আমাদের ফোন আর কম্পিউটারে পুরোনো স্ক্রিনশট, অপ্রয়োজনীয় ইমেইল, এক বছর আগের মেসেজ—এসব ডিজিটাল আবর্জনা সবসময়ই থাকে। আমরা সহজেই এগুলি এড়িয়ে যাই, মুছে ফেলার কথা ভাবি না। কিন্তু জানেন কি, আমাদের এই অনিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল লাইফস্টাইল-এর কারণে আমরা যত মেসেজ পাঠাই, ভিডিও রেকর্ড করি বা ভয়েস নোট পাঠাই—এসবের পেছনে বিপুল বিদ্যুৎ খরচ হয়। আমাদের ডিভাইস থেকে তথ্যগুলি সার্ভারে যায়, যা মূলত বিশাল ডেটা সেন্টারে থাকে। আর আমাদের এই ভুলে যাওয়া ডিজিটাল আবর্জনাগুলিই দিনের পর দিন জমা হতে থাকে তথাকথিত ‘ক্লাউডে’।
ক্লাউডের বাস্তবতা: আকাশের মেঘ নয়, বিশাল ডেটা সেন্টার
আমরা ‘ক্লাউড’ বলতে চোখের সামনে ভেসে ওঠা নীল আকাশের মেঘ বুঝি, কিন্তু এই মেঘের বাস্তবতা আসলে অনেক বেশি উত্তপ্ত আর রূঢ়। শুনতে রোমান্টিক ওই ‘ক্লাউড’ আসলে সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার দানবীয় যন্ত্রের সমাহার, যা বিশাল সব ডেটা সেন্টারে দিনরাত গর্জন করে চলছে।
ভাবুন তো একবার, আপনার স্মার্টফোনে অযত্নে পড়ে থাকা ওই একটি অস্পষ্ট বা ঝাপসা ছবি, যার দিকে আপনি নিজেও দ্বিতীয়বার ফিরে তাকাবেন না—সেটিকে পৃথিবীতে টিকিয়ে রাখতে কী বিপুল আয়োজন! সেই সার্ভারগুলি যখন অবিরাম সচল থাকে, তখন তারা প্রচণ্ড তাপে জ্বলতে থাকে। আর সেই আগুন-গরম যন্ত্রগুলিকে ঠাণ্ডা রাখতে প্রতিটি দিন খরচ হচ্ছে কোটি কোটি লিটার সুপেয় পানি আর হিমাগার সদৃশ এয়ার কন্ডিশনারের হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা বাতাস।
সাম্প্রতিক ডেস্ক
আপনি যা ইচ্ছা তা যেকোনো সময় দেখতে পারছেন ঠিকই, কিন্তু এর বিনিময়ে প্রকৃতির বুক থেকে গিলে নেওয়া হচ্ছে শেষ সম্পদটুকু। আপনার ডিলিট না করা একটি মাত্র ‘জাঙ্ক মেইল’ অথবা কোনো ভুলে রেকর্ড হওয়া কালো ভিডিও স্রেফ আপনার স্টোরেজ দখল করে নেই, বরং তা অনির্দিষ্টকালের জন্য পৃথিবীর পানি আর বিদ্যুতের ওপর এক ধরনের পরজীবী হয়ে বেঁচে আছে। এই অদৃশ্য আবর্জনাগুলি টিকিয়ে রাখার জন্য পৃথিবী নীরবে তার প্রাণরস হারিয়ে ফেলছে।
ডিজিটাল তৃষ্ণা: গুগল ও মাইক্রোসফটের দৈনিক পানির হিসাব
ডেটা সেন্টারগুলি এখন বুভুক্ষুর মত পানি পান করছে। বর্তমানের এআই বিপ্লব এই চাহিদাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বড় টেক জায়ান্টদের পানি ব্যবহারের বার্ষিক হিসাবটি যখন আমরা দৈনিক ভিত্তিতে দেখি, তখন এর ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে:
গুগল: ২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী, গুগল প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ কোটি ৪০ লক্ষ লিটার পানি খরচ করেছে। প্রতিদিন একটি কোম্পানি এত বিশাল পরিমাণ পানি ব্যবহার করছে যা দিয়ে একটি মাঝারি আকারের শহরের কয়েক লক্ষ মানুষের দৈনন্দিন পানির চাহিদা মেটানো সম্ভব।
মাইক্রোসফট: মাইক্রোসফটের দৈনিক পানি ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ লিটার।
এআই-এর প্রভাব: চ্যাটজিপিটি বা জেমিনাই-এর মত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে আমাদের প্রতিটি কথোপকথনের (১০ থেকে ৫০টি প্রম্পট) পেছনে সার্ভার ঠাণ্ডা করতে খরচ হয় প্রায় ৫০০ মিলিলিটার পানি। অর্থাৎ, এআই-এর সাথে আপনার এক দফার আলোচনার মূল্য একটি ছোট পানির বোতলের সমান।
এই বিপুল পরিমাণ পানি বাষ্পীভূত হয়ে সিস্টেম ঠাণ্ডা রাখে, যা সরাসরি আমাদের পানের যোগ্য পানির উৎস থেকে চিরতরে হারিয়ে যায়। এ কারণেই কোম্পানিগুলি এখন ‘ওয়াটার পজিটিভ’ হওয়ার অঙ্গীকার করছে।
ওয়াটার পজিটিভ (Water Positive) কী?
পরিবেশের ওপর এই নেতিবাচক প্রভাব কমাতে বর্তমানে অনেক টেক কোম্পানি ‘ওয়াটার পজিটিভ’ হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। এর অর্থ হল, একটি কোম্পানি তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রকৃতি থেকে যতটুকু পানি গ্রহণ করছে, বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে প্রকৃতিতে তার চেয়ে বেশি পরিমাণ পরিষ্কার পানি ফিরিয়ে দেওয়া। এটি মূলত পানির অপচয় হ্রাস, জলাশয় খনন বা বনায়নের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ফিরিয়ে আনা (Water Restoration) এবং খরাপ্রবণ এলাকায় পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে করা হয়। গুগল এবং মাইক্রোসফট ২০৩০ সালের মধ্যে ‘ওয়াটার পজিটিভ’ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
২০২২ সালের খরা এবং ডিজিটাল সচেতনতা
২০২২ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবদাহ দেখা দেয়। তাপমাত্রা প্রথমবারের মত ৪০° সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায় এবং তীব্র খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই চরম উত্তাপে গুগল এবং ওরাকলের মত কোম্পানির লন্ডনভিত্তিক ডেটা সেন্টারগুলির কুলিং সিস্টেম অকেজো হয়ে গিয়েছিল। তৎকালীন খরা পরিস্থিতিতে Environment Agency এবং National Drought Group (NDG) যখন পানি সাশ্রয়ের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে, তখনই ডিজিটাল বর্জ্যের বিষয়টি সামনে আসে।
ইমেইল ডিলিট করার গুরুত্ব: ক্ষুদ্র বনাম বৃহত্তর প্রভাব
অনেকে মনে করেন ব্যক্তিগতভাবে কয়েকটি ইমেইল মুছলে পরিবেশের খুব একটা লাভ নেই। এককভাবে চিন্তা করলে এটি হয়ত সত্য, কারণ আপনার ইমেইল ডিলিট করার ফলে টেক জায়ান্টরা তাদের সার্ভার বন্ধ করে দেয় না। কিন্তু সমস্যাটি যখন বৃহত্তর স্তরে গিয়ে দাঁড়ায়, তখন চিত্রটা বদলে যায়:
নতুন ডেটা সেন্টারের চাহিদা: কোটি কোটি মানুষের ইনবক্সে যদি ৫ গিগাবাইট করে অপ্রয়োজনীয় ইমেইল বা ফাইল জমে থাকে, তবে সেই বিশাল ‘ডিজিটাল আবর্জনা’ রাখার জন্য টেক কোম্পানিগুলিকে প্রতি বছর নতুন নতুন ডেটা সেন্টার তৈরি করতে হয়।
হার্ডওয়্যার ও নির্মাণ দূষণ: এই নতুন ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ এবং কয়েক লক্ষ নতুন সার্ভার বা হার্ডওয়্যার তৈরি করতেই পরিবেশের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়। একটি সার্ভারের জীবনচক্রের ৮০% কার্বন নিঃসরণ হয় তা তৈরির সময়। অর্থাৎ, আমরা যত বেশি অপ্রয়োজনীয় ডেটা জমিয়ে রাখব, কোম্পানিগুলি তত বেশি নতুন হার্ডওয়্যার বানাবে এবং পরিবেশ তত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সক্রিয় বনাম নিষ্ক্রিয় ডেটা: সংরক্ষিত ডেটা স্টোরেজে থাকা অবস্থায় কম শক্তি খরচ হলেও, আপনি যখন সেগুলি সার্চ করেন বা ক্লাউডে বার বার আপলোড-ডাউনলোড করেন, তখন সার্ভারের ওপর তাৎক্ষণিক চাপ পড়ে যা পানি ও বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে দেয়।
প্রকৃত বড় সমস্যা: ডিভাইস উৎপাদন
পরিবেশ বিজ্ঞানের জগতে কার্বন ফুটপ্রিন্ট নিয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নামগুলির একটি হল মাইক বার্নার্স-লি। তিনি যুক্তরাজ্যের ল্যানকাস্টার ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং বিখ্যাত কার্বন বিশেষজ্ঞ। মজার তথ্য হল, তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর উদ্ভাবক স্যার টিম বার্নার্স-লি-র আপন ভাই। তার বহুল আলোচিত বই ‘How Bad are Bananas?: The Carbon Footprint of Everything’-এ তিনি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি জিনিসের পরিবেশগত প্রভাব ব্যবচ্ছেদ করে দেখিয়েছেন।
মাইক বার্নার্স-লি উল্লেখ করেছেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবেশের ক্ষতির আসল বড় কারণটি কেবল আপনার পাঠানো ইমেইল বা মেসেজ নয়, বরং এসব ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের জন্য যেসব ডিভাইস তৈরি করা হয়, সেই উৎপাদন প্রক্রিয়া। একটি আইফোনের পুরো জীবনচক্রের কার্বন নিঃসরণের প্রায় ৮০% সরাসরি উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে আসে। ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এর কার্বন ফুটপ্রিন্টের প্রায় ৭০% থেকে ৭৫% খরচ হয়ে যায় এটি প্রথমবার চালু করার আগেই। তাই সবচেয়ে কার্যকর পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ হল ডিভাইস কম কেনা এবং যা আছে তা দীর্ঘস্থায়ী করা।
ডিজিটাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান কীভাবে শুরু করবেন
মাইক বার্নার্স-লি-র এই বড় চিত্র আমাদের বুঝিয়ে দেয় যে, আমাদের প্রতিটি ডিজিটাল পছন্দ আসলে পরিবেশের ওপর কত গভীর ছাপ ফেলে। এই ধ্বংসযজ্ঞ থামাতে হলে আমাদের কেবল নতুন পণ্য কেনায় সচেতন হলে চলবে না, বরং হাতের ডিভাইসে জমে থাকা অদৃশ্য আবর্জনার বোঝা কমানোর মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে। আপনার ডিজিটাল জীবনকে গুছিয়ে নেওয়া কেবল আপনার স্টোরেজ বাঁচানো নয়, এটি পৃথিবীর প্রতি আপনার নৈতিক দায়িত্ব পালনের একটি ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তিশালী অংশ।
খুব সহজ কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে আপনি এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করতে পারেন:
ফটো আর ভিডিওর বোঝা কমান: আপনার ফোনে হয়ত একই ছবির একাধিক কপি আছে, অথবা অজস্র ঝাপসা ছবি। নিয়মিত ফটো অ্যালবাম দেখে এই অপ্রয়োজনীয় ছবিগুলি মুছে ফেলুন। বিশেষ করে বড় ভিডিও ফাইলগুলি চেক করুন—ভুল করে রেকর্ড হওয়া বড় ভিডিওগুলি বিশাল পরিমাণ ক্লাউড রিসোর্স দখল করে থাকে।
ইনবক্সের জঞ্জাল সরান: অপ্রয়োজনীয় প্রমোশনাল ইমেইল বা নিউজলেটার মুছে ফেলুন। প্রতি মাসে একবার চেক করে দেখুন, যেসব মেইল আপনি গত এক মাসে একবারও খোলেননি, সেগুলি থেকে ‘আনসাবস্ক্রাইব’ করুন। মেইল না আসা মানেই হল বাড়তি কার্বন ফুটপ্রিন্ট থেকে মুক্তি।
মেসেজ আর চ্যাটের পরিচ্ছন্নতা: পুরোনো হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার বা চ্যাট অ্যাপের যেসব কথোপকথন আর দরকার নেই, সেগুলি মুছে ফেলুন। বিশেষ করে চ্যাটে শেয়ার করা বড় ভিডিও বা অডিও ক্লিপগুলি ডিলিট করলে ডিভাইসের ওপর চাপ অনেক কমবে।
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বিদায় দিন: ফোনে এমন অনেক অ্যাপ থাকতে পারে যেগুলি আপনি মাসের পর মাস খোলেননি। এই অব্যবহৃত অ্যাপগুলি আনইনস্টল করে দিন। এতে স্টোরেজ বাঁচার পাশাপাশি ফোনের পারফরম্যান্সও বাড়বে।
ক্লাউড স্টোরেজের হিসাব মেলান: গুগল ড্রাইভ, আইক্লাউড বা ড্রপবক্স নিয়মিত চেক করে দেখুন সেখানে কোনো পুরোনো ডকুমেন্ট বা ডুপ্লিকেট ফাইল রয়ে গেছে কিনা।
আরো পড়ুন: পরিবেশগত বর্ণবাদ কী এবং এ নিয়ে সচেতন হওয়া কেন জরুরী
সোশ্যাল মিডিয়ার অটো-প্লে বন্ধ করুন: ফেসবুক, ইউটিউব বা ইনস্টাগ্রামে ভিডিও নিজে থেকেই চলতে শুরু করলে (অটো-প্লে) অপ্রয়োজনীয় ডেটা খরচ হয় এবং সার্ভারের ওপর চাপ বাড়ায়। সেটিংস থেকে এটি বন্ধ করে দিন।
ব্রাউজারের ট্যাব ও বুকমার্ক পরিষ্কার করুন: প্রতিটি খোলা ট্যাব ব্যাকগ্রাউন্ডে প্রসেসর ও মেমোরি ব্যবহার করে। নিয়মিত ট্যাব বন্ধ করা একটি স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল লাইফস্টাইলের অংশ।
ডাউনলোড ফোল্ডার চেক করুন: একবার দরকারি কোনো ফাইল নামানোর পর সেটি আর সরানো হয় না। নিয়মিত ডাউনলোড ফোল্ডার খালি করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
ডিভাইসের উজ্জ্বলতা ও পাওয়ার মোড ঠিক করুন: ফোনের উজ্জ্বলতা কিছুটা কমিয়ে রাখা এবং ‘ব্যাটারি সেভার’ মোড ব্যবহার করা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে।
অব্যবহৃত অনলাইন অ্যাকাউন্ট ডিলিট করুন: ইন্টারনেটে থাকা ‘ঘোস্ট অ্যাকাউন্ট’গুলি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকির মুখে ফেলে এবং অহেতুক ইমেইল নোটিফিকেশন পাঠিয়ে সার্ভারে চাপ বাড়ায়। দরকার না থাকলে এসব অ্যাকাউন্ট চিরতরে ডিলিট করে দিন।
নোটিফিকেশন ম্যানেজ করুন: অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন। প্রতিটি নোটিফিকেশন ফোনের স্ক্রিন অন করে এবং প্রসেসর ব্যবহার করে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায়।
অটো-ব্যাকআপ ফিল্টার অফ করুন: গ্যালারির সব ফোল্ডার ক্লাউডে অটো-ব্যাকআপ হওয়ার অপশনটি বন্ধ রাখুন। শুধু অতি প্রয়োজনীয় ফোল্ডারগুলোই সিঙ্ক হতে দিন।
শেয়ারড লিংক ব্যবহার করুন: বড় কোনো ফাইল ইমেইলে অ্যাটাচমেন্ট হিসাবে না পাঠিয়ে গুগল ড্রাইভ বা অন্য কোনো ক্লাউড লিংকের মাধ্যমে শেয়ার করুন। এতে একই ফাইলের একাধিক কপি সার্ভারে জমা হবে না।
শেষ কথা
ইমেইল মোছা বা ডিজিটাল পরিচ্ছন্নতা হয়ত এক নিমেষে জলবায়ু পরিবর্তন রুখে দেবে না, কিন্তু এটি আমাদের সচেতনতার শুরু। আসল লড়াইটা হতে হবে অপ্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার কেনা কমানোর এবং বড় কোম্পানিগুলিকে পানির অপচয় বন্ধ করতে বাধ্য করার মধ্যে। সচেতনভাবে ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করাই হল এই যুগের পরিবেশ রক্ষার মূল চাবিকাঠি।
আপনার ডিজিটাল লাইফস্টাইল কি পরিবেশ ধ্বংস করছে?

