সাইকেল চালানো

২০০২ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে প্রতিবছর বাইসাইকেল চালনা থেকে ৪০০০ কিডনি ‌ও যৌনাঙ্গে ইনজুরি ঘটেছে।

যারা সাইকেল চালান তারা সবসময়ই কিডনি ও যৌনাঙ্গে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনটাই দেখা গেছে।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ইউরোলজিস্ট ড. বেঞ্জামিন ব্রেয়ার জানান, শুধু মাথা এবং হাতের কনুই নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়াটাই সাইকেল চালকদের জন্যে শেষ কথা নয়। বরং অনেক ধরনের আঘাতই আসতে পারে।

জরিপে দেখা গেছে ২০০২ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে প্রতিবছর বাইসাইকেল চালনা থেকে ৪০০০ কিডনি ‌ও যৌনাঙ্গে ইনজুরি ঘটেছে। শতকরা প্রায় ৭০ ভাগের মত ইনজুরির কারণ ছিল মাটিতে পড়ে যাওয়ার বদলে সরাসরি সাইকেলে আঘাত লাগা। আর অর্ধেকের বেশি ইনজুরির প্রধান কারণ ছিল সাইকেলের সিট ও হ্যান্ডেলবারের মাঝখানের টপ টিউব।

আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে বড়দের তুলনায় শিশুদের সংখ্যা বেশি। ১ লাখ বড়দের মধ্যে আঘাতপ্রাপ্তের সংখ্যা যেখানে ৫৩ সেখানে এক লাখ শিশুর মধ্যে তা ৪৪৮। তবে আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যায় বড়রা এগিয়ে। অর্থাৎ শিশুদের চেয়ে প্রাপ্তবয়স্করা বড় ধরনের আঘাত বেশি পান।

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি দরকার নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে সাইকেল চালানো।

এই গবেষণায় দেখা যায় বেশিরভাগ সাইকেল আরোহীই ছোটখাটো আঘাত পান। গবেষকরা শিশুদের সাইকেল চালানোর সময় অ্যাথলেটিক কাপ পরতে ও সাইকেলের হ্যান্ডেলবারে এয়ারব্যাগ রাখতে পরামর্শ দেন।

বেঞ্জামিন ব্রেয়ার জানান, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিরাপদভাবে সাইকেল চালানো। হেলমেট পরুন, রাস্তার নিয়ম-কানুন মেনে চলুন এবং সতর্ক থাকুন।