হুয়াওয়ে মেইট থার্টি প্রো, থাকবে দু‌ইটি ৪০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা

  • Mate 30 Pro-র পিছনে থাকবে দুইটা ৪০ এমপি সেন্সর
  • P30 মডেলের ৪০ এমপি প্রাইমারি RYYB সেন্সর আবারো আসছে, সঙ্গে ৪০ এমপি আলট্রা ওয়াইড লেন্স
  • ফোনের সাথে আরও যোগ হতে পারে 8MP Zoom Lens এবং 5z Optical Zoom

শোনা যাচ্ছে, হুয়াওয়ে মেইট ৩০ প্রো’র ফিচারে থাকতে পারে ৪০ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি সেন্সর এবং সাথে ৪০ এমপি লেন্স যেটা ১২০ ডিগ্রি কাভার করবে।

এই সপ্তাহের হেডলাইনগুলির কেন্দ্রে আছে স্যামসাং-এর Galaxy Note 10। শোনা যাচ্ছে পুরানো S10 সিরিজের ১২ এমপি নিয়ে আসছে স্যামসাং-এর এই নতুন মডেলটি। তবে মনে করা হচ্ছে, তা দিয়েও হয়ত  প্রতিযোগিতায় এবার টিকতে পারবে না স্যামসাং, কারণ হুয়াওয়ে তাদের নতুন ফোনে ৪০ এমপি সেন্সর দেওয়ার চেষ্টায় আছে।

আইস ইউনিভার্স এর একটি টুইটে জানা গেছে, ফোনটির 40MP 1/1-7 inch সেন্সরটি P30 Pro-এর RYYB সেন্সরের সমান।

আইস ইউনিভার্স-এর এই টুইটটির সঙ্গে মিল আছে গত মাসের শেষ সপ্তাহে প্রকাশিত মেইট ৩০ প্রো সংক্রান্ত Teme-এর আরেকটি টুইটের। Teme-এর টুইটটিতে বলা হয়েছে, মেইট ৩০ প্রো’র 40MP Modules-এর সাথে যুক্ত হয়েছে 8 MP Telephoto Lens। যেটা 5x Optical Zoom দেয়।

এছাড়া, হুয়াওয়ে জানিয়েছে, এই মডেলটিতে তারা ভিডিও’র জন্য নতুন Cine Lens ব্যবহার করছে।

P30 Pro দিয়ে হুয়াওয়ে এর মধ্যেই স্যামসাং থেকে এগিয়ে আছে। এখন‌ মনে করা হচ্ছে, Mate 30 Pro দিয়েও তারা নিজেদের এই অবস্থান ধরে রাখতে পারবে।

হুয়াওয়ের Mate 30 Pro কবে নাগাদ বাজারে আসবে তা নির্দিষ্ট ভাবে জানা যায়নি, তবে অক্টোবরে ফোনটা রিলিজ হতে পারে।

ছবি তোলার আগেই ছবিকে পারফেক্ট বানিয়ে দিবে গুগলের নতুন অ্যালগরিদম

ভালো ছবি তোলা এক জিনিস-সেটাকে এডিট করা আরেক জিনিস। এখন আমরা প্রায় সবাই সোশয়াল মিডিয়া, ইনস্টাগ্রামে কমবেশি ছবি আপলোড করে থাকি। আর ছবি আপলোড দেওয়ার আগে আমরা সেটাকে ফিল্টার করি, স্যাচুরেশন কমিয়ে দেই–তারপরে পোস্ট দেই। ছবিটাকে সুন্দর দেখাবে – যদি আসলেই এমন কিছু আমরা চাই তাহলে একজন প্রফেশনাল এডিটর সেই কাজ করে দিতে পারে। এখন হয়ত ছবি তোলার সময়ে একটা স্মার্ট অ্যালগরিদম সেই কাজ করে দিবে।

এমআইটি বা ম্যাসাচুয়েটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং গুগল নতুন একটি মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম বের করেছে, এই অ্যালগরিদম ছবি তোলার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা নিজেই নিজেই একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারের মত ছবির সবকিছু ঠিক করে দিবে। অর্থাৎ, আপনি একটা ছবি তুললেন, আর আপনার ডিভাইসে চালু থাকা নিউরাল নেটওয়ার্ক নির্ধারণ করবে ছবিটিকে কিভাবে দেখতে সুন্দর করা যায় – প্রয়োজনমত কন্ট্রাস্ট বাড়িয়ে দিবে, ব্রাইটনেস হয়ত কমিয়ে দিবে- এবং যাই করুক, সবকিছু করবে মাত্র ২০ মিলিসেকেন্ডের মধ্যে।

এই রিসার্চের প্রধান লেখক এবং এমআইটির ডক্টোরাল স্টুডেন্ট মাইকেল ঘারিব বলেছেন, এই সময়টুকু এক সেকেন্ডের পঞ্চাশ ভাগ। ঘারিবের এই অ্যালগরিদমটি এত দ্রুত আপনার ছবিটিকে পালটে দিবে যে আপনি ছবিটিকে তোলার আগেই এর এডিটেড ভার্সন দেখতে পাবেন।

নিউরাল নেটওয়ার্ক কিভাবে নির্দিষ্ট ফটোগ্রাফিক স্টাইলগুলিকে শিখতে পারে সেটা আবিষ্কার করার জন্য ঘারবি গত বছর গুগলের গবেষকদের সাথে কাজ শুরু করেন। একই ধরনের কাজ ২০১৫ সালে জার্মান গবেষকরাও করেছিল। তারা একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক বানিয়েছিল যেটা যেকোনো ছবি তোলার সময় ভ্যান গগ ও পিকাসোর স্টাইলকে অনুসরণ করতে পারে।

ঘারবি জানিয়েছেন এই অ্যালগরিদমের উদ্দেশ্য হল কোনো এডিটিং অ্যাপ্লিকেশন ওপেন না করেই প্রফেশনাল ধরনের ছবি তোলা। এই অ্যালগরিদম একটা অটোমেটিক ফিল্টারের কাজ করে এবং এর কাজ অনেক বেশি সূক্ষ্ম। বেশিরভাগ এডিটিং ফিল্টার সম্পূর্ণ ছবিটাকেই একই রকমভাবে এডিট করে, যদি ছবিটির সব জায়গায় একইরকমভাবে এডিট করার প্রয়োজন নাও থাকে তবুও বেশিরভাগ ছবি পুরো ছবিটিকেই একরকমভাবে এডিট করে। ঘারবি’র অ্যালগরিদমে আলাদা আলাদা অনেক ফিচার থাকছে যেগুলি একই ছবির যেখানে যেটা প্রয়োজন তাই করবে। এবং প্রয়োজন অনুসারে সঠিক জায়গায় পরিবর্তন ঘটাবে।

ঘারবি বলেছেন, সাধারণত প্রতিটা পিক্সেলকে একইভাবে বদলে দেওয়া হয়। যখন আপনার ছবিগুলির নির্দিষ্ট জায়গায় প্রয়োজনমত পরিবর্তন করা হয়, সেটা বেশি ইন্টারেস্টিং।

এই অ্যালগরিদম নিজে নিজে শিখতেও পারে। যেমন, কোনো সেলফিতে উজ্জ্বল ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলে ছবিতে থাকা চেহারা-কে উজ্জ্বল করে দিবে। পানির ছবি নেওয়ার সময় সেই অংশের স্যাচুরেশন বাড়িয়ে দিবে অথবা কোনো ল্যান্ডস্কেপ ছবিতে গাছের সবুজ রঙ বাড়িয়ে দিবে।

ঘারিবের এই অ্যালগরিদম এই কাজ করতে পারেছে কারণ ঘারিব অনেকগুলি ম্যানুয়ালি এডিট করা ছবি দিয়ে এই অ্যালগরিদমকে ভিজ্যুয়াল সূক্ষ্মতার ব্যাপারে ট্রেনিং দিয়েছেন। এই নিউরাল নেটওয়ার্কটিতে গবেষকরা ৫০০০ এডিটেড ছবি ঢুকিয়েছেন। এই ছবিগুলির মাধ্যমে এই অ্যালগরিদমটি ছবি এডিট করার নিয়মগুলি শিখেছে। এখন আপনি যদি এই নিউরাল নেটওয়ার্কে আপয়ান্র এডিটেড ছবিগুলি ঢুকান, এটা আপনার নিজস্ব ফটোগ্রাফিক স্টাইল শিখে নিতে পারবে।

আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হল, এই সফটওয়্যার এতই হাল্কা যে এটা মোবাইল ফোনেও চলবে। ঘারিব বলেছেন, এটাকে দ্রুতগতিতে বাস্তবে চালানোর ক্ষেত্রে মূল ব্যাপারটি হল একটা ছবির সবগুলি পিক্সেলকে প্রসেস করতে হয় না।  একটা ছবির লাখ লাখ পিক্সেলকে প্রসেস করার বদলে, ঘারিবের অ্যালগরিদমটি ছবিটির একটা কম-রেজ্যুলেশন ভার্সন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় কোন কোন অংশ ঠিক করতে হবে। নিউরাল নেটওয়ার্কে থাকা নিয়মগুলির মাধ্যমে অ্যালগরিদমটি ডিসিশন নেয় ছবির কোন অংশের জন্য কিরকম কনট্রাস্ট, কিরকম উজ্জ্বলতা, কিরকম কালার ও কিরকম স্যাচুরেশন রাখতে হবে। এরপরে প্রয়োজনমত ছবিটির পরিবর্তন ঘটিয়ে ছবিটিকে আবার হাই-রেজ্যুলেশনে কনভার্ট করে। যেহেতু সম্পূর্ণ ছবিকে প্রসেস করতে হয় না, তাই খুবই দ্রুত কাজ করতে পারে।

এই অটো-এডিটিং ফিচারটি এখনো গবেষণার অধীনে আছে। তবে প্র্যাকটিকালভাবেই এই জিনিসটি ক্যামেরা ফিচারগুলিকে আরো দ্রুতগতির ও দক্ষ করে তুলবে। ঘারবি জানিয়েছেন অ্যালগরিদমটি এইচডিআর ফটো এত দ্রুত প্রসেস করে যে আপনাকে হাই ডেফিনেশন ছবির জন্য আধা সেকেন্ডও অপেক্ষা করতে হবে না। এই প্রজেক্টের সম্ভাবনা ও গভীরতা বিবেচয়ান করেই গুগল এর সাথে জড়িত হয়েছে। অ্যান্ড্রয়েডের আগামী ভার্সনগুলিতে এই ফিচারটি থাকবে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত করে ঘারবি কিছু বলেননি, তবে জানিয়েছেন যে আমরা আশা করতে পারি।

গুগল ভয়েস টাইপিং এখন বাংলায়

ভয়েস ডিকটেশন ব্যবহার করে কথা বলার মাধ্যমে কোনো ম্যাসেজ লেখা নতুন কোনো ব্যাপার নয়। কিন্তু নতুন খবর হচ্ছে, নতুন এক আপডেটের মাধ্যমে গুগল এই ফিচারটিতে যুক্ত করেছে বাংলা ভাষাকেও।

ভয়েস টাইপিং সত্যি সত্যি টাইপ করার চাইতে তিনগুণ দ্রুততর। এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে গুগল বাংলাসহ আরো ৩০টি নতুন ভাষায় ভয়েস টাইপিং নিয়ে এসেছে।

এর ফলে এক বিলিয়নেরও বেশি নতুন ভাষাভাষী ও জনগোষ্ঠীকে গুগলের এই ফিচারে অন্তর্ভুক্ত করা হল।

অর্থাৎ, এই আপডেটের ফলে অ্যান্ড্রয়েড এর জিবোর্ড, ভয়েস সার্চ ইত্যাদিতে গুগলের স্পিচ রিকগনিশন এখন ১১৯টি ভাষাকে সাপোর্ট কর।

এছাড়া, ইউএস ইংলিশের ক্ষেত্রে এখন ভয়েস ডিকটেশনের মাধ্যমে ইমোজি পাঠানো সম্ভব।

কোন কোন ভাষা স্থান পেয়েছে এই নতুন অন্তর্ভুক্তিতে?

বিশ্বের বৈচিত্রময় ভাষাগুলিকে সম্মান জানাতে গুগল তাদের স্পিচ রিকগনিশন এর এই নতুন তালিকায় জর্জিয়ান এর মত প্রাচীন ভাষাকেও (১০ম শতাব্দী) অন্তর্ভুক্ত করেছে।

আরো রয়েছে আফ্রিকার সর্ববৃহৎ দুই ভাষা সোয়াহিলি ও আমহারিক।

ইন্টারনেট এর ব্যাপ্তিকে আরো বাড়াতে এছাড়াও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ভারতের ৪টি ভাষা গুজরাটি, মারাঠী, কান্নাড়া, মালায়ালাম ও তেলেগু। রয়েছে নেপালি, সিংহলী, সুদানিজ, উর্দু, লাটভিয়ান ইত্যাদি ভাষা।

নিচে সম্পূর্ণ তালিকাটি দেয়া হল:

  • আমহারিক (ইথিওপিয়া)
  • আর্মেনিয়ান (আর্মেনিয়া)
  • আজেরবাইজানি (আজেরবাইজানি)
  • বাংলা (বাংলাদেশ, ভারত)
  • ইংরেজি (ঘানা, কেনিয়া, নাইজেরিয়া, তানজানিয়)
  • জর্জিয়ান (জর্জিয়া)
  • গুজরাটি (ভারত)
  • জাভানিস (ইন্দোনেশিয়া)
  • কান্নাড়া (ভারত)
  • খমের (কম্বোডিয়ান)
  • লাও (লাওস)
  • লাটভিয়ান (লাটভিয়া)
  • মালায়ালাম (ভারত)
  • মারাঠী (ভারত)
  • নেপালি (নেপাল)
  • সিংহলী (শ্রীলংকা)
  • সুদানিজ (ইন্দোনেশিয়া)
  • সোয়াহিলি (তানজানিয়া, কেনিয়া)
  • তামিল (ভারত, সিংগাপুর, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া)
  • তেলেগু (ভারত)
  • উর্দু (পাকিস্তান, ভারত)

নতুন এই ৩০টি ভাষার সংযোজনে গুগল সেই ভাষার নেটিভদের সাথে কাজ করে। প্রথমে তাদেরকে গুগল কিছু সাধারণ বাক্য পড়তে দেয়। এভাবে তাদের উচ্চারণের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর গুগলের মেশিন লার্নিং মডিউল সেই ভাষার ধ্বনি ও শব্দ সম্পর্কে বুঝতে শুরু করে। পরবর্তীতে তাকে আরো নতুন নতুন উদাহরণে কাজ করানো হয়। ধীরে ধীরে তার ভুল করার পরিমাণ কমে আসতে থাকে।

এই নতুন অন্তর্ভুক্ত ভাষাগুলি খুব দ্রুত গুগলের ট্রান্সলেট অ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপ এবং প্রডাক্টে চলে আসবে বলে জানিয়েছে গুগল।

বাংলায় ভয়েস টাইপিং এবং ভয়েস সার্চ চালু করার ধাপগুলি

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বাংলায় ভয়েস টাইপিং এর জন্য প্রথমে গুগল প্লেস্টোর থেকে জিবোর্ড ইনস্টল করুন। এরপর সাজেশন স্ট্রিপ থেকে G সিলেক্ট করে সেটিং হুইল সিলেক্ট করুন। সেখান থেকে আপনি বাংলা ভাষা সিলেক্ট করতে পারবেন। এরপর মাইক্রোফোনে ট্যাপ করে কথা বলা শুরু করুন।

ভয়েস সার্চ চালু করার জন্য প্রথমে গুগল অ্যাপটি চালু করুন। সেটিংস মেনু থেকে ভয়েস সিলেক্ট করুন। সেখান থেকে বাংলা সিলেক্ট করুন।

ইমোজি পাঠান কথা বলে

গুগল এর আগে ড্রয়িং এবং সার্চিং এর মাধ্যমে আপনার পছন্দের ইমোজি পাঠানো সাপোর্ট করত। নতুন আপডেটের ফলে এখন ইউএস ইংলিশ এর ক্ষেত্রে আপনি যদি মাইক্রোফোনের সামনে উইংকি ফেইস ইমোজি বলেন, তাহলে সেই ইমোজি আপনা আপনি চলে আসবে। গুগল আশা করছে এই ফিচারটি তারা অন্যান্য ভাষায়ও দ্রুত নিয়ে আসবে।

চীনে নতুন স্মার্ট ক্যাপসুল হোটেল চালু—মানুষের সাহায্য ছাড়াই চলবে

চংচিঙের সাইবারনট মার্কেটস্পেসে সম্প্রতি এই ক্যাপসুল হোটেলের উদ্বোধন হয়েছে। ‘উইচ্যাট’ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।  

হোটেলের চারটি রুমের গঠন মহাকাশযানের সাদা ক্যাপসুলের মতো। প্রতি রুমে এক জন করে মানুষ থাকতে পারবেন।

অতিথিরা তাদের উইচ্যাট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই তাদের রুম বুকিং করে রাখতে পারবেন। তাছাড়া হোটলে চেক-ইন বা চেক-আউট করার কাজও সেই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই সেরে ফেলা যাবে। তাই গোটা হোটেলে কোনো কর্মচারী নাই।

যারা চাকরিজীবী, তারা লাঞ্চ ব্রেকের সময় সেই হোটেলে এসে বিশ্রাম নিতে পারবেন। মূলত এ উদ্দেশ্যেই হোটেলটি নির্মিত হয়েছে। প্রতি আধা ঘন্টার জন্য সেখানে ৫ উয়ান (৭৫ সেন্টস) দিতে হয়; আর লাঞ্চ ব্রেকের জন্য ৬ উয়ান।

লিয়াংজিয়াং নিউ এরিয়া ইন্টারনেট ইন্ডাস্ট্রি পার্কে বছর শেষে সব মিলিয়ে ২০০ টি রুম স্থাপন করতে চান এই হোটেলের মালিক।

ছোট ছোট রুম দিয়ে তৈরি ক্যাপসুল হোটলে বিশ্বে সর্বপ্রথম জাপানে নির্মিত হয়। এই ছোট সাইজের রুমগুলিকেই ‘ক্যাপসুল’ বা ‘পড’ বলে। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ক্যাপসুল ইন ওসাকা’ পৃথিবীর প্রথম ক্যাপসুল হোটেল।

চীনের শানশি প্রদেশের জিয়ানে ২০১২ সালে তারা প্রথমবারের মতো এধরনের হোটেল তৈরি করে।