অনেকেই আছেন যারা টু-ডু লিস্ট বানাইয়া কাজ শুরুর আগে একটু ফেসবুক করতে বসেন। সারাদিন ফেসবুকের পিছনে যায়। টু-ডু লিস্ট একা পইড়া থাকে। কোনো কাজ আর আগায় না।
তারা কীভাবে এই সমস্যাটা কাটাইবেন, তার একটা ছোট্ট টিপস দেই। এইটারে বলতে পারেন “ফেসবুক প্রোডাক্টিভিটি হ্যাক” ☑
ব্রাত্য রাইসু
ধরেন, সারাদিনে আপনার ৫টা কাজ করতে হবে। আপনি টু-ডু লিস্টে সেই ৫টার সাথে বাড়তি ২টা কাজ যোগ করবেন। কোন ২টা? দেখাইতেছি। টু-ডু লিস্ট আকারে দেখাই:
আজকের কাজ – ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১. লেখালেখি (সকাল ৯টা – ১০:৩০টা)
২. নেটওয়ার্কিং (সাড়ে ১১টা – ১২ টা)
৩. ছবি আঁকা (১২টা – ১টা)
৪. হোম অফিসের কাজ (২টা – ৩টা)
৫. বই পড়া (৩টা – ৪টা)
৬. ফেসবুক টু-ডু: আজকে আমি ৫ বার ফেসবুকে ঢুকব, প্রতিবার সর্বোচ্চ ২০ মিনিট।
নিয়ম: প্রতিটা কাজ শুরু করার আগে ২০ মিনিট ফেসবুক করার পারমিশন আছে। কিন্তু শর্ত হইল, ফেসবুক করার পরপরই ওই কাজটা শুরু করতে হবে এবং শেষ করতে হবে।
অর্থাৎ, ফেসবুক করলাম মানেই এখনই লেখালেখি বা অন্য কাজ শুরু করতে হবে। আবার ফেসবুক করতে চাইলে আগের কাজ শেষ কইরা পরের কাজ শুরু করতে হবে।
সহজ কথায়, ফেসবুক = কাজের টিকেট। টিকেট কাটলে কাজ করতেই হবে! কাজ না করলে ফেসবুকে ঢোকা যাবে না।
৭. টু-ডু লিস্টের কাজ সম্পন্ন: সন্ধ্যা বা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিজেকে বলতে হবে:
আমি টু-ডু লিস্টের ৫টা কাজই করছি এবং তার আগে নিয়ম মাইনা ২০ মিনিট কইরা ফেসবুক করছি। একবারও ২০ মিনিটের বেশি ফেসবুক করি নাই।
আরো পড়ুন: টু-ডু লিস্টের এই ৭টি ভুল আপনিও করছেন না তো?
উপরের ফেসবুক টু-ডু লিস্টটা জাস্ট বোঝার জন্যে দেওয়া। আপনি নিজের মত কইরা সাজাইবেন।
পোস্ট করবেন Only Me কইরা। যাতে আপনার “টু-ডু পোস্ট” খালি আপনিই দেখেন।
কেন এইটা কাজ করবে?
ফেসবুকেই টু-ডু লিস্ট টাঙানোর সুবিধা হইল—যখনই আপনি অভ্যাসবশত ফেসবুকে ঢুকবেন, নিজের কাজের লিস্টটা চোখের সামনে চইলা আসবে। তখন কাজের কথা মনে পড়বেই এবং কাজগুলি শেষ করার একটা তাগিদ তৈরি হবে।
মনে রাখবেন, পোস্ট কিন্তু Only Me করতে হবে। এইটা অনেকে ভুইলা যাইতে পারেন। অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে এই বিষয়ে।
ফেসবুক টু-ডু লিস্ট তৈরি করবেন যেভাবে

