Category

বিজ্ঞান

Category

অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, ব্রেস্ট ক্যান্সারের সবচাইতে আক্রমণশীল কোষগুলিকেও ল্যাবরেটরিতে মৌমাছির বিষ দিয়ে ধ্বংস করে দেয়া যাচ্ছে।

যে দুই ধরনের ব্রেস্ট ক্যান্সারের চিকিৎসা করা কঠিন, এর মাঝে একটা হলো ট্রিপল-নেগেটিভ এবং আরেকটা HER2-সমৃদ্ধ। এই দুই টাইপ ক্যান্সারের বিরুদ্ধেই মৌমাছির বিষ ও বিষের ভেতরকার মেলিটিন নামের একটা যৌগ সফলভাবে কাজ করেছে।

পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি পারকিন্স ইন্সটিটিউট অফ মেডিকেল রিসার্চের তরফ থেকে এই গবেষণার ফলাফল গত ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ তারিখে একটা জার্নালে প্রকাশ করা হয়। এ পরীক্ষায় প্রায় ৩০০টি মৌমাছি ও বোলতা প্রয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে মৌমাছি থেকে প্রাপ্ত নির্যাসগুলি ক্যান্সার লড়াইয়ে বেশ শক্তিশালী ছিল বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার প্রধান বিজ্ঞানী প্রফেসর পিটার ক্লিনকেন বলেন, “এই গবেষণা দেখাচ্ছে কীভাবে ব্রেস্ট ক্যান্সার কোষের পুনরুৎপাদন কমিয়ে আনার জন্য কোষগুলির নিজস্ব সংকেতসূচক গতিপথে বাধা সৃষ্টি করে মেলিটিন।… মানুষের রোগবালাইয়ের চিকিৎসায় প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত যৌগ কীভাবে কাজে লাগানো যায়, এখান থেকে আমরা তার আরেকটা চমৎকার উদাহরণ পেলাম।”

আরো জানা যায়, মৌমাছির বিষের একটা নির্দিষ্ট দ্রবণ এক ঘণ্টার মধ্যেই ক্যান্সার কোষ নষ্ট করে ফেলতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় ক্যান্সার ছাড়া অন্যান্য কোষের তেমন ক্ষতিও হয় না। তবে দ্রবণে বিষের ডোজের পরিমাণ বাড়ালে অন্য সব কোষেও বিষ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তবে মেলিটিন নামক যৌগটি নিজে থেকেই ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি বন্ধ করে দিতে সক্ষম। আর প্রাকৃতিকভাবে এই মেলিটিন মৌমাছির বিষে পাওয়া গেলেও সিন্থেটিক প্রক্রিয়ায় কৃত্রিমভাবেও এর উৎপাদন সম্ভব।

পৃথিবী জুড়ে যত ধরনের ক্যান্সার আছে, তার মাঝে ব্রেস্ট ক্যান্সারই সবচাইতে কমন। আর যাবতীয় ব্রেস্ট ক্যান্সারের মাঝে ১০%-১৫% ব্রেস্ট ক্যান্সারের ধরন ট্রিপল-নেগেটিভ। এখন পর্যন্ত সার্জারি, রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপির মাধ্যমেই এর চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে গবেষণাগারের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অনেক রাসায়নিক যৌগ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারলেও এসবের মাঝে ঔষধ বা প্রতিকার হিসাবে মানুষের শরীরে ব্যবহারের জন্য উপযোগী যৌগের সংখ্যা নগণ্য।

সূত্র. বিবিসি

মাস্ক বলেন, “এরকম ইমপ্ল্যান্টেবল ডিভাইস দিয়ে আসলেই কানে কম শোনা, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, ডিপ্রেশন, ইনসমনিয়া ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করা যাবে।”

বানরের দ্বিতীয় প্রজাতিটি ৩ কোটি ২০ লক্ষ থেকে সাড়ে ৩ কোটি বছর আগে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিতে সফল হয়েছিল।

যেমন একটা মিষ্টি দ্রবণ পান করে ইঁদুরগুলি আনন্দ প্রকাশ এবং তিতা স্বাদের ক্ষেত্রে বিরক্তি প্রকাশ করেছিল।