ডার গল্প

ঢাকায় ফিরে এলে জাহিদ হায়দারের সাথে আমার বন্ধুত্ব আরো সঘন হয়। সপ্তাহে একদিন তো আমাদের দেখা হতোই। কোনো সাহিত্য-আড্ডায় গেলে আমাকে নিয়ে যেতেন।
আমি বলি, আপনার আম্মা নাকি মাহমুদ ভাইকে খুব পছন্দ করতেন, জামাই-আদরে যত্ন করে খাওয়াতেন? আমার একথা শুনে রোজী আপা হাসেন।
এ বাড়িতে অনেক তরুণ কবি-সাহিত্যিক যেমন যেত, অনেক ধান্ধাবাজও যেত। বেশিরভাগই যেত আলমগীরের আকর্ষণে, চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ খুঁজতে।
আশির দশকের মাঝামাঝি, এক পড়ন্ত বিকেলে, ব্রাত্য রাইসু আর আমি আবদুল মান্নান সৈয়দকে খুঁজতে বের হই। রাইসু তার সাথে দেখা করার জন্য ব্যাকুল।
একদিন আন্‌ওয়ার আহমদ আমাকে ফোন করে বলেন, শামসুর রাহমান চাচ্ছেন না তুমি তার সাথে যোগাযোগ রাখো।
বুঝলা বাদল, কবির কষ্ট কেউ বোঝে না।
'৯৬ সালের ২৯ মার্চ বিয়ে করে আমরা টোনাটুনির সংসার পেতেছি মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডে। এক কামরার সংসার। এটাই আমাদের স্বপ্নের রাজপ্রাসাদ, এটাই আমাদের স্বর্গের বাগান। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই আমি যোগ দেই সেইভ দি চিলড্রেন ফান্ড-ইউকে নামের একটি এনজিওতে। মুক্তি কাজ...
দুই সপ্তাহ আগে বর্ষীয়ান সঙ্গীতজ্ঞ মুত্তালিব বিশ্বাস আমাকে ফোন করেন। মুত্তালিব ভাই ফোন দিলেই আমি এর কারণ বুঝে যাই। তিনি ৮৩ অতিক্রম করেছেন, কাছাকাছি বয়সের শিল্প সাহিত্যাঙ্গনের কারো কথা মনে পড়লেই আমাকে ফোন দেন, তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। আমি...
অনেক সময় দেখা গেছে ফুটপাতের বইয়ের দোকানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পুরো একটি বই পড়ে শেষ করে ফেলেছেন।